খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে জমিতে শোভা পাচ্ছে হলুদ রঙের দৃশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
রাউজানে জমিতে শোভা পাচ্ছে হলুদ রঙের দৃশ

রাউজানে বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে শোভা পাচ্ছে

বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। সোনালি রোদ্দুরে হালকা মৃদু হাওয়ায় দোল খাচ্ছে হলদে বর্ণের রাশি রাশি ফুল। সরিষা ক্ষেতের নয়নজুড়ানো এ দৃশ্যই এখন চোখে পড়ছে চট্টগ্রামের রাউজানের প্রতিটি এলাকায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর রাউজানের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন হলুদ বর্ণে সয়লাভ। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে বিরাজ করছে চওড়া হাসি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় উৎপাদন খরচ কম হওয়ার পাশাপাশি বাজারে সরিষা তেলের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দিন দিন সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলার চিকদাইর, ডাবুয়া, নোয়াজিশপুর, বিনাজুরী, রাউজান, কদলপুর, পশ্চিম গুজরাসহ প্রতিটি ইউনিয়ন ও রাউজান পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কৃষি জমিতে বেশ কয়েকটি জাতের সরিষা চাষাবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর রাউজানের ১’শ ৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষাবাদ হলেও চলতি বছর উপজেলায় ৩’শ ৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় তিনগুণ বেশি। কৃষি বিভাগের মতে,

উপজেলায় এবার ১৫ হাজার ২০০ মেট্রিকটন সরিষা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যা থেকে ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিকটন সরিষা তেল উৎপাদন করা যাবে। উৎপাদিত তেলে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাইরে বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হবে কৃষকরা ।

উপজেলা কৃষি কর্মকতা ইমরান হোসাইন জানান, প্রতি হেক্টর জমিতে আড়াই টন বা ২ হাজার ৫’শ কেজি সরিষা পাওয়া যায়। এক হেক্টর সরিষার আবাদ থেকে প্রায় এক টনের বেশি বা ১ হাজার লিটারের বেশি তেল উৎপন্ন হয়। প্রতি হেক্টর সরিষা চাষে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে এক হেক্টর সরিষার ক্ষেত থেকে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকার উপার্জন সম্ভব। পাশাপাশি গো খাদ্য কিংবা মাছের খাদ্য হিসেবে খৈলের চাহিদা থাকায় খৈল বিক্রি থেকেও বাড়তি উপার্জনের একটা সুযোগ আছে। বাজারে প্রতি কেজি খৈল ৪৫ টাকার বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সরিষার খড় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, রাউজানের সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনা মোতাবেক রাউজানে এক ইঞ্চি জমিও যাতে পতিত না থাকে সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরিষার আবাদ তারই একটি প্রচেষ্টা।
কৃষক মো. হানিফ মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে ছয় খানি জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। প্রতি খানিতে তার চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হলেও ফলন ভালো হওয়ায় এই মৌসুমে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা মুনাফার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

কৃষক মো. রফিক জানান, চিকদাইর ইউনিয়নে নিজ সহোদরকে নিয়ে ১০/১২ কানি জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার পাশাপাশি কৃষি বিভাগের পরামর্শে যথাযথ পরিচর্যার কারণে এ বছর সরিষার প্রত্যাশিত ফলন হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় অধিক মুনাফার স্বপ্ন দেখছেন তারা।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাদী মোহাম্মদ এমরান জানান, সরিষার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সরিষা চাষীদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করেছি। এবার সরিষার ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

জামায়াতপন্থি ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন—ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করায় এর প্রতিবাদে আমরা একযোগে পদত্যাগ করেছি।

সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের জেরে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পারস্য উপসাগর এলাকায় আটকে থাকার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা।

সোমবার (২২ জুন) রাত ৩টার দিকে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রুকে নিয়ে জাহাজটি নিরাপদে প্রণালি পাড়ি দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে জাহাজটি জ্বালানি গ্রহণ (বাংকারিং) ও অন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, গত ২ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি হরমুজ প্রণালি হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। কাতার থেকে স্টিল কয়েল পরিবহন শেষে এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। এ সময় অঞ্চলজুড়ে সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

পরে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে ৩৭ হাজার টন সার বোঝাই করলেও প্রণালি বন্ধ থাকায় জাহাজটি সেখানে আটকা পড়ে। যুদ্ধবিরতির পর গত ৮ এপ্রিল পুনরায় যাত্রা শুরু করলেও দুই দিন পর ইরানি কোস্ট গার্ডের বাধার মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এরপর ওমানের মিনা সাকার বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করে জাহাজটি।

সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমে আসা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে জাহাজটি অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছে।

বিএসসি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে নির্মিত ৩৮ হাজার ৮৯৪ ডেডওয়েট টন ধারণক্ষমতার এই বাল্ক ক্যারিয়ারের সব নাবিক ও ক্রু বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছেন।

জর্ডানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইল আলজেরিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
জর্ডানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইল আলজেরিয়া

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দারুণ প্রত্যাবর্তন করে জর্ডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আলজেরিয়া। সোমবার (২৩ জুন) সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে নকআউট পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল উত্তর আফ্রিকার দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি আলজেরিয়া। উল্টো ৩৬ মিনিটে মুসা আল-তামারির অ্যাসিস্ট থেকে নিযার আল-রাশদান গোল করে জর্ডানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক পরিবর্তন আনেন আলজেরিয়া কোচ। তার ফলও আসে দ্রুত। ৬৮ মিনিটে অধিনায়ক রিয়াদ মাহরেজের কর্নার থেকে নাধির বেনবুয়ালি হেডে সমতা ফেরান।

গোল শোধ করার পর আরও আক্রমণ বাড়ায় আলজেরিয়া। শেষ পর্যন্ত ৮২ মিনিটে কর্নার থেকে সৃষ্ট জটলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন আমিন গুইরি। তার গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আলজেরিয়া।

শেষ মুহূর্তে জর্ডান সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও আলজেরিয়ার রক্ষণভাগে আটকে যায় তাদের আক্রমণ। ফলে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াদ মাহরেজদের দল।

এই জয়ে দুই ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে নিজেদের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখল আলজেরিয়া। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে নকআউট স্বপ্ন আরও কঠিন হয়ে গেল জর্ডানের।