খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সীতাকুণ্ডে সহকর্মীদের হাতে খুন হন সিএনজি চালক একরাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
৫ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সীতাকুণ্ডে সহকর্মীদের হাতে খুন হন সিএনজি চালক একরাম

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে চাঞ্চল্যকর সিএনজি চালক একরাম হোসেন হত্যা মামলার ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ শাহাদাত হোসেন এর নেতৃত্বে ২৫ জানুয়ারী (বুধবার) ৪ আসামি যথাক্রমে মোঃ জাহেদ হোসেন (২০), নূর আহাম্মদ (৪০), মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সাকিব (২০), এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন রানা (২৪) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি সিএনজি ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর রাতে সীতাকুণ্ড পৌরসদরের ফায়ার সার্ভিসের সামনে রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে দাবীকৃত ৫ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আসামীরা সিএনজি চালক একরাম হোসেন (২০) কে হত্যা করে। ঘটনার পর নিহত একরাম হোসেন ভাই নুরুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় এজাহার দায়ের করে। এরপর হত্যা মামলাটি থানা পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি ছায়া তদন্তে নামে পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার এসআই মোঃ শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্ব একটি টিম। বিশ্বস্ত গুপ্তচর নিয়োগ এবং আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ৪ আসামীকে গ্রেফতার করে গত বৃহস্পতিবার আদালতে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খান আসামী সাকিব ও রানাকে ৩ দিন এবং নুর আহাম্মদ ও জাহেদ হোসেনকে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামীগণ ঘটনার স্বীকারোক্তি জবানবন্ধী দেয়।

আসামিদের মধ্যে মোঃ জাহেদ, সাকিব, এবং মোঃ রানা (২৪) তিনজনই সিএনজি চালক আর নুর আহম্মদ সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

শনিবার সকালে ৪ আসামিকে নিয়ে পিআইবি টিম ঘটনাস্থল সীতাকুণ্ডের ফায়ার সার্ভিসের সামনে মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে সেই দিনের খুনের বর্ণনামতে মহড়া দেয়। এসময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, তদন্ত তদারককারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আইনশৃংখলা বাহিনী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলাটি অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে ছায়া তদন্ত করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ৪ আসামীকে গ্রেফতার করা। তাদের স্বীকারোক্তি মতে ঘটনাস্থলে গিয়ে খুনের মহড়া করে দেখানো হয় এবং তাদের দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।