খুঁজুন
, ,

সীতাকুণ্ডে খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাহঃ) এর ২ দিনব্যাপী ১৪ তম বার্ষিক সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 January, 2023, 3:57 pm
সীতাকুণ্ডে খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাহঃ) এর ২ দিনব্যাপী ১৪ তম বার্ষিক সম্পন্ন

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে আস্তানা এ খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাহঃ) এর ২ দিনব্যাপী ১৪ তম বার্ষিক ওরশ শরীফ সম্পন্ন হয়েছে।

২৮-২৯ জানুয়ারী উপজেলার ভাটিয়ারীর পূর্ব হাসনাবাদ আশেকানে খাজা গরীবে নেওয়াজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী খতমে বোখারী শরীফ, আজিমুশশান ঈদে মিলাদুন্নবী, ছেমা ও কাউয়ালী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আস্তানার গদিনশীন গাজী মোহাম্মদ খোরশেদ শাহ চিশতি চাটগামীর ছদরাতে ও আশেকানে খাজা গরীবে নেওয়াজ পরিষদের কেন্দ্রীয় সন্ময়কারী এস, এম ইসমাইল সিরাজী পরিচালনায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ইঞ্জিনিয়ার জহুর মুহাম্মদ রাহাতুল্লাহ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরে ত্বরিকত, মোজাহেদে মিল্লাত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা শাহসুফি মোঃ আমিনুল হক আল কাদেরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু নাসের, মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দিন আশরাফী,আলহাজ্ব মোহাম্মদ শফিউল্লাহ সাহেব, প্রধান ওয়াযেজীন শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ মোঃ ছালেকুল মাওলা, বিশেষ ওয়ায়েজিন হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন বিন নিজাম, হাফেজ মাওলানা মোঃ রহিমুল ইসলাম আল কাদেরী, হযরতহাজ্ব মাওলানা ক্বারী মোঃ হারুনুর রশিদ আল কাদেরী, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন কাদের, হযরত মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম আল কাদেরীসহ দেশবরেণ্য পীর-মাশায়েখ, আলেমেদ্বীন, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 13 August, 2026, 1:26 pm
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

বিএনপি থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আজই (বৃহস্পতিবার) নির্বাচন কমিশনে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হবে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। মির্জা ফখরুলই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, এটা প্রায় পরিষ্কারই। আর তিনি রাষ্ট্রপতি হলে দল ও সরকারের তিনটি পদ ফাঁকা হয়ে যাবে।

অপরদিকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

প্রসঙ্গত, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে।

বিএনপি দুটি এবং ১১ দলীয় জোট একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। পূরণ করা মনোনয়নপত্র বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে নির্বাচন ভবনে নির্বাচনী কর্তার দপ্তরে জমা দিতে হবে।

গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। এরপর ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

দরবারে হাশেমীয়ায় ঐতিহাসিক ১২ দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী শীর্ষক সেমিনার শুরু আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 12 August, 2026, 11:16 pm
দরবারে হাশেমীয়ায় ঐতিহাসিক ১২ দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী শীর্ষক সেমিনার শুরু আজ

নগরীর জালালাবাদস্থ দরবারে হাশেমীয়া আলীয়া শরীফে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার,ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাযী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমী (রহ.) কর্তৃক প্রবর্তিত বিশ্ব মানবতার মুক্তির অনন্য দিশারী, শফিউল মুজনেবিন, রহমাতুল্লিল আলামিন, রাসূলে পাক (দ.)’র এই দুনিয়ায় শুভাগমন উপলক্ষে ৫০তম ঐতিহাসিক পবিত্র ১২দিন ব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) শীর্ষক সেমিনার – ২০২৬ইং আন্জুমানে মুহিব্বানে রাসূল (দ.) গাউছিয়া জিলানী কমিটি ও গাউছিয়া হাশেমী কমিটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় আজ ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টা হতে দরবার সংলগ্ন ঈদে মিলাদুন্নবী ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

দরবারে সাজ্জাদনশীন পীরে তরীকত হাফেজ মাওলানা কাযী মুহাম্মদ মহিউদ্দিন হাশেমীর সভাপতিত্বে আজকের প্রথম দিবসে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম গহিরা এফ.কে জামেউল উলুম মাদ্রাসার সাবেক মুহাদ্দিস,মুফতিয়ে আহলে সুন্নাত মুফতি আল্লামা ইব্রাহীম আল কাদেরী (মুঃজিঃআ), হাটহাজারী ছিপাতলী আলীয়া মাদ্রাসার প্রধান মুফাচ্ছির আল্লামা গাজী শফিউল আলম নেজামী (মুঃজিঃআ), রাউজান দারুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা কাযী মুহাম্মদ ইউনুছ রেজভী(মুঃজিঃআ), জালালাবাদস্থ ফয়যানে হাশেমী ইসলামী সেন্টারের উপাধ্যক্ষ মাওলানা কাযী ওমর ফারুক আলকাদেরী, গাউছিয়া হাশেমী কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাওলানা মনির আহমদ আনোয়ারী, ফটিকছড়ি দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার সহসুপার মাওলানা জাফর উদ্দীন কামালী। এছাড়াও দেশবরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় সাংসদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

১২দিন ব্যাপী এই শীর্ষক সেমিনারের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পবিত্র খতমে কোরআন, খতমে বোখারী শরীফসহ ফজিলতপূর্ণ বিভিন্ন খতমাদি ও কসিদা,নাতে রাসূল, মানকাবাত, শাজরা শরীফ পাঠ এবং রাসূলে পাক (দ.)’র ৬৩ বছরের জিন্দেগীর উপর নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্যনির্ভর আলোচনা।

উক্ত সেমিনারে দলে দলে যোগদান করে রাসূলে পাক (দ.)’র নীতি আর্দশ ধারণ করার ও নিজেদের উভয় জাহানের কামিয়াবী হাসিল করার জন্য সমগ্র সুন্নী মুসলমানের প্রতি দরবারের সাজ্জাদানশীন ও সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি কাযী মুহাম্মদ আবুল ফোরকান হাশেমী আহ্বান জানান।

কেউ চান মাথা গোঁজার ঠাঁই, কেউ চিকিৎসার টাকা—গণশুনানিতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 12 August, 2026, 6:15 pm
কেউ চান মাথা গোঁজার ঠাঁই, কেউ চিকিৎসার টাকা—গণশুনানিতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ

তিন মেয়েকে নিয়ে মাথা গোঁজার স্থায়ী ঠাঁই নেই বিধবা সারাবান তাহুরার। সন্তানের হার্নিয়া অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন রাজীব দাশ। বাবা-মাকে হারানো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মিজান মিয়ার উচ্চশিক্ষা থমকে যাওয়ার শঙ্কা অর্থাভাবে। আবার কেউ প্যারালাইসিস, হৃদ্‌রোগ কিংবা দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পারছেন না।

ভিন্ন ভিন্ন সংকট নিয়ে বুধবার (১২ আগস্ট) তাঁরা হাজির হয়েছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে। সঙ্গে ছিল নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে লেখা আবেদনপত্র।

তবে শুধু আবেদন গ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকেননি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একে একে আবেদনকারীদের কথা শোনেন তিনি। জানতে চান তাঁদের পরিবার, আয়-রোজগার, চিকিৎসা, পড়াশোনা ও বসবাসের বর্তমান অবস্থা। পরে প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁদের তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

গণশুনানিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে রয়েছেন বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের সারাবান তাহুরা। প্রায় দুই বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিন মেয়েকে নিয়ে তাঁর জীবন বদলে যায়। তাঁর মেয়েদের বয়স ১০, ৮ ও ৪ বছর। স্বামী পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন। সেখানে নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় তিন মেয়েকে নিয়ে দেশে ফেরেন সারাবান।

দেশে ফিরে প্রথমে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় প্রায় এক বছর আশ্রয় পান। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পূর্ব চাম্বল আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে সাময়িকভাবে থাকার সুযোগ হয়। কিন্তু ঘরটি অন্য একজনের নামে বরাদ্দ থাকায় সেটিও ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

নিজের কোনো জমি বা বসতভিটা নেই সারাবানের। সেলাইয়ের কাজ করে তিন মেয়ের ভরণপোষণ চালান। সন্তানদের নিয়ে আবারও আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার শঙ্কায় নিজ এলাকা বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি খাস জমিতে একটি ঘর নির্মাণ বা পুনর্বাসনের আবেদন নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে যান তিনি।

গণশুনানিতে সন্তানের চিকিৎসার আবেদন নিয়ে এসেছিলেন চন্দনাইশের রাজীব দাশ। তাঁর শিশুসন্তান জন্মগত হার্নিয়ায় আক্রান্ত। অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। সন্তানের চিকিৎসা যেন অর্থের অভাবে আটকে না থাকে, সে জন্য জেলা প্রশাসকের সহায়তা চান তিনি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মিজান মিয়ার লড়াইটা আবার ভিন্ন। তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। বাবা-মা দুজনই মারা গেছেন। পরিবারে তাঁর পড়াশোনার ব্যয় বহনের মতো উপার্জনক্ষম কেউ নেই।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে পাঠ্যবই অডিও আকারে রেকর্ড করে পড়তে হয় মিজানকে। পরীক্ষায় প্রয়োজন হয় শ্রুতিলেখকের। এসব কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীর তুলনায় তাঁর পড়াশোনার খরচও বেশি। আর্থিক সংকটে উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় এককালীন অনুদানের আবেদন করেন তিনি।

চিকিৎসার অর্থ চেয়ে গণশুনানিতে এসেছিলেন পটিয়ার রাজমিস্ত্রি আজিজুল হকও। প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না তিনি। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও তিন ছেলের সংসারের পাশাপাশি চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

ফটিকছড়ির হাফেজ মো. আবু তাহের ২০২২ সালে স্ট্রোক করার পর দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি; কথা বলতেও পারেন না। নিজের জায়গা-জমি নেই, উন্নত চিকিৎসা করানোর সামর্থ্যও নেই। সেই অসহায়ত্বের কথা জানাতেই জেলা প্রশাসকের কাছে এসেছিলেন তিনি।

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত পিয়া আকতারের নিজের চিকিৎসার পাশাপাশি রয়েছে অসুস্থ স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণের চিন্তা। দুর্ঘটনায় ডান পা পুড়ে যাওয়া উম্মে সানিয়া পুষ্প তিন মাস ধরে অসুস্থ। ছেলে সন্তানকে নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে তাঁর। আর্থিক সংকটে থাকা লুবনা আকতার ও হাজেরাও সহায়তার আশায় আবেদন নিয়ে গণশুনানিতে উপস্থিত হন।

প্রত্যেকের কথা আলাদাভাবে শোনেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। শুধু আবেদনপত্রে লেখা তথ্য নয়, তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কেও সরাসরি জানতে চান তিনি। কারও চিকিৎসা, কারও পড়াশোনা, আবার কারও পরিবার চালানোর সংকট বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেন।

জেলা প্রশাসনের সাপ্তাহিক এই গণশুনানিতে তাই বুধবারের দৃশ্য ছিল ভিন্ন ভিন্ন জীবনসংগ্রামের। কারও চাওয়া একটি নিরাপদ ঘর, কারও সন্তানের চিকিৎসা, কারও আবার উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ।

সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নয়। তবে অসহায় মানুষগুলোকে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেওয়া, তাঁদের সংকটের কথা শোনা এবং জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সাপ্তাহিক গণশুনানি হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের সরাসরি যোগাযোগের একটি জায়গা।