খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৩, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রয়েছেন। আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে দশম বারের মতো দলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম নিজ জন্মভিটায় অবস্থান করছেন তিনি।

পরে শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তিনি দলের পক্ষ থেকে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও জাতীয় কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং একটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত দু’টি ঘাটলা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, টুঙ্গিপাড়া বাস টার্মিনাল, পাটগাতি ভূমি অফিস, টুঙ্গিপাড়া পৌর মার্কেট, টুঙ্গিপাড়া বাস টার্মিনাল, জেলা প্রসাশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবন, সোনাখালির জোড়াসেতু, রাধাকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়, দারুছুন্নাহ সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, মাঝবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পাটগাতী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, বাঁশবাড়িয়া ঝনঝনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা। এ ছাড়া, গোপালগঞ্জ সদরের স্বাধীনতা নামে জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি গার্ডার ব্রিজও রয়েছে। এ ছাড়াও শেখ লুৎফর রহমান গ্রন্থাগার ও গবেষণা কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৭টি প্রকল্প ও ১টি ভিত্তিপ্রস্তরের মধ্যে ১৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। বাকি ৯টি প্রকল্প, শিক্ষা ও গণপূর্ত বিভাগ এবং টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা বাস্তবায়ন করছে।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) শেখ হাসিনা জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে খুলনায় তার পারিবারিক সম্পত্তি দেখতে যান। এরপর তিনি আবার গোপালগঞ্জে ফিরে আসেন। এদিন সকাল দিকে শুক্রবার গণভবন থেকে সকাল ৮টায় গণভবন থেকে সড়কপথে টুঙ্গিপড়ায় পৌঁছান আওয়ামী লীগ সভাপতি। টু্ঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতার সমাধিতে ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর দুপুরে টুঙ্গিপাড়া থেকে খুলনায় যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নবনির্বাচিত কমিটি দুপুর ২টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

Feb2

কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

মহাখালীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে কড়াইল বস্তির আনসার ক্যাম্প মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ কর্মসূচি আয়োজন করে। এ ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিনামূল্যে ওষুধ ও শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। জুবাইদা রহমান কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে জুবাইদা রহমান ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ (জেডআরএফ) কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নারীদের বিভিন্ন চিকিৎসা সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর রউফাবাদ কলোনিতে গুলিবিদ্ধ হওয়া পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রেশমী আক্তার (১১) শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৭ মে দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার রউফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলিতে গোলাগুলির সময় ছুটে আসা একটি গুলি লাগে রেশমীর বাঁ চোখে। গুলিটি চোখ মাথায় ঢুকে যায়। ঘটনার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেদিন রাতে আইসিইউ শয্যা খালি না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে চমেকে আইসিইউ শয্যা খালি হলে সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুলিটি রেশমীর বাঁ চোখ ভেদ করে মাথার ভেতরে ঢুকে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আটকে যায়। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিয়াজ-সাবেরা দম্পতির দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে রেশমী সবার ছোট। এক মেয়ে বিবাহিত, বড় ছেলে গার্মেন্টসে চাকরি করেন। রেশমী স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। স্বভাবগতভাবে সে চঞ্চল ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি ঘরেই সময় কাটত তার। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যেত না বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার দিন ২০ টাকা হাতে দিয়ে রেশমীকে পান আনতে পাঠিয়েছিলেন তার মা। কিন্তু গুলিবর্ষণের কারণে সে আর দোকানে পৌঁছাতে পারেনি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় এলাকায় চার থেকে পাঁচ মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ চলে। আশপাশের লোকজন ভয়ে সরে গেলেও রেশমী নিজেকে আড়াল করতে পারেনি। এদিন সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাজু নামে এক যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর এলাকায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার মধ্য দিয়ে। ওই ঘটনায় নিহত নাসিরের মেয়ে লাভলী আক্তার হাসান রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। নাসির প্রবাসফেরত ও যুবদলের কর্মী ছিলেন। পরে তার সহযোগীরা কয়েকজন সন্ত্রাসীকে সঙ্গে নিয়ে রাজুকে হত্যার উদ্দেশ্যে নগরে আসে বলে জানা যায়। তাদের ছোড়া গুলিতেই আহত হয় রেশমী।

ওমানে গাড়ির ভেতর থেকে প্রবাসী ৪ ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
ওমানে গাড়ির ভেতর থেকে প্রবাসী ৪ ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ওমান প্রবাসী চার সহোদর ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে। বুধবার (১৩ মে) রাতে ওমানের মুলাদ্দাহ এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

চার ভাই হলেন— রাঙ্গুনিয়ার লালানগর ইউনিয়নের বন্দারাজার পাড়ার মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ সাহেদ, মুহাম্মদ সিরাজ ও মুহাম্মদ শহিদ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভাইদের মধ্যে দুজনের আগামীকাল শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল। তাই চার ভাই একটি গাড়ি নিয়ে একসঙ্গে কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হন। এর মধ্যেই পথে গাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির ভেতরে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছিল, এতে তাদের মৃত্যু হয়েছে। রাতের দিকে তাদের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুরো রাঙ্গুনিয়াজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ওমানের স্থানীয় পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওই পরিবারের পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চার ভাই ওমান প্রবাসী ছিলেন। তাদের মধ্যে দুই ভাই অবিবাহিত ছিলেন এবং আগামী ১৫ তারিখ (শুক্রবার) তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক তদন্তে ওমান পুলিশ ধারণা করছে, দীর্ঘক্ষণ গাড়িটি চালু অবস্থায় স্থির থাকার ফলে এর এসি থেকে কোনো বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে গাড়ির ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। সেই গ্যাস নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করার কারণেই তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মেডিকেল রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে স্থানীয় পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে বড় ভাই বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্য এক ভাইও সম্প্রতি বিয়ে করে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন। দুই ভাই একসাথে দেশে ফেরার আনন্দ নিয়ে শপিং করতে বের হলেও, ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে।

স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আমির হোসেন সুমন বলেন, তাদের দুই ভাই দেশে ফেরার কথা ছিল কিন্তু ফিরছেন লাশ হয়ে। তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।

চট্টগ্রাম সমিতি, ওমানের সভাপতি মো. ইয়াসিন চৌধুরী বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় ওই চার ভাই ওমানের বারকা এলাকায় ছিলেন। পরে সেখান থেকে মুলাদ্দাহর দিকে রওনা দেন। সেখানে একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করে রাখা গাড়িটির ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

তিনি আরও বলেন, রাত ৮টার পর ওই চার ভাইয়ের একজন বারকা এলাকায় থাকা তাদের এক স্বজনকে ভয়েস ম্যাসেজ দিয়ে জানান, তারা খুবই অসুস্থ। গাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। যেখানে অবস্থান করছেন, সেই এলাকার লোকেশনও পাঠান। এর মধ্যেই রাতে মুলাদ্দাহ এলাকায় পার্ক করে রাখা গাড়িটির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানান দুই প্রবাসী বাংলাদেশি। এরপর পুলিশ এসে দরজা খুলে চারজনের লাশ উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থ বোধ করায় চিকিৎসা নিতেই ক্লিনিকটির সামনে গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন চার ভাই। তাঁদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

লালানগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। লাশ দেশে আনার চেষ্টা চলছে।