খুঁজুন
রবিবার, ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলেকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে বাবা মাকেই উদ্যোগী হতে হবে-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২:১০ অপরাহ্ণ
ছেলেকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে বাবা মাকেই উদ্যোগী হতে হবে-সুজন

.jpg

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বর্তমানে যেভাবে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে তার থেকে মুক্তি পেতে হলে বাবা মাকেই প্রথমে উদ্যোগী হতে হবে।

পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করা, কাজের ফাঁকে সন্তানদের সময় দেয়া, নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডসহ সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ সামাজিক সংগঠন কাট্টলী সংসদের ৮ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে দিনব্যাপি আয়োজনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সামাজিক সংগঠন কাট্টলী সংসদের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, যুব সমাজকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মিশে সে খবরও প্রতিনিয়ত মা বাবাকেই রাখতে হবে। তাছাড়া পরিবারে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুশীলনের বিকাশ ঘটানোও একান্ত আবশ্যক।

মাদকের বিস্তার রোধে বাল্যকাল থেকেই সবার মধ্যে নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিয়ে যেতে পারবো।

তিনি কাট্টলী সংসদের সকল সদস্যবৃন্দকে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার বিস্তার, খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি ও সুস্থ রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে কাজ করার আহবান জানান।

কাট্টলী সংসদের সভাপতি ইরফান আলম তানিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আনন্দ আচার্যের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব এম এ জাফর, বীর মুক্তিযোদ্বা এড. আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, মোঃ নুরুদ্দিন, সেলিম উল্লাহ্ চৌধুরী, মোঃ আবদুস সালাম, ফেরদৌসী নাজিম, আওয়ামী লীগ নেতা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, চৌধুরী মোহাম্মাদ আলি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, সেলিম উল্লাহ, নুরুদ্দিন চৌধুরী, সাইফুদ্দিন সাকি, আব্দুস সালাম, এমদাদুল হাসান বাবু, মাহবুবুরু রহমান, সাহাদাত হোসেন, সারওয়ার আলম কায়সার, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন, নুরুল কবির, শহিদুল ইসলাম দুলদুল, শোয়েব ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল হারুন, হারুনুর রশিদ, মিজানুর রহমান মিজু, মোহাম্মদ ইসহাক, টুন্টু দাশ বিজয়, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, হাসান মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান জনি, ইকবাল জাবেদ, জাহিদুল আলম রুবেল, ফরমান মোস্তফা, সাফায়েত রিদয়, রায়হান সাব্বির, ফরহাদ বিন জামাল শুভ, তুসার আহমেদ, মাইনুল আলম মানিক, জিসান রহমান, প্রিয়ং বসু, মামুনুর রশিদ সানি, অসিত দেব, সামির আকাশ, মেহেদি হাসান অনিক, ফারহান আলম, নাইমুর রহমান নিশান প্রমুখ।

দিনব্যাপী আয়োজনের ছিলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামুল্যে রক্ত ও ডায়াবেটিক পরীক্ষা, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, সুধী সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।

Feb2

মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবন–এর দরবার হলে। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা থাকছে না। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথও একই স্থানে অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেল ৪টার দিকে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

রীতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ জাতীয় সংসদ ভবনে এবং মন্ত্রিসভার শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হতো। এবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাওয়া দল বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত হওয়া সব সরকারের শপথ বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতা নেই। এখানে আলাদাভাবে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো বা আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রিসভার শপথে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আমন্ত্রণ, তাদের আপ্যায়ন, পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাসহ নানান ধাপের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। শেষ মুহূর্তে এ ধরণের সিদ্ধান্ত হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন পর্ব নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে।’

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন’—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন অনন্ত তিনজন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার চর বাগডাঙ্গা ইউপির ফাটাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বাড়ির ইটের দেওয়াল ধসে গেছে। টিনের চাল উড়ে গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম ঘটনাস্থল থেকে বলেন, বিস্ফোরণে দুজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। আহত তিনজন হলেন সদর উপজেলার পাঠাপাড়া গ্রামের মিনহাজ (৫২) ও বজলুর রহমান (২০) এবং রানীহাটির ধুমী গ্রামের মো. শুভ (২০)।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা কেউ নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা এখনো জানাতে পারেনি। ফাটাপাড়ার কালামের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।