খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে ৫ মাসেও উচ্ছেদ হয়নি রেল লাইনের পাড়ের অবৈধ স্থাপনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে ৫ মাসেও উচ্ছেদ হয়নি রেল লাইনের পাড়ের অবৈধ স্থাপনা

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেললাইনের দুই পাশ হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আবেদন করার প্রায় পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখনো এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উপরন্তু রেললাইনের দুই পাশে গড়ে উঠেছে শীতবস্ত্রের দোকান। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ট্রেন। এতে বেড়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের সৈয়দপুরের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোঃ সুলতার মৃধা জানান, সুষ্ঠুভাবে ট্রেন চলাচলের লক্ষ্যে সৈয়দপুর কিলোমিটার ৩৯৩/০ হতে ৩৯৫/৬ পর্যন্ত রেললাইনের দুই পাশে অবৈধ দোকানপাট ও বসতবাড়ি উচ্ছেদ করতে গত ৩০ জুন ডিইএন/২/পাকশী বরাবরে আবেদন করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে এসব দোকানপাট ও বসতবাড়ির মালিকরা রেললাইনের ওপর ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। সঠিকভাবে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠুভাবে ট্রেন চলাচলে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সৈয়দপুর উপজেলা সভাপতি রুহুল আলম মাস্টার বলেন, সৈয়দপুরে রেললাইনের পাশে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করার প্রচলন দীর্ঘদিনের। কারণ বাইরে একটি দোকান ভাড়া নিতে গেলে ১০ থেকে ২৫ লাখ অগ্রিম দেওয়াসহ প্রতি মাসে ভাড়া বাবদ ২০-৩০ হাজার টাকা ব্যায়। আর রেললাইনের পাশে দোকান করলে অগ্রিম দিতে হচ্ছে না। শুধু প্রতিদিন বখরার টাকা দিলেই নিশ্চিন্তে ব্যবসা করা যাচ্ছে। তবে শীত মৌসুম এলেই দোকানির সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কারণ সৈয়দপুরই হচ্ছে বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের একমাত্র শীতবস্ত্রের মোকাম। এখান থেকেই শীতবস্ত্র যায় এ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায়। ফলে বখরা দিয়ে দোকান বসাতে ব্যস্ত থাকেন ব্যবসায়ীরা। আর এদের সহায়তা করেন রেলওয়ে কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ ব্যবসায়ী নেতারা। সে সাথে কিছু সংগঠন এদেরকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমান টাকা।

রেললাইনের দুই পাশে দোকান বসানো খুবই ঝুঁকিপুর্ণ বলে মন্তব্য করে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার মোঃ শওকত আলী বলেন, রেলওয়ের আইন অনুযায়ী রেলপথের দুই পাশে ২০ ফুট করে এলাকা সংরক্ষিত। এ ছাড়া রেলপথে সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। দোকান বসানো তো দূরের কথা, রেলপথে মানুষসহ সকল প্রকার জীবজন্তু চলাচল করাও একেবারেই নিষিদ্ধ। এদিকে রেললাইনের পাশে দোকান বসায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে।

একমাস পূর্বে রেললাইনের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদের নামে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু সকালে অভিযান শেষে বিকালে আবার সেসব দোকান নতুন করে বসেছে। এছাড়া রেল লাইনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নিয়মিত একটি বাঁশের হাট বসলেও তা এ অভিযানের সময় বহাল তবিয়তেই রয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে যে, রেলওয়ে পুলিশ, ষ্টেশন মাস্টার ও রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই এসব অবৈধ দোকান দেদারছে চলছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…