খুঁজুন
সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনার দামের রেকর্ড, প্রতি ভরি ৮৮,৪১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
সোনার দামের রেকর্ড, প্রতি ভরি ৮৮,৪১৩ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হলো। সব থেকে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম হলো ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা।

আগামীকাল শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর এবং ১৮ ও ১৩ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ফলে দেড় মাসের মধ্যে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়লো চার দফা। এতে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে গেছে দামি এই ধাতুটি। এর আগে কখনো দেশের বাজারে সোনার ভরি ৮৮ হাজার টাকা স্পর্শ করেনি।

চলতি বছরের ৪ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। দেশের বাজারে এতদিন এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল।

এখন সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো সোনার দাম। ভালো মানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৮১৭ টাকা থেকেেএক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৮৯ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়েছে ৯৩৩ টাকা। এর ফলে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম হলো ৭২ হাজার ৩১৭ টাকা। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ৮১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬০ হাজার ৩০৩ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকাই থাকছে।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর এবং ১৮ ও ১৩ নভেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৫ অক্টোবর এবং ২৭, ১৯ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। তারও আগে ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২২ আগস্ট সোনার দাম বাড়ায় বাজুস। এর আগে ১৮ আগস্ট সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। তবে তার আগে ৪ ও ৭ আগস্ট এবং ২৭ ও ২৯ জুলাই সোনার দাম বাড়ানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দাম বাড়া-কমার চিত্র
>> গত ৪ ডিসেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়।

>> গত ১৮ নভেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫৭০ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা করা হয়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

>> ১৩ নভেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা করা হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা করে বাজুস। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৫২১ টাকা করা হয়।

>> ২৫ অক্টোবর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৮০ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা। এছাড়াও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা

কমিয়ে ৬৫ হাজার ৫৫২ টাকা করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮১৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৫৪ হাজার ৩৫৪ টাকা।

>> গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮৬ টাকা কমিয়ে ৮০ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করে বাজুস।

>> ১৯ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা করা হয়। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫৮৩ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা করা হয়।

>> ১৫ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করে বাজুস। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৫৬ হাজার ৪৫৪ টাকা করে বাজুস।

>> ১১ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা করা হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৬৯ হাজার ১৬৮ টাকা করে বাজুস। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৭ হাজার ৩৮৭ টাকা।

>> ২২ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করে বাজুস। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯২ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

>> ১৮ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২৭৫ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৫৬ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮৬৭ টাকা কমিয়ে করা হয় ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৬৯২ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা করা হয়।

>> ৭ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকা করে বাজুস। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা।

>> ৪ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

>> ২৯ জুলাই ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

>> ২৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৫৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়। সে সময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম।

>> ১৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ২১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম ৭৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৭২১ টাকা করা হয়।

>> ৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার

৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৪ হাজার ৮৮৩ টাকা। একই সঙ্গে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৫৯ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

>> ২৬ মে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা করা হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে করা হয় ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা।

Feb2

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের পাইলট উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের পাইলট উদ্বোধন

নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে তিনি গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় গিয়ে সুবিধাভোগী নারীদের হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এ সময় কর্মসূচির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিম্ন আয়, অসচ্ছল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এই অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই আশপাশের ইউনিয়ন ও উপজেলার নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠ ও আশপাশ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। কর্মসূচি শেষে তিনি বাগবাড়ী এলাকায় একটি খাল খনন প্রকল্প পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। এছাড়া তিনি তাঁর পৈতৃক বাড়িতে সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান শেষে শহরে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরে নতুন প্রটোকল জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরে নতুন প্রটোকল জারি

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরকে ঘিরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার বা প্রটোকল নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশাবলি জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দায়িত্ব ও উপস্থিতির বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে।

আজ (সোমবার) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরকে ঘিরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার (প্রটোকল) সংক্রান্ত নির্দেশাবলি প্রকাশ করা হয়, যা গত ১৬ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়।

বিশেষ নির্দেশাবলি
• মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের বিদেশ গমন ও দেশে ফেরার সময় মন্ত্রণালয়/বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব/যুগ্ম সচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

• দেশের অভ্যন্তরে সফরকালে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী তার ঢাকা ত্যাগ ও প্রত্যাবর্তনস্থলে মন্ত্রণালয়/বিভাগের মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর একান্ত সচিব উপস্থিত থাকবেন।

• জেলা সদরে যথাসম্ভব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর আগমন ও বিদায়ের স্থানে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন।

• জেলা সদরে উপস্থিত থাকার জন্য জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের নিজের সরকারি সফর বাতিল বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হবে না। এ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী ইচ্ছা প্রকাশ করলে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপার তাঁর সফরসূচি বাতিল করবেন।

• উপজেলা সদর বা উপজেলার অন্য কোনো স্থানে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। আবশ্যক না হলে জেলা প্রশাসক কিংবা পুলিশ সুপারের এক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।

• আগমন ও প্রস্থানের সময় আবশ্যক না হলে বিমানবন্দর বা রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা/চট্টগ্রাম/কক্সবাজার/যশোরের জেলা প্রশাসকের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। যশোর ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার/মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।

• কোনো জেলা/উপজেলায় আগমন/প্রস্থানের সময় আশপাশের জেলার বিমানবন্দর/রেলস্টেশন ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হলে ট্রানজিট স্থানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের উপযুক্ত প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

• বিভাগীয় কমিশনার, সদরদপ্তরে উপস্থিত থাকলে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর আগমনের পর সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে পারেন।

• মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

• রেলযোগে ভ্রমণের ক্ষেত্রে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশ সুপার তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট রুটের সকল পুলিশ স্টেশন/ফাঁড়িকে অবহিত করবেন। যে স্টেশনে ট্রেন থেকে অবতরণ এবং ট্রেনে পুনরায় আরোহণ করবেন বা কোনো জংশনের যে স্থানে ট্রেন বদলের প্রয়োজন হবে সেসব স্থানে পুলিশের একজন পরিদর্শক/উপপরিদর্শক উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও রেলযোগে চট্টগ্রামে গমন ও প্রস্থানের সময় সেখানে চট্টগ্রাম রেলওয়ের পুলিশ সুপার উপস্থিত থাকবেন।

সাধারণ নির্দেশাবলি
• মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের সফরসূচি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে যথাসময়ে পাঠাতে হবে। সফরসূচিতে কোনো পরিবর্তন হলে তাও যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাতে হবে।

• সার্কিট হাউজ/সরকারি রেস্ট হাউজ ছাড়া নিজ বাড়ি কিংবা অন্যত্রে অবস্থানের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রাচার সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশাবলি প্রযোজ্য হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

• সফরসূচি প্রণয়নের সময় সফরটি, সরকারি নাকি ব্যক্তিগত তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। সরকারি সফরের সময় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যক্তিগত সফরের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে এ সংক্রান্ত সেবার মূল্য পরিশোধের প্রচলিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

• মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর একান্ত সচিব/সহকারী একান্ত সচিবগণ মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট এ সংক্রান্ত জারি করা নির্দেশাবলির জায়গায় নতুন এই নির্দেশাবলি কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।

৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ

সৌদি আরবে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যু করার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

বৈঠককালে তারা দুদেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার (মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও বাংলাদেশের জ্বালানি ও পর্যটন খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি এসব খাতে বিনিয়োগসহ দুদেশের সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন।

সৌদি আরবে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রদূত এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা প্রমাণক সাপেক্ষে ইতোমধ্যে ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ টিম পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দেন, পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেসব মিয়ানমার নাগরিকের বাংলাদেশি ডকুমেন্টস রয়েছে বা যারা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেছে, তাদের দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।

এক্ষেত্রে সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান।

মন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে তিনি সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।