খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১১ নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১১ নির্দেশনা

আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা। শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর। আজ সোমবার সময়সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া ১১ নির্দেশনা মানতে হবে সকল কেন্দ্রে।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২। পরীক্ষার ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

৩। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৪। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ এবং সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

(ক) সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচিনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

(খ) দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিটট বিতরণ। দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। আর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি (ওএমআর শিট) উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

৫। পরীক্ষার্থীগণ তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।

৬। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে দেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাজ করা যাবে না।

৭। ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তাত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর প্রদান করে নম্বরসমূহ ০৩/০১/২০২২ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৮। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পরে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

৯। কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানন্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০। পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

১১। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিচার ফোন (স্মার্ট ফোন ব্যতীত) ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষার হলে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

এন-কে

Feb2

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনের মাধ্যমে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। পরে টাঙ্গাইলের ১৫ জন কৃষক-কৃষানির মধ্যে এই কার্ড ও ফলজ গাছ বিতরণ করা হয়।

টাঙ্গাইলের প্রথম কৃষক হিসেবে কৃষক কার্ড পান সদর উপজেলার বড়রিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবু কায়সার।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রথম কৃষক কার্ড পাওয়া মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। কৃষক কার্ড দিয়ে সব সুযোগ-সুবিধা পাব। এখন আমরা এদেশের একজন গর্বিত কৃষক। কৃষক কার্ড পেয়ে আমি খুবই খুশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ। বাংলা সন ১৪৩৩ বরণ করে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আয়োজন করেছে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ৯টা ৩ মিনিটে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং এর ঠিক তিন মিনিট পরেই বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে পুরো এলাকা এক আনন্দঘন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের উত্তর গেট থেকে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি হয়ে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে।

এরপর বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে এটি শেষ হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবারের উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাস্ক বা মুখোশ পরা নিষিদ্ধ থাকায় অংশগ্রহণকারীরা চারুকলার তৈরি মুখোশগুলো হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেন।

এবারের শোভাযাত্রায় বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মেলবন্ধনে পাঁচটি প্রধান মোটিফ বা প্রতীক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘মোরগ’ মোটিফটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রাকে স্বাগত জানাতে মোরগকে নতুন ভোর ও জাগরণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম শেখ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, একটি দীর্ঘ দুঃশাসনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে নতুন সূর্যের উদয় হয়েছে, মোরগের ডাকে সেই শুভক্ষণকেই উদযাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাও ফুটে উঠেছে এই প্রতীকে।

সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে শোভাযাত্রায় রাখা হয়েছে আরও চারটি মোটিফ। বাউল শিল্পীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও লোকজ সংগীতের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে এবং সাংস্কৃতিক শিকড়কে তুলে ধরতে আনা হয়েছে বিশালাকৃতির ‘দোতারা’।

শান্তি ও সহাবস্থানের বৈশ্বিক ডাক দিতে রাখা হয়েছে ‘পায়রা’। এ ছাড়া লোকশিল্পের আভিজাত্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত হয়েছে ‘কাঠের হাতি’ এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত ‘টেপা ঘোড়া’ শোভাযাত্রাকে করেছে আরও আকর্ষণীয়।

এবারের পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় মুখোশ পড়া নিষিদ্ধ থাকায় চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের। শোভাযাত্রার সম্মুখভাগে ছিল পুলিশের সুসজ্জিত ১২টি ঘোড়ার বহর।

এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের বাজানো ‘এসো হে বৈশাখ’ ও দেশাত্মবোধক গানের সুরে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা।

শোভাযাত্রা শেষে টিএসসি প্রাঙ্গণে লোকজ সংস্কৃতির গান ও নৃত্যের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষের মূল অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে। চারুকলার এই বর্ণিল আয়োজন কেবল আনন্দ উৎসব নয়, বরং অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে ফেরার এক বলিষ্ঠ সংকল্পে রূপ নেয় এবারের পহেলা বৈশাখে।

চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

নতুন বছরের প্রথম সূর্য উঠতেই উৎসবের রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। সকাল বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ। বৈশাখের সকাল ঘিরে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজনে চলছে বর্ষবরণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। শোভাযাত্রায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি হিলে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এদিকে নগরের ডিসি হিল, সিআরবি শিরিষতলা, শহীদ মিনারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বৈশাখকে বরণ করতে লাল-সাদা পোশাকে সেজে পরিবার-পরিজন নিয়ে বের হন নগরবাসী।

শোভাযাত্রা শেষে ডিসি হিল ও আশপাশ এলাকায় শুরু হবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই সময়ে সিআরবি শিরিষতলায়ও চলবে গান, নৃত্য ও লোকজ আয়োজন।

এদিকে, কাজীর দেউড়ি থেকে ডিসি হিল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে আঁকা বৈশাখী আলপনা নগরবাসীর নজর কেড়েছে। রঙিন এ সজ্জা উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সংস্কৃতিকর্মী সাদিকুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারি ও রমজানের জন্য কয়েকবছর পয়লা বৈশাখে বিভিন্ন আয়োজনে ভাটা ছিল। তাই এই বছর বর্ষবরণ নিয়ে সবার আগ্রহ বেশি। পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় এসে ভালো লাগছে।

বর্ষবরণের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে নগরবাসী যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে আনন্দ উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।