খুঁজুন
, ,

মিরসরাইয়ের প্রাথমিক শিক্ষিকা ইনতাস মেরিন, উদাসীন বক্তব্য প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার

অসুস্থতার চিকিৎসা নিচ্ছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে

বদলির চারমাসে একদিনও ক্লাস নেননি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) মেডিসিন বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী,

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 15 February, 2023, 6:31 pm
অসুস্থতার চিকিৎসা নিচ্ছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, সেই মেরুদণ্ডের ডাল হলো শিক্ষক। আর এই মেরুদণ্ডের ডাল যদি শিক্ষাদানে নয়ছয় করে তাহলে শিক্ষার্থীদের উপায় কি? সাম্প্রতি এমন অভিযোগ ওঠেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের নিচিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইনতাস মেরিন তানিসের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, গত ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর বদলি হয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হন নিচিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়োগের প্রায় চারমাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ক্লাস নিতে একদিনও স্কুলে আসেননি ইনতাস মেরিন তানিস। এ নিয়ে সঠিক কোন সদুত্তর না দিয়ে তদন্তের জন্য লোক পাঠিয়েছি বলে দায়সারা বক্তব্য দিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একে ফজলুল হক।

তিনি বলেন, ডাক্তারের সার্টিফিকেট নিয়ে আসায় ছুটি দিয়েছি। তবে সিভাসুতে ক্লাস করার বিষয়টি জানিনা। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কে তার বিষয়ে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি, তিনি তদন্ত জমা দিলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিব।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এরআগে শিক্ষিকা ইনতাস মেরিন ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পান মোল্লা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। কিন্তু সেখানেও এভাবে দীর্ঘ দুই বছরে কোন ক্লাস না করারও অভিযোগ উঠেছে। মিথ্যা অসুস্থতার ডাক্তারি সার্টিফিকেট দেখিয়ে নিজে ডাক্তারি শিখতে ক্লাস করেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু)। এভাবে কোমলমতি শিশুদের পাঠদানে প্রতিনিয়ত ধোঁকাবাজি করে আসছেন শিক্ষিকা ইনতাস মেরিন তানিস।

এ বিষয়ে নিচিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুন্নবী জানান, গত ১৭ নভেম্বর মোল্লা পাড়া স্কুল থেকে বদলি হয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হন নিচিন্তায়। এরপর কখনো ক্লাস করতে আসেননি ইনতাস মেরিন তানিস। অসুস্থতার জন্য নাকি শিক্ষা অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন। তার অনুপস্থিতিতে জনবল সংকটে ক্লাস পরিচালনা করতে নানান সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন অফিসারদের জানিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বশির আহমদ সরকার জানান, আসলে আমিতো এর আগে ছিলাম না নতুন এসেছি। মহিলাদেরতো অনেক সমস্যা থাকে তাই ছুটি দিয়েছি। সামনে থেকে আর ছুটি দিব না।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ইনতাস মেরিন তানিসের মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ করে প্রথমে কথা বললেও স্কুলের কথা জিজ্ঞেস করতে কল কেটে দিয়ে আর রিসিভ করেননি।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 1:13 pm
তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইং। বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়ে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:32 am
ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আঘাত হেনেছে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প। এই জোড়া ভূকম্পনের ফলে রাজধানী শহরের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে এবং আতঙ্কে হাজার হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নেমে এসেছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস জানিয়েছে যে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পটির ঠিক ৩৯ সেকেন্ড পরেই ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি তীব্র ভূকম্পন আঘাত হানে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী বা ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে এই প্রলয়ঙ্করী দুর্যোগে ভেনিজুয়েলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই দুর্যোগে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ এবং মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিধস এবং সমতলে মাটির তারল্য বা লিকুইফেকশন হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। ঘটনার পরপরই ভেনিজুয়েলা উপকূল এবং নিকটবর্তী আরুবা ও বোনাইর দ্বীপপুঞ্জের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভিটিভি-তে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসের বেশ কিছু বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে শহরের অসংখ্য বাড়িঘরে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে এবং কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে কারাকাস ছাড়াও দেশের ত্রুহিলিও, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগূয়া, মিরান্দা এবং লা গুয়াইরা রাজ্য এই ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কারাকাসের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস পালোস গ্রান্দেস এবং আলতামিরা নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। উল্লেখ্য যে ১৯৬৭ সালে ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে আঘাত হানা সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পেও এই দুটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হয়েছিল এবং সে সময় প্রায় ২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র একজন সাংবাদিকের পাঠানো ছবিতে কারাকাস শহরের একটি ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখা গেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে শত শত কিলোমিটার দূরে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং সতর্কতাস্বরূপ সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় সময় গত বুধবার বিকেল ৬টা ৪ মিনিটে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি ইয়ারাকুই রাজ্যে উৎপন্ন হয় যার গভীরতা ছিল মাটির নিচে ২১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আঘাত হানা ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ইউমারে শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূগর্ভের মাত্র ১০ কিলোমিটার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিবিসি সাংবাদিক নিকোল কোলস্টার জানান যে এটি তার জীবনের অনুভূত সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন ছিল এবং সাত তলার ফ্ল্যাটে থাকার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে তার মনে হয়েছিল পুরো ভবনটি বুঝি তার গায়ের ওপর ভেঙে পড়বে।

ভূমিকম্পের এই ঘটনাটি ভেনিজুয়েলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির দিনে ঘটেছে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা সিমন বলিভার কর্তৃক স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ১৮২১ সালের কারাবোবো যুদ্ধের বিজয়ের স্মরণে গতকাল দেশটিতে সাধারণ ছুটি ছিল। ফলে অন্য যেকোনো কর্মদিবসের তুলনায় সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ সপরিবারে নিজেদের ঘরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এই চরম সংকটের মুহূর্তে ভেনিজুয়েলার নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন যে এই চরম উদ্বেগের সময়ে তার অন্তর এবং প্রার্থনা ভেনিজুয়েলার প্রতিটি ব্যথিত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।

 

গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:02 am
গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

চেক রিপাবলিককে উড়িয়ে দিলো মেক্সিকো। বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশটি গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিন গোলের সবগুলো দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে তারা। মেক্সিকো সিটিতে ৩-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা।

মাতেও শাভেজ, জুলিয়ান কুইনোনেস ও আলভারো ফিদালগোর গোলে মেক্সিকো তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়েছে। তাতে এ গ্রুপ থেকে বিদায় নিতে হলো চেকদের।

চেকদের হয়ে একটি প্রচেষ্টা গোলবারের পাশ দিয়ে মারেন ডেনিস ভিসিনস্কি। তবে মেক্সিকো সিটিতে প্রথমার্ধে এমন সুযোগ খুব কমই এসেছে। আগেই গ্রুপের এক নম্বর জায়গা নিশ্চিত করা মেক্সিকো বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রথম শট নিতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩৬ মিনিট। বক্সের প্রান্ত থেকে ইসরায়েল রেয়েসের ওভারহেড কিক গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।

ডেভিড দোদেরা ও কুইনোনেস দূর পাল্লার শট বারের ওপর দিয়ে যায়। হোর্হে সানচেজের শটে প্রথম সেভ করেন চেক গোলকিপার মাতেজ কোভার।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। এক ঘণ্টার আগেই ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা। দল ভালো অবস্থানে থাকার পর মেক্সিকো ৪০ বছর বয়সী কিপার গুইলেরমো ওচোয়াকে চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন। স্টপেজ টাইমে মেক্সিকো আরেকটি গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের। এ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা আগামী ১ জুলাই শেষ ৩২ এর ম্যাচ খেলবে তৃতীয় সেরা একটি দলের সঙ্গে।