খুঁজুন
বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন, তাই ওদের কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই: আমির খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ মার্চ, ২০২৩, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন, তাই ওদের কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই: আমির খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন-আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই এখন তারা কাউন্টার প্রোগ্রাম দিচ্ছে, কাউন্টার প্রোগ্রাম দেওয়া ছাড়া তাদের বিকল্প নেই।

তিনি আজ বিকেলে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডাবলমুরিং থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আগ্রাবাদ ১ মোড়ে অনুষ্ঠিত পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

খসরু আরো বলেন, দেশে আজ নিরব দুর্ভিক্ষ চলছে। মানুষ দুইবেলা খেতে পারছে না। মুরগি এখন চারভাগে ভাগ করে বিক্রি করা হচ্ছে, গরুর মাংস গ্রাম হিসাব করে বিক্রি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ অর্থনীতির লুটেরা যারা সম্পদ লুটপাট করেছে তারা বাদে দেশের প্রায় মানুষ কষ্টে আছে। আওয়ামী লীগ প্রায় সংবিধানের কথা বলে আমি তাদেরকে একটা কথা বলতে চাই সংবিধান কি গুম খুন করতে বলেছে, অর্থনীতি ধ্বংস করতে বলেছে, লুটপাট করতে বলেছে মানুষের মানবাধিকার ,ভোটাধিকার হরণ করতে বলেছে। সবকিছুতে তারা সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মালিক হচ্ছে দেশের জনগণ,এই দেশের জনগণ চোরদের হাতে তাদের ভাগ্য তুলে দিতে পারে না। আওয়ামী লীগ বলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাকি রাজনীতি করতে পারবে কিন্তু নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। মামার বাড়ির আবদার, মনে হচ্ছে দেশটা তাদের জমিদারি, যা বলবে তাই মানতে হবে। আওয়ামী লীগ যতগুলো ঘুম খুনের সাথে জাডিত সবগুলো যোগ করলে যতগুলো মামলা হবে নির্বাচন তো দূরের কথা তাদের নেতা-নেত্রীরা কেউ জেলের বাইরে থাকতে পারবে না। আজ জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন সহ বিভিন্ন দেশ তাদের লুটপাট , মানবাধিকার লঙ্ঘন, ভোটাধিকার,লঙ্ঘনএর কার্যক্রম নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, আইএমএফ এর লোন নিয়ে তারা কি করছে তাও পর্যবেক্ষণ করছে। তারা যতই চেষ্টা করুক ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তাদেরকে বিদায় নিতে হবে, তাদেরকে বিদায় করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।

ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ সেকান্দর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়ার পরিচালনায সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেম, বিএনপি নেতা এডভোকেট কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শামসুল আলম , মহানগর বিএনপি নেতা মাহবুবুল হক, শহীদ মোহাম্মদ চৌধুরী, ইকবাল হোসেন, মহিলা দলের নেত্রী ফাতেমা বাদশা ডাবলমুরিং থানা বিএনপিরসিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হোসেন, মহানগর বিএনপি নেতা দিদারুল আলম, নকিব উদ্দিন ভূঁইয়া, ডাবলমুরিং থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দিন সোহেল, মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সেলিম, মোঃ ইদ্রীছ, মোঃ সাবের, দক্ষিণ আগ্রাবাদ বিএনপির সভাপতি ফয়েজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল সরদার, উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপি আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসিন, দক্ষিণ পাঠানটুল সভাপতি জামাল উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, ডাবল মুরিং থানা যুবদল সভাপতি বজল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোঃ আক্তার, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ সহ প্রমুখনেতৃবৃন্দ।

এদিকে পথযাত্রা শুরুর আগে ডবলমুরিং থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া মহল্লা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিযয়ে নেতাকর্মীরা চৌমুহনী মোডে জমায়েত হতে থাকে। একসময় চৌমুহনী সহ আশেপাশে এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। পরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে হাজার হাজার লোকের বিশাল মিছিল চৌমুহনী হয়ে হাজীপাড়া পানওলা পাড়াা ব্যাপারীপাড়ার মোড় হয়ে অ্যাক্সেস রোড হয়ে বড় পোল মোডে গিয়ে শেষ হয়। জনাব খসরু সেখানে থেকে আকবর শাহ থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত পদযাত্রায় অংশ নেন ও সেখানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন। উক্ত সমাবেশে বিএনপি নেতা আয়ুব খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির ‘সদস্য মনজুর আলম চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি সহ নেতৃবৃন্দ।

Feb2

চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরের একটি অভিজাত শপিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছেন বিভাগীয় বিএসটিআই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বুধবার (১৭ জুন) নগরের সিডিএ অ্যাভিনিউ এলাকার সানমার ওশান সিটিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় বিউটিওলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাইয়ান ফেরদৌস। এ সময় বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা অন্তর চৌধুরী, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রিময় মজকুরী জয়, পরীক্ষক (মেট্রোলজি, ভৌত) দায়িত্ব পালন করেন।

বিএসটিআই সূত্র জানায়, অভিযানে বিউটিওলজি নামের প্রতিষ্ঠানটিতে ওজন হ্রাসের ওষুধ পাওয়া যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স রয়েছে মর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদান করছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩০ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, অননুমোদিত ও মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজারের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজারে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীকে পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের সঙ্গেসঙ্গেই উপকারভোগী এই টাকা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।

পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৫৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া, বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার, সিরোসিস, স্টোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক অনুদান, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান, চা শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র অনুদানের চেক উপকারভোগীর মধ্যে বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী গিতা রাণী কর জানান, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা দিয়ে বাচ্চার লেখাপড়ার খরচ চালাবেন। একইসঙ্গে হাঁস-মুরগি কিনে লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হবেন। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় দেন।

এ সময় আদালতে আসামি আবির উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, আসামি আবীর আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, আলামত উদ্ধার এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হ‌ওয়ায় আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ লাখ অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এই ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত, নিষ্ঠুর নৃশংস, নির্মম ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ক্রাইম পেট্রোল থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।’

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় এই দিয়েছেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। ২৫ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।

পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার খণ্ডিত মরদেহ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। তিনি কিশোর হওয়ায় আলাদাভাবে শিশু আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।