খুঁজুন
, ,

ইবিএল কর্মকর্তার ২৬ বছর কারাদণ্ড, কোটি টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 January, 2023, 9:19 pm
ইবিএল কর্মকর্তার ২৬ বছর কারাদণ্ড, কোটি টাকা জরিমানা

তিন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে ৫০ লাখ টাকা আরেক গ্রাহকের হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাতের দায়ে ইস্টার্ন ব্যাংকের(ইবিএল) এক কর্মকর্তাকে ২৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। যার ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল তাকেও ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আব্দুল মজিদ এ রায় দেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলি মাহমুদুল হক মাহমুদ জানিয়েছেন।

দণ্ডিতরা হলেন ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) সাবেক কর্মকর্তা ইফতেখারুল কবির ও একই ব্যাংকের হিসাবধারী গ্রাহক মাহমুদুল হাসান। কারাগারে থাকা দুই আসামিকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির করা হয়েছিল। পরে তাদের সাজামূলে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

দণ্ডিত ইফতেখারুল কবির চট্টগ্রাম নগরীতে ইবিএল’র ও আর নিজাম রোড শাখায় প্রায়োরিটি ব্যাংকিং ব্যবস্থাপক ছিলেন। গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর ২০১৯ সালে তাকে বরখাস্ত করা হয়। মাহমুদুল হাসান নগরীর খুলশী এলাকার নিশাত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

দুদক পিপি মাহমুদুল হক সারাবাংলাকে জানিয়েছেন, আসামি ইফতেখারুল কবিরকে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ২৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এক কোটি চার লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অপর আসামি মাহমুদুল হাসানকে বিভিন্ন ধারায় মোট ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ইফতেখারুল কবিরকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৮ বছর ও মাহমুদুলকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮, ৪৭৭ (ক) ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় ইফতেখারুল কবিরকে দুই বছর করে এবং মাহমুদুলকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে আদালত দণ্ডবিধির ৪৬৭ ও ৪৭১ ধারায় ইফতেখারুল কবিরকে ৫ বছর করে এবং মাহমুদুলকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

বিভিন্ন ধারায় দেওয়া সাজা একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় ইফতেখারুল কবিরকে সর্বোচ্চ ১৩ বছর এবং মাহমুদুল হাসানকে ৫ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পিপি মাহমুদুল হক।

দুদকের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বিত কার্যালয়-২ এর সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর ইফতেখারুল ও মাহমুদুলকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা গেছে, ইবিএল’র হিসাবধারী গ্রাহক অন্যনা বড়ুয়া, রুপম কিশোর বড়ুয়া ও সুপ্রভা বড়ুয়ার যৌথ হিসাবে জমা থাকা ৫০ লাখ টাকা ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ এফডি (স্থায়ী আমানত) করার জন্য আবেদন করেন রুপম। ইফতেখারুল কবির ৫০ লাখ টাকার জাল এফডিআর রশিদ বানিয়ে রুপমের হাতে দেন। এরপর কৌশলে তিনজনের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫০ লাখ টাকা একই ব্যাংকের একই শাখায় মাহমুদুলের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেন।

ইফতেখারুল কবির ও তার ঘনিষ্ঠ মাহমুদুল হাসান পরস্পরের যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহক রুপম কিশোরের অজ্ঞাতে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেন। ২০২১ সালের ২৫ মার্চ সিআইডির হস্তরেখা বিশারদ তহবিল স্থানান্তর ফরমে গ্রাহক রূপমের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকে নুরুল ইসলাম দু’জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দুদক পিপি মাহমুদুল হক জানান, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মোট ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত এ রায় দিয়েছেন।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।