মিটার লকে হচ্ছে মানসিক অশান্তি
বিদ্যুতের ট্যারিফে গ্রাহক ভোগান্তি
লেনদেনে আনলক হচ্ছে মিনিটেই
বিদ্যুতের ট্যারিফে গ্রাহক ভোগান্তি
সম্প্রতি দু’দফায় বিদুতের বিল বেড়েছে। এতে প্রিপেইড মিটারে গ্রাহক ভোগান্তী বেড়ে অসহনীয় পযার্য়ে। এখন ৪ ডিজিটের প্রায় দু থেকে আড়াইশ নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে বেকায়দায় গ্রাহক। গত বছরের অক্টোবর থেকে দীর্ঘ সময় এ ধরনের জটিলতার অবসান ঘটাতে পারেনি পিডিবি। মিটার লকে বেড়েছে মানসিক অশান্তি। বিদ্যুতের কোন কোন বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের লোকজন মিটার লকের বিপরীতে ফায়দা লুটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে মিনিটেই কিছু এলাকায় লক মিটারকে আনলক করে গ্রাহককে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে। অবৈধ এ লেনদেন এড়াতে অনেকেই আবার বিদ্যুতের লোক এনেই প্রিপেইড মিটারে বিলের ডিজিট ঢুকাচ্ছে।
স্যোসাল মিডিয়ায় এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বিদ্যুতের এ ধরনের ভোন্তীর চিত্র এখন ফেসবুকে আপলোড করায় ব্যাপক লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার হচ্ছে। মূলত প্রায় প্রত্যেক গ্রাহকই এখন এমন ভোগান্তির শিকার। নিজের টাকায় বিদ্যুৎ কিনে নিজেই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দুই বার চেষ্টা করার পর গ্রাহককে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। কারণ তৃতীয় বার মিটারে ডিজিট প্রবেশে যদি কোন ধরনের ভূল হলেই মিটার লকের আতঙ্ক কাজ করছে গ্রাহকের মনে। এদিকে অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, আমার টাকায় মিটার কিনে আবার আমার বাসায় স্থাপন হচ্ছে কিন্তু পিডিবিকে কেন ভাড়া দিতে হবে। এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছে না পিডিবির প্রকৌশলীরা।
এ ব্যাপারে পিডিবি’র খুলশী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ রেওয়াজ সময়ের কাগজের প্রতিনিধিকে বলেন, বিদ্যুত বিলের পরিবর্তন হওয়ায় অনেক ডিজিট মিটারে প্রবেশ করাতে হচ্ছে। শুধু তাই নয় সফ্টওয়্যারের পরিবর্তন করতে হচ্ছে। আবার তা এডজাস্ট হতে সময়ও লাগছে। দুইবার বিল বাড়ার কারণে পর পর দুইবার এ ধরনের বেশি ডিজিট আসছে। তবে এ কারণে মিটার লক হলে কোন জরিমানার সিস্টেম নেই। পিডিবিকি জানালে তা আনলক করা যায় সহজেই।
পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দু’দফায় বিল বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুত বিল বাড়লেই এমন লম্বা ডিজিটের তালিকা আসছে। ট্যারিফ পরিবর্তন হলেই সফ্টওয়্যার পরিবর্তন করতে হয়। এতেই যত ঝক্কি ঝামেলা হচ্ছে পিডিবি’র। খুব ঠান্ডা মাথায় ডিজিটগুলো প্রবেশ করাতে না পারলে ডিজিটগুলো ‘ইউজড’ দেখাচ্ছে। একে একে তিনবার নাম্বার প্রবেশে ভূল হলে মিটার লকের ঘটনা ঘটছে। তবে এ ধরনের লক সফ্টওয়্যার থেকে আপনা আপনি খুলেও যাচ্ছে না। কিন্তু ডিজিটের সুনির্দিষ্ট নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বার দিয়ে মিটারে টাকার পরিমাণ বাড়াতে চেষ্টা করা হলেও মিটার লক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে জরিমানা গুনতে হয় গ্রাহককে।
২৪ঘণ্টা.জেআর


আপনার মতামত লিখুন