খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইপিজেডে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুজনের কৃতজ্ঞতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
ইপিজেডে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুজনের কৃতজ্ঞতা

সিইপিজেড এবং কেইপিজেডে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় সুজন বলেন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধানতম খাত গার্মেন্টস শিল্প তথা সিইপিজেড এবং কেইপিজেডে কর্মরত লাখো শ্রমিক কর্মচারীর স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আইসোলেশন সেন্টার এবং করোনা পরীক্ষাগার চালু করার জন্য গত ৯ই জুন সিইপিজেড এবং কেইপিজেড এর মহাব্যবস্থাপকদ্বয়ের সাথে টেলিফোনে আলোচনা করে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। অনুরোধের প্রেক্ষিতে মহাব্যবস্থাপকদ্বয় উত্থাপিত প্রস্তাবনাসমূহ লিখিত আকারে বেপজা কর্র্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ই জুন ইপিজেডসমূহে আইসোলেশন সেন্টার এবং করোনা পরীক্ষাগার চালু করার সহযোগিতা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এর সাথে টেলিফোনে কথা বলেন সুজন।

তিনি চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা ও দেশের বৃহত্তম রপ্তানি কেন্দ্র সচল এবং নিরাপদ রাখার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিবের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ইপিজেডসমূহে আইসোলেশন সেন্টার এবং করোনা পরীক্ষাগার চালু করার পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

ড. আহমদ কায়কাউস এর সহযোগিতায় বেপজা কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইপিজেডসমূহে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের অনুমতি প্রদান করায় সুজন আজ এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সিইপিজেড এর মহাব্যবস্থাপক মোঃ খুরশিদ আলম এবং কেইপিজেড এর মহাব্যবস্থাপক মসিউদ্দিন বিন মেজবাহসহ সকল কর্মকতাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

তিনি ইপিজেড কর্তৃপক্ষকে সিটি কর্পোরেশন, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুততার সাথে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে তাদের রোগীসমূহ ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালটি চট্টগ্রামের কতিপয় চিকিৎসা বেনিয়া সিন্ডিকেটের একটি ভাগাড় মাত্র। শুধুমাত্র বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ রক্ষার জন্য বিদ্যুত ও পানির সংযোগ বিহীন পরিত্যক্ত হাসপাতালটিকে করোনা রোগীদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে সিন্ডিকেটটি। পরিশেষে তাদের সে চেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। এর আগে ঐ হাসপাতালটিকে করোনা চিকিৎসার উপযোগী করে গড়ে তোলার কথা বলে চট্টগ্রামের করোনা চিকিৎসাকে ভূলপথে পরিচালিত করেছে রোগ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটরা। তাদের কারণে অনেকেই বিনা চিকিৎসায় নির্মমভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। অথচ আমরা বার বার দাবী জানিয়েছিলাম ঐ পরিত্যক্ত হাসপাতালটিতে কোনভাবেই করোনা চিকিৎসা সম্ভব নয়। তারপরও অনেকটা গায়ের জোরে ঐ হাসপাতালটিকে করোনা চিকিৎসার উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে বলে উদ্বোধনের নাটক মঞ্চায়িত করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে যে আমাদের আশংকা সর্বাগ্রে সত্যি বলে গণ্য হয়েছে। অবহেলা, অনাদর আর অমানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিণত হয়েছে এ হাসপাতালটি। একটি হাসপাতালের নূণ্যতম সেবাও দিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। ময়লা দূর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গিয়ে মৃত্যুর আগেই যেন মৃত্যুপূরীতে প্রবেশ করছে রোগীসাধারণ। চট্টগ্রামের জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে এ ধরণের অবহেলা ও তামাশা কোনভাবেই কাম্য নয়। আমরা আরো অভিযোগ পেয়েছি দিনের পর দিন হাসপাতালটি চালু করার জন্য নগরীর ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকেও মোটা অংকের চাঁদা আদায় করেছে ঐ সিন্ডিকেটটি। এরপরও হাসপাতালটি পরিপূর্ণভাবে চালু করতে না পারার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবী করেন তিনি।

তিনি অবিলম্বে ঐ হাসপাতালটি বন্ধ করে যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি কোভিড চিকিৎসায় সক্ষম কোন হাসপাতালে স্থানান্তর করে মানুষের জীবন রক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে সবচেয়ে বড়ো সংকট হচ্ছে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা। নমুনা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ২০ দিন পার হওয়ার পর রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিন সংগ্রহ করা নমুনার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পরীক্ষাবিহীন অবস্থায় ফেলে রাখা হচ্ছে। এতে করে পরীক্ষাগারে নমুনার জট সৃষ্টি হচ্ছে আবার অনেক নমুনা নষ্টও হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নমুনা হারিয়ে যাওয়ার মতো অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে রোগীর কাছ থেকে। চট্টগ্রামে বর্তমানে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে মাত্র পাঁচটি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে যা চট্টগ্রামের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল। সরকার দুইটি বেসরকারি হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার অনুমোদন প্রদান করলেও শুধুমাত্র ইমপেরিয়াল হাসপাতাল নমুনা পরীক্ষা করছে। অন্যদিকে শেভরণ হাসপাতাল অনুমতি পাওয়ার দীর্ঘ এক মাস পেরিয়ে গেলেও তারা এখনো নমুনা পরীক্ষা শুরু করতে পারেনি। অথচ বিচ্ছিন্নভাবে নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন করা হচ্ছে নগরজুড়ে। এতে করে নমুনা সংগ্রহের অন্যতম উপাদান কিটেরও অপচয় হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামে নমুনাজট আরও বাড়বে বলে শংকা প্রকাশ করেন তিনি।

তাছাড়া নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়ে ফলাফল আসতে দেরী হওয়ার ফলে ঐ রোগী যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। আবার উপসর্গ থাকলেও নমুনা পরীক্ষার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই বাসায় বসে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন এতে করে সংক্রমণের মাত্রা বাড়ার আশংকাও অমূলক নয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে কাল বিলম্ব না করে অতিসত্ত্বর চট্টগ্রামে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের বিনীত আহবান জানান তিনি।

বিশেষ করে চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, শিল্পগ্রুপসহ বেসরকারি হাসপাতালের মালিকদের প্রতি তিনি কড়জোড়ে অনুরোধ জানান চট্টগ্রামবাসীর এ দূর্যোগে আপনারা মানবতার হাত প্রসারিত করুন।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যবসায়ী, শিল্পগ্রুপসহ, বিভিন্ন প্রতিষ্টান এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা চিকিৎসার জন্য মানবতার হাত প্রসারিত করেছেন সেজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। সামর্থ্যবান অন্যান্য ব্যবসায়ী এবং শিল্পগ্রুপকেও তাদের পদাংক অনুসরণ করার সবিনয় আহবান জানান সুজন।

সুজন বলেন, বিজিএমইএ বাংলাদেশের রপ্তানিমূখী শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী অন্যতম সংগঠন। সরকার দেশের রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ইতিপূর্বে দেশের সকল গার্মেন্টস প্রতিষ্টান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে সকল গার্মেন্টস প্রতিষ্টানকে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্টানে শ্রমিক কর্মচারীদের প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার সময় জীবানুমুক্ত করতে হবে। কাজ করার সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। অসুস্থ শ্রমিক কর্মচারীকে প্রতিষ্টানের নিয়ম মাফিক ছুটি প্রদান করতে হবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে তারা বিদেশী ক্রেতার অর্ডার বাতিল হওয়ার অজুহাতে গার্মেন্টস প্রতিষ্টান চালু করলেও হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়াই শ্রমিক ছাটাইয়ের ঘোষণা দিয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে চাপে ফেলতে চায়। যে মূহুর্তে দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে ঠিক সে মূহুর্তে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা এবং জীবিকার নিরাপত্তা নিয়ে না ভেবে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেওয়াটা গভীর উদ্বেগের বিষয়। অথচ সরকারের প্রণোদনা ঘোষণার প্রথম কাতারেই ছিল গার্মেন্টস শিল্পপ্রতিষ্টানগুলো। গার্মেন্টস মালিকরা প্রায়শই তাদের অর্ডার নেই, কাজ নেই বলে হা-হুতাশ করলেও দেখা যায় যে তাদের বিত্ত বৈভবের কোন কমতি নেই। তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সেকেন্ড হোম বানিয়ে বছরের অধিকাংশ সময় আরাম আয়েশে ব্যয় করলেও শ্রমিকদের স্বার্থের বিষয়ে চিন্তা করার তাদের কোন সময়ই নেই। এমনকি করোনাকালীন এই পরিস্থিতিতেও তাদের আয়ের প্রধাণতম হাতিয়ার শ্রমিক কর্মচারীদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে তারা বড়ই উদাসীন।

সুজন দেশের প্রতিটি ইপিজেডসহ গার্মেন্টস শিল্পাঞ্চলে বিজিএমইএ’র উদ্যোগে তাদের শ্রমিক কর্মচারীদের করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব এবং ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের দাবী জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…