খুঁজুন
, ,

আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন, তাই ওদের কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই: আমির খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 March, 2023, 8:16 pm
আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন, তাই ওদের কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই: আমির খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন-আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই এখন তারা কাউন্টার প্রোগ্রাম দিচ্ছে, কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া তাদের বিকল্প নেই।

তিনি আজ বিকেলে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডাবলমুরিং থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আগ্রাবাদ ১ মোড়ে অনুষ্ঠিত পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

খসরু আরো বলেন, দেশে আজ নিরব দুর্ভিক্ষ চলছে। মানুষ দুইবেলা খেতে পারছে না। মুরগি এখন চারভাগে ভাগ করে বিক্রি করা হচ্ছে, গরুর মাংস গ্রাম হিসাব করে বিক্রি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ অর্থনীতির লুটেরা যারা সম্পদ লুটপাট করেছে তারা বাদে দেশের প্রায় মানুষ কষ্টে আছে। আওয়ামী লীগ প্রায় সংবিধানের কথা বলে আমি তাদেরকে একটা কথা বলতে চাই সংবিধান কি গুম খুন করতে বলেছে, অর্থনীতি ধ্বংস করতে বলেছে, লুটপাট করতে বলেছে মানুষের মানবাধিকার ,ভোটাধিকার হরণ করতে বলেছে। সবকিছুতে তারা সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মালিক হচ্ছে দেশের জনগণ,এই দেশের জনগণ চোরদের হাতে তাদের ভাগ্য তুলে দিতে পারে না। আওয়ামী লীগ বলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাকি রাজনীতি করতে পারবে কিন্তু নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার, মনে হচ্ছে দেশটা তাদের জমিদারি, যা বলবে তাই মানতে হবে। আওয়ামী লীগ যতগুলো ঘুম খুনের সাথে জাডিত সবগুলো যোগ করলে যতগুলো মামলা হবে নির্বাচন তো দূরের কথা তাদের নেতা-নেত্রীরা কেউ জেলের বাইরে থাকতে পারবে না। আজ জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন সহ বিভিন্ন দেশ তাদের লুটপাট , মানবাধিকার লঙ্ঘন, ভোটাধিকার,লঙ্ঘনএর কার্যক্রম নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, আইএমএফ এর লোন নিয়ে তারা কি করছে তাও পর্যবেক্ষণ করছে। তারা যতই চেষ্টা করুক ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তাদেরকে বিদায় নিতে হবে, তাদেরকে বিদায় করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।

ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ সেকান্দর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়ার পরিচালনায সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেম, বিএনপি নেতা এডভোকেট কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শামসুল আলম , মহানগর বিএনপি নেতা মাহবুবুল হক, শহীদ মোহাম্মদ চৌধুরী, ইকবাল হোসেন, মহিলা দলের নেত্রী ফাতেমা বাদশা ডাবলমুরিং থানা বিএনপিরসিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হোসেন, মহানগর বিএনপি নেতা দিদারুল আলম, নকিব উদ্দিন ভূঁইয়া, ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন সোহেল, মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সেলিম, মোঃ ইদ্রীছ, মোঃ সাবের, দক্ষিণ আগ্রাবাদ বিএনপির সভাপতি ফয়েজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল সরদার, উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপি আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসিন, দক্ষিণ পাঠানটুল সভাপতি জামাল উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, ডাবল মুরিং থানা যুবদল সভাপতি বজল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোঃ আক্তার, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ সহ প্রমুখনেতৃবৃন্দ।

এদিকে পথযাত্রা শুরুর আগে ডবলমুরিং থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া মহল্লা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিযয়ে নেতাকর্মীরা চৌমুহনী মোডে জমায়েত হতে থাকে। একসময় চৌমুহনী সহ আশেপাশে এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। পরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে হাজার হাজার লোকের বিশাল মিছিল চৌমুহনী হয়ে হাজীপাড়া পানওলা পাড়াা ব্যাপারীপাড়ার মোড় হয়ে অ্যাক্সেস রোড হয়ে বড় পোল মোডে গিয়ে শেষ হয়। জনাব খসরু সেখানে থেকে আকবর শাহ থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত পদযাত্রায় অংশ নেন ও সেখানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন। উক্ত সমাবেশে বিএনপি নেতা আয়ুব খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির ‘সদস্য মনজুর আলম চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি সহ নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।