খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের জনসভায় আজ কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামের জনসভায় আজ কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহুল আলোচিত জনসভা আজ। ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে তাঁর এই জনসভা। তাঁকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম। দ্বাদশ নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজন করা জনসভা থেকে চট্টলাবাসীসহ দেশের মানুষের কাছে ভোট চাইবেন প্রধানমন্ত্রী; নেতাকর্মীকে দেবেন দিকনির্দেশনা। এসব কারণে পলোগ্রাউন্ডের জনসভাকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্টরা।

কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের কাজ চলতি মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। জানুয়ারিতে টানেলের নির্মাণকাজ শেষে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে পলোগ্রাউন্ড মাঠের জনসভা থেকে মেগা কোনো প্রকল্প উদ্বোধন করা হচ্ছে না। তবে বাস্তবায়ন করা ছোট-বড় ৩০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

জনসভাকে ঘিরে গোটা বন্দরনগরী এখন মুখর। গতকাল রাত পর্যন্ত চলেছে নিরবচ্ছিন্ন প্রচার-প্রচারণা। ব্যানার-পোস্টার আর তোরণে ভরে গেছে নগরী, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী যেসব সড়ক ব্যবহার করে জনসভায় যাওয়া-আসা করবেন, সেসব সড়কে ব্যানার-পোস্টার লাগানোর জায়গা নেই। ইতোমধ্যে নৌকার আদলে তৈরি করা হয়েছে জনসভার দৃষ্টিনন্দন মঞ্চ। ৩ হাজার ৫২০ বর্গফুটের এই মঞ্চে কমবেশি ২০০ মানুষ বসতে পারবেন। তবে যাঁরা মঞ্চে বসার সুযোগ পাবেন, তাঁদের দেখাতে হবে করোনা নেগেটিভ সনদ। জনসভা সামনে রেখে গতকাল শনিবার থেকেই পুরো নগরীতে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি টহল দিচ্ছে পুলিশ। দায়িত্ব পালন করছেন পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ, গোয়েন্দা সদস্যরা। নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে আর্চওয়ে, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। ব্যবহার করা হবে ড্রোনসহ নানা প্রযুক্তি। সব মিলিয়ে গোটা নগরীকে নিরাপত্তাবলয়ে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। দীর্ঘ ১০ বছর ৯ মাস পর নগরীর কোনো জনসভায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে ২০১২ সালের ২৮ মার্চ পলোগ্রাউন্ড মাঠে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের উদ্যোগে মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

যেসব ঘোষণা দিতে পারেন: নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে জনসভা আয়োজন করায় সেই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কী ঘোষণা কিংবা দিকনির্দেশনা দেন তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। তবে আওয়ামী লীগের যু সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অবশ্য বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেহেতু জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই জনগণের সামনে হাজির হওয়া আমাদের দায়িত্ব। দেশ আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায় গেছে, আমরা জনগণের জন্য কী করেছি, দেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে চাই- এগুলো জনগণের সামনে উপস্থাপন করা জনগণের দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী, তিনি সেই কথাগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।’ আর আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনও জানিয়েছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজন করা জনসভা থেকে দলের নেতাকর্মীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

আড়াল হয়ে গেছে নগরীর হতশ্রী চিত্র: কোনো এলাকা সফরে গেলে সেই এলাকার শ্রীহীন, জীর্ণদশা দেখার সুযোগ পান না প্রধানমন্ত্রী। কারণ তিনি যেসব পথ দিয়ে আসা-যাওয়া করেন, সেসব পথের হতশ্রী চিত্র যে রাতারাতি পাল্টে দেওয়া হয়। এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। খানাখন্দে ভরা সড়কে পড়েছে পাথর-বিটুমিনের নতুন প্রলেপ। সড়কের পাশের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে হকারদের। রংহীন ফ্লাইওভারে লেগেছে রঙের ছোঁয়া।

প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী যত কর্মসূচি: সকালে ভাটিয়ারীতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে সামরিক বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ-২০২২ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। দুপুরে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে আসবেন। স্টেডিয়াম থেকে গাড়িতে করে পলোগ্রাউন্ডে জনসভায় যোগ দেবেন। জনসভা থেকে বাস্তবায়ন করা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করবেন এবং জনসভায় ভাষণ দেবেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…