খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি ছিনতাইয়ে জড়িত সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
জঙ্গি ছিনতাইয়ে জড়িত সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক গ্রেপ্তার

ঢাকার আদালত চত্বর থেকে দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওমর ফারুক নামে এক আইনজীবীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। সোমবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে ওমর ফারুকের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

তদন্তে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওমর ফারুক পালিয়ে যাওয়া এক জঙ্গির ভগ্নিপতি। তিনি প্রয়াত রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের এপিএস ছিলেন।

সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওমর ফারুককে ৫-৬ দিন আগে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ওমর ফারুকের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। দুই দফায় চারদিন রিমান্ড শেষে তিনি এখন কারাগারে আছেন।’

এদিকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ে এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটিটিসি প্রধান।

এর আগে ২০ নভেম্বর ঢাকার আদালত ফটকের সামনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে একমাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তাদেরকে শনাক্ত বা আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সম্প্রতি ওমর ফারুক নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে ঢাকাটাইমস। তখন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওমর ফারুকের বেশভূষাও বদলে গেছে। ক্লিন-শেভ চেহারা বদলে গেছে শ্মশ্রুতে। তাতে লেগেছে মেহেদির রঙও। নিয়োজিত ছিলেন আইন পেশাতে। ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অ্যানরোলমেন্ট হয় তার। সদস্য পদ পান পরের বছরের ২৪ মে।

কী ঘটেছিল ওই রাতে?

২০১২ সালের ৯ এপ্রিল রাতের ঘটনা। হঠাৎ করেই একটি গাড়ি ঢুকে পড়ে বিজিবি সদর দপ্তরের ফটক দিয়ে। ওই গাড়িতে ছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুক তালুকদার, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা ও রেলওয়ের কমান্ড্যান্ট এনামুল হক। গাড়ির চালক ছিলেন আজম খাঁন। ওই গাড়ি থেকে তখন উদ্ধার করা হয় একটি টাকার বস্তা। যেখানে ৭০ লাখ টাকা ছিল। অভিযোগ ওঠে, রেলওয়ের নিয়োগ বাণিজ্য থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয় ওই ঘটনায়। তুমুল সমালোচনার মুখে মন্ত্রী পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন প্রয়াত রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। এর আগে এপিএস পদ থেকে ওমর ফারুককে বরখাস্তও করেন তিনি।

গাড়িতে বস্তায় পাওয়া টাকার উৎসের খোঁজে নামে দুদক। অনুসন্ধানে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়ায় ২০১২ সালের ১৪ আগস্ট রমনা থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে দুদক আইনের ২৭(১) ও ২৬(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

কারাদণ্ড হয়েছিল পাঁচ বছর: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আতাউর রহমান এক রায়ে ওমর ফারুক তালুকদারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সেই সঙ্গে, এক কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেন আদালত। তার নামে থাকা ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করারও আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ওমর ফারুক। ওই সময় তিনি জামিনে ছিলেন। কিন্তু রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পুলিশ তাকে কারাগারে নিয়ে যায়। পরে তিনি জামিনে ছাড়াও পান।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের যে ফ্ল্যাটটি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত সেই ফ্ল্যাটেই চেম্বার করছিলেন ওমর ফারুক।

যেভাবে উঠে আসেন ওমর ফারুক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলপথ নিয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় করেন ২০১১ সালে। দেশব্যাপী রেলপথ বিস্তৃত ও উন্নয়নের জন্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দেওয়া হয়েছিল রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সুরঞ্জিত রেলমন্ত্রী হওয়ার পর ওমর ফারুককে তার এপিএস করে নেন। ওমর ফারুকের বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের হাওরপাড়ের মির্জাপুর গ্রামে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রামের সাধারণ পরিবেশেই বড় হয়ে উঠেছেন ওমর ফারুক। পরিবারও ছিল স্বনামধন্য। তবে একপর্যায়ে পরিবারে আর্থিক অসচ্ছলতা দেখা দেওয়ায় ফারুক ঢাকায় এসে শুরুতে কারওয়ান বাজারে একটি রেস্টুরেন্টে এক হাজার ২০০ টাকা বেতনে চাকরি নেন। সে সময় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ছিলেন অনুকূল তালুকদার ডালটন।

অনুকূলের সঙ্গে পরিচয়ের পর একসময় দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। অনুকূল ২০০৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডন যান। তখন তার জায়গা দখল নেন ওমর ফারুক। ধীরে ধীরে সুরঞ্জিতের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন তিনি। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের দিরাই-শাল্লা নির্বাচনী এলাকা থেকে বিজয়ী হন। পরে মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর ওমর ফারুক তার এপিএস হিসেবে নিয়োগ পান।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।