বাজারে মূল্য হ্রাস পাচ্ছে না
আমদানীকারক ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট
দ্বিমুখী মুনাফা অর্জন করছে
সরকারকে ঠকিয়ে দ্বিমুখী মুনাফা অর্জনের টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে আমদানীকারক ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। ব্যবসায়ীরা দ্বিগুন মুনাফা আদায়ের টার্গেট নিয়ে বাজারে পণ্য সরবরাহ করছে। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তাদের কাছ থেকে।
অন্যদিকে আমদানী পণ্যের শুল্ক থেকে শুরু করে গুদামে পণ্য ডেলিভারী পর্যন্ত সকল খরচ হিসাবের পর শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ মুনাফাসহ বিক্রয়মূল্য নিধার্রন করছে। ফলে বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি হ্রাস পাচ্ছে না। জেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ও বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বিভিন্ন সময়। কারন খুচরা বিক্রেতারা ক্রয়মূল্য ও পাইকারী বিক্রেতারা আমদানীকারকদের দোহাই দিয়ে দ্রব্যমূল্য হ্রাস করতে পারছে না।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ অভিযোগ করেছেন, এ বাজারে সবাই আমদানীকারক নয়। তবে আমদানীকারকরা সরকারকে ঠকিয়ে অথার্ৎ বন্দর ইয়ার্ডে কন্টেইনার ভাড়া মওকুফ পাওয়ার পরও তা খরচের খাত থেকে বাদ দেয়নি। অতি মুনাফা হিসেবে দু’দফায় মুনাফা করলেও বিক্রেতা আর ক্রেতারা কোন সুবিধা পাচ্ছে না।
অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সময়ে আমদানীকারকরা বন্দর ভাড়া মওকুফ পেলেও বাজারে দ্রব্যমূল্য হ্রাস পাচ্ছে না। এক কথায় দ্বিমুখী মুনাফা অর্জন করছে আমদানীকারক ও ব্যবসায়ীরা। ফলে পণ্যের ক্রয়মূল্য, খরচ ও মুনাফা যোগ করে আরেক দফা খুচরা বিক্রেতা পণ্যের বিক্রয়মূল্য নিধার্রন করছে। ক্রেতারা নিজেদের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়ে উচ্চ মূল্যে পণ্য ক্রয় করছে। প্রভাব পড়ছে না বাজারে।
খাতুনগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মূলধনের কাটতি কাটাতে ব্যাংক বা অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের ঋণের প্রয়োজন হলেও তা পাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। ফলে আমদানীকৃত পণ্যের ব্যয় কমাতে সরকারের কাছে পোর্ট ইয়ার্ড রেন্ট বা কন্টেনার রেন্ট মওকুফের আবেদন জানায় চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির মাধ্যমে। বন্দর ট্রাফিক বিভাগের পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, মুলতঃ গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা আগে এই রেন্ট মওকুফের সুবিধা পেত। আমদানীকারক ও ব্যবসায়ীদের নানা সুবিধা দিতে গিয়ে বন্দর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
২৪ঘণ্টা.জেআর


আপনার মতামত লিখুন