হয়রানি হচ্ছে মহিলা সহ সহজ সরল মানুষ
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা জুড়ে ছেয়ে গেছে প্রতারকদের প্রচারপত্র
প্রতারকদের প্রচারপত্র
হাটহাজারী উপজেলার যেখানে সেখানে লাগানো হয়েছে প্রতারকদের প্রচারপত্র। এই প্রচার পত্র গুলো পড়ে অনেকেই প্রতারিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মনে হয় দেশের এক নাম্বার নিরব সন্ত্রাসী তারাই যারা এই প্রতারক প্রচারপত্র দিয়ে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। অবাধ্যকে বাধ্য করা ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা অমনোযোগী , স্বামী স্ত্রীর অমিল ,সহ তারা এ ধরনের মিথ্যা স্লোগান লিখে হাটহাজারীর প্রতিটি আনাছে-কানাছে গ্রামে গঞ্জে শহরে পর্যন্ত বসানো হয় এই প্রতারণার ফাঁদ। এই ফাঁদে পড়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে । এই ধরনের নিরব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা জরুরি বলে মনে করছেন অনেকেই । তারা বিভিন্ন প্রলোভন ও জিন পরি সাথে কথা বলে দেওয়ার নাম করে বেশিরভাগ মহিলাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা ।এ সব প্রতারক চক্র গ্রাহকের কাছ থেকে প্রথমে হাজিরা দেখার নামে এক হাজার টাকা থেকে বারোশো টাকা আদায় করেন, পরে তারা হাজিরা দেখার মধ্যে বলে তোমাকে দুইটি পাথর এনে দিতে হবে একটি হল কৃষ্ণ পাথার আপরটি আগুন পাথর দুটি পাথর
এনে দিলে তোমার কাজ ২৪ ঘন্টার মধ্যেই হয়ে যাবে বলে গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। যদি এই পাথরগুলো তুমি কিনে দিতে না পারো তাহলে পাথরের মূল্য আমার কাছে বিকাশে পৌঁছে দিলে আমি পাথর ক্রয় করে চালান দিয়ে তোমার কাজ করে দিব বলে প্রতারণা ফেলে সাধারণ মানুষকে । পাথরের টাকা দেওয়ার পর আবার প্রতারকরা বলে তোমার পাথর গুলো জিনের মাধ্যমে কাজ করতে হবে
এই জিনদেরকে তুমি মিষ্টি মুখ করাতে হবে । না হয় গাইবি এই জিনিসগুলো তোমার কাজ করবে না । তুমি যদি মিষ্টি পাঠাতে না পারো তাহলে ১৪ কেজি মিষ্টির টাকা তুমি আমার কাছে বিকাশে পৌঁছে দাও । এ ধরনের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে প্রতারণায় ফেলে তারা হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার টাকা । এসব প্রতারক বৈদ্যরা একেক জন একেক নিয়ম করা থাকে । এসব প্রতারক বৈদ্যারা এমন করে কথা বলে থাকে যাহা বিশ্বাস করার মতো, কিন্তু তারা গ্রাহকদের বলে প্রথমে সমুদ্রের তিনটি বোয়াল মাছ লাগবে,। সমুদ্রের নীল পাথর কালো পাথর আগুন পাথর
এ ধরনের কথা বলে তারা পাথরের টাকা বিকাশে গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়ে ফেলে ।, এই প্রতারক চক্রটি সহজ-সরল গ্রাহকদের থেকে কয়েক দফা বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিয়ে তারা পরবর্তীতে গ্রাহক দের ফোন রিসিভ করেনা । এই প্রতারক চক্রটি বেশিরভাগ বিভিন্ন মাজারের খাদেম বলে পরিচয় দিয়ে থাকে আবার অনেকেই হিন্দুদের তান্ত্রিক মন্ত্র গুরু সন্ন্যাসী পরিচয় দিয়ে থাকে। এসব প্রতারক চক্র বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ফেসবুক-ইউটিউবে তাদের বিজ্ঞাপন দিয়ে সহজ সরল মানুষকে আকৃষ্ট করে থাকে । এই প্রতারকদের
কাছে গ্রাহকরা গিয়ে সব হারিয়ে পরবর্তীতে ফলাফল শূন্যের কোঠায় এসে দাঁড়াই । এসব প্রতারক চক্রের হাত থেকে রক্ষা করতে সাধারণ মানুষ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
২৪ঘণ্টা/জেআর


আপনার মতামত লিখুন