খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে আইইবি’র ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রকৌশলীদের ৬ দাবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 7 May, 2023, 8:16 pm
চট্টগ্রামে আইইবি’র ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রকৌশলীদের ৬ দাবি

চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইঞ্জিনিয়ার্স ডে-২০২৩ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ ৭ মে রোববার সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা ও আইইবি’র পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এরপর শপথ বাক্য পাঠ, সাড়ে ৯টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

পরে সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে প্রকৌশলীদের ৬টি দাবি উপস্থাপন করেন আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন।

দাবিগুলো হলো-প্রকৌশল সংস্থাসমূহের শীর্ষ পদগুলোতে প্রকৌশলী পদায়ন করা, পলিটেকনিক্যাল শিক্ষকদের বর্তমান চাকুরী কাঠামো পরিবর্তন করা, প্রকৌশল ভিত্তিক ক্যাডার (ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডার) ব্যবস্থার প্রবর্তন করা, বেসরকারী প্রকৗশলীদের জন্য চাকুরী বিধি প্রণয়ন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে ক্যাডারভূক্ত করা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকৌশল বিভাগ সৃষ্টি করা।

সংবাদ সম্মেলনে আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন সাংবাদিকদের জানান, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ঘোষিত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলী সমাজ অগ্রণী সেনানী হিসেবে নিজেদেরকে নিয়োজিত রেখেছেন। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, প্রকৌশলীরাই প্রযুক্তির ধারক ও বাহক। বিশ্বে উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হতে হলে প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানে সমুদ্ধ ও শক্তিশালী হতে হয়। তাই প্রকৌশলীদের মেধাকে সর্বোত্তম কাজে লাগানো ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মূল লক্ষ্য। তাদের জন্য সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে সকল সমস্যা বর্তমানে প্রধান সমস্যা তার বেশীর ভাগই প্রযুক্তি নির্ভর যেমন-বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসন, শিল্প-কারখানার নিরাপত্তা ও ভবন ধস ইত্যাদি। কিন্তুু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমানে এসব সেক্টরে ব্যবস্থাপনা অনেকটা আমলা নির্ভর। প্রকৌশল সেক্টর নির্ভরকে গতিশীল করে কাঙ্খিত ফল অর্জনের লক্ষ্যে প্রকৌশল ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।

সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল আলম চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সার্বিক কর্মকান্ড সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

এর আগে ব্যান্ড পার্টি, সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি ও বিভিন্ন প্লে-কার্ডসহ বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটিট আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্র প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে কাজীর দেউরি মোড়, আলমাস সিনেমা মোড়, ওয়াসা মোড়, লালখান বাজার মোড় হয়ে পূনরায় কেন্দ্রে এসে শেষ হয়।

আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী এস.এম. শহিদুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দেওয়ান সামিনা বানু, নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম.এ রশীদ, নব-নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রশীদ আহমেদ চৌধুরী, নব-নির্বাচিত সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহজাহান, প্রাক্তন চেয়রম্যান প্রকৌশলী সাদেক মোহাম্মদ চৌধুরী ও প্রাক্তন ভাইস-চেয়রম্যান প্রকৌশলী উদয় শেখর দত্তসহ আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ, কাউন্সিল সদস্যবৃন্দ এবং নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দরাসহ দু’শতাধিক প্রকৌশলী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রের প্রাক্তন নির্বাহীদের সংবর্ধনা, আলোচনা ও স্মৃতিচারণ এবং রাত সাড়ে ৮টায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা সম্পন্ন হয়। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষে রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে একটি আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।