খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদ্মা সেতুর ঋণের প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৩১৭ কোটি টাকা পরিশোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
পদ্মা সেতুর ঋণের প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৩১৭ কোটি টাকা পরিশোধ

পদ্মা সেতুর ঋণের প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯ টাকা আজ বুধবার ( ৫ এপ্রিল) পরিশোধ করেছে সেতু বিভাগ। সকালে গণভবনে এই অর্থের চেক প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তাক্ষণিকভাবে এই অর্থ প্রধানমন্ত্রী অর্থ সচিবকে হস্তান্তর করেন।

পদ্মা সেতু শুধু একটি অবকাঠামগত সেতুই নয় এটি বাঙালির শক্তি এবং সাহসের প্রতীক জানিয়ে এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীকে নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে পেরেছে।

যত বাধাই আসুক জনগণকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিবেন তিনি।

পদ্মা সেতু নিয়ে দেশি-বিদেশি নানান ষড়যন্ত্রের পর বন্ধ হয়ে যায় বিদেশি অর্থায়ন। অনিশ্চয়তায় পড়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় খরস্রতা নদী পদ্মার ওপর স্বপ্নের এই সেতু নির্মাণ করা হয়। বিশ্ব ব্যাংকের মিথ্যা অভিযোগ আর দেশীয় কিছু মানুষের ভুল বিশ্লেষণকে চ্যালেঞ্জ করে পদ্মা সেতু নির্মাণের সাহসী উদ্যোগ নেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

সরকারের অর্থ বিভাগ থেকে এই সেতু নির্মাণে এক শতাংশ হারে মুনাফার ভিত্তিতে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয় সেতু বিভাগকে। যা প্রতি বছর চারটি করে কিস্তি দিয়ে ১৪০ কিস্তিতে সুদ এবং আসলসহ ৩৬ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা মূলে পরিশোধ করবে সেতু বিভাগ।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রবল বাঁধা অতিক্রম করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা নিজেদের জমির দলিলসহ লিখে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এই পদ্মা সেতু করতে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্যের সহযোগিতা ছাড়া এক কদমও আগানো যাবে না এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতেই পদ্মা সেতু নিজেদের টাকায় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একটা সংস্থা অপমান করবে আর মুখবুজে সহ্য করবে বাঙালি বীরের জাতি হিসেবে তা হতে পারে না।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার সিদ্ধান্তে দেশি-বিদেশি কারও কাছ থেকেই সেই অর্থে সমর্থন পাননি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমাত্র মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কিছুটা মানসিক সাহস যুগিয়েছিলেন।

দেশের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত বাধাই আসুক বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে তার সরকার।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…