সাঙ্গু নদীর তীরে অতিথি পাখির ঝাঁক
সাঙ্গু নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছে অতিথি
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সাঙ্গু নদীর তীরে জড়ো হয়েছে অতিথি পাখির ঝাঁক। পাখি প্রকৃতির সৌন্দর্য্য আনন্দের সঙ্গী-এদের বাঁচতে দিন’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অতিথি পাখির ঝাঁক দেখতে প্রতিদিন জড়ো হচ্ছে এলাকার জনসাধারণ।
আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি(বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যাই, নদীর কূল ঘেঁষে ঝাঁকে ঝাঁকে জড়ো হয়ে আছে অতিথি পাখি। এতে নদীর তীরে বেড়ে গেছে সৌন্দর্যের সমাহার। হালকা মৃদু বাতাসে রৌদ্রময় চরে বেড়াচ্ছে এসব পাখি। তাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত গ্রামবাসী।
শীতপ্রধান দেশ থেকে হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে সবুজ পাহাড়ের হাতছানিতে প্রকৃতির ডাকে ছুটে আসে অতিথি পাখি। হ্রদের জলেভাসা চরগুলোতে শত শত অতিথি পাখির কলতানে মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠছে প্রকৃতি।
বিশেষ করে শীত মৌসুমের শুরুতেই পর্যটন শহর গুলোর বিভিন্ন উপজেলাসহ ডিসি বাংলো, সুভলং, লংগদু, কাট্টলী, মাইনিমুখ, সাজেক, সাঙ্গু নদীর পাড়, ধোপাছড়ি, বাঘাইছড়ি, হরিণা, বিলাইছড়ি, বরকলসহ পাহাড়ের বিভিন্ন বিলে ঝাঁকে ঝাঁকে আসতে থাকে অতিথি পাখির দল। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এসব পাখির কলরবে কানায় কানায় ভরে যায় নদীর তীর ও জলেভাসা চরগুলো। প্রত্যন্ত পাহাড়ি আর সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী এলাকায় সাধারণত অতিথি পাখি বেশি দেখা যায়। প্রতি বছরের মতো এ বছরও শীতের শুরুতেই পাহাড়ি অঞ্চলে অতিথি পাখি এসেছে চোখে পড়ার মতো।
নদীর তীরে আসা একজন কৃষক জানান, কিছু ধরে কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত সবাই, তাদের কিচিরমিচির শব্দে জমিতে কাজ করে বেশ ভালো লাগছে, যেন পাখির গান গাইতেছে। সাঙ্গুর তীরে নাচে গানে সেজেগুজে আছে তারা।
সাঙ্গু নদীর এক মাঝি বলেন, ডিঙি নিয়ে সাঙ্গুর নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরে গরমকালে যখন চাষবাস করতে গিয়ে অনেকেই দেখা পেতেন চড়ুই, বাবুই, ঘুঘু, ডাহুকের। স্বচ্ছ জলে জাল ফেললে উঠত অজস্র মাছ।
২৪ঘণ্টা.জেআর


আপনার মতামত লিখুন