খুঁজুন
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আ.লীগের সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী

ভোট অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে, সবাইকে জিতে আসতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:২৮ সকাল
ভোট অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে, সবাইকে জিতে আসতে হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কাউকে জয়ী করার দায়িত্ব নিতে পারব না। ভোট অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। এই ভোটে সবাইকে জিতে আসতে হবে।

রোববার (২২ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভার একাধিক সংসদ সদস্য গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভোট বানচালের ষড়যন্ত্র করে বিএনপি শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে আসতে পারে বলেও আওয়ামী লীগ সভাপতি মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে সূত্র। সংসদীয় দলের প্রধান শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এক ঘণ্টারও বেশি সময় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সংসদ সদস্যদের মধ্যে মোতাহার হোসেন, শামীম ওসমান, নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, কাজী কেরামত আলী, আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, রুবিনা আক্তার মিরা, অ‌্যারোমা দত্ত প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একটি মহল বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার দেখতে চায় বলে বৈঠকে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সেই কারণে নির্বাচন বানচাল করতে পারলে একটি অনির্বাচিত সরকার এনে তাদের ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

সূত্র জানায় বৈঠকে জরিপের ভিত্তিতে যোগ্যদের মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সার্ভে রিপোর্ট অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়া হবে। যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

কাউকে জয়ী করার দায়িত্ব নিতে পারব না— মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভোট অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। এই ভোটে সবাইকে জিতে আসতে হবে। কাউকে জিতিয়ে আনার দায়িত্ব আমি নিতে পারব না। আমি কারো চেহারা দেখে মনোনয়ন দেব না। দেখে-শুনে জনপ্রিয় ব‌্যক্তিদের নমিনেশন দেব। এখানে যারা আছেন সবাই মনোনয়ন নাও পেতে পারেন। যাকে নমিনেশন দেব তার জন্য কাজ করতে হবে। নমিনেশন পান, না পান নৌকার বিরোধিতা করা যাবে না। যারা নৌকার বিরোধিতা করবে, তাদের রাজনীতি চিরতরে শেষ হয়ে যাবে’— হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি তার বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘তারা জানে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। এ কারণে তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। নির্বাচন বানচাল করে একটি অনির্বাচিত সরকার বসাতে চায়। এটা করতে পারলে তাদের তারা ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।’

সভায় আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারে। সে কারণে নির্বাচন বাদ দিয়ে অনির্বাচিত সরকারকে চায় দেশি-বিদেশি অনেকে। কারণ, অনির্বাচিত সরকার হলে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সুবিধা হয়।’

‘নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, মনোনয়ন দেওয়া হবে বিভিন্ন জরিপের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। যার গ্রহণযোগ্যতা, জনপ্রিয়তা রয়েছে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপির চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। বিএনপি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বলেন, ‘তারা আন্দোলন করতে চায়, করবে। কোনো সমস‌্যা নেই। আমরা বাধা দেব না। তবে অগ্নিসন্ত্রাস, ভাঙচুর করলে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সব মোকাবিলা করে অভ্যস্ত। হেফাজত মোকাবিলা করেছি। জামায়াত-বিএনপি মোকাবিলা করেছি। এবারও করব।’

বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা বলেন, শেখ হাসিনা বৈঠকে বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না। আমরাও যাতে নির্বাচনে অংশ না নিই, সেই ষড়যন্ত্র চলছে। এটা হলে তারা তাদের ইচ্ছেমতো ব‌্যক্তিদের ক্ষমতায় বসাতে পারবে। তবে, এ ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

জানা গেছে, বৈঠকে কাজী কেরামত আলী রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করেন। তার ভাইকে সাধারণ সম্পাদক করার পর থেকে তিনি নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এলাকায় গিয়ে এমপিদের মিটিং করার জন‌্য। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের কথা হচ্ছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো মিটিং করা যাবে না। এমপি হয়েও কী তিনি এলাকায় যেতে পারবেন না— প্রশ্ন তোলেন তিনি।

শামীম ওসমান তার বক্তব্যে অন্তঃকোন্দল ভুলে গিয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বৈঠকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, আমাদের ত্যাগী নেতাকর্মী রয়েছে। তারপরও অন্য দলের প্রার্থীদের আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। আমরা চাই, আমাদের চারটি সিটই (লক্ষ্মীপুর জেলার ৪ সংসদীয় আসন) আওয়ামী লীগের যেন হয়। আমরা সবাই এক জোট। আশা করি, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জিতে আসতে পারব।

Feb2
Feb2

সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, সতর্ক করল আইএসপিআর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ সকাল
সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, সতর্ক করল আইএসপিআর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনী প্রধানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুদৃঢ় চেইন অব কমান্ড, পারস্পরিক আস্থা, ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। দেশ ও জনগণের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনী প্রধান সম্পর্কিত যে কোনো তথ্যের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৩ সকাল
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে শনিবারের (১০ অক্টোবর) এ হামলার বিষয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

এর কয়েকদিন আগে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামো লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানোর দাবি করে আসছিল।

শনিবারের এ হামলার ঘটনায় সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সৌদি আরবের এবং দুজন বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

এ ছাড়া মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের একজন করে নাগরিক এ হামলায় নিহত হয়েছেন। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, পূর্ব সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো নিক্ষিপ্ত বস্তু এসে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান-সমর্থিত হুতিরাই এসব হামলা চালাচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে অন্তত এ নিয়ে চারবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদির নাগরিক নিহত হন।

হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকেও টার্গেট করে হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। হুথিরা এক্ষেত্রে রিয়াদ বিমানবন্দরকে সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত করেছে।

তারা এর আগে সতর্কতা দিয়েছিল, যদি কোনো বিমানসংস্থা সৌদির আকাশ দিয়ে বিমান চালায় তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এরপর, গতকাল (শনিবার) রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে এ বড় হামলার ঘটনা ঘটে।

কলকাতায় মারা গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ রাত
কলকাতায় মারা গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মারা গেছেন। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টায় ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকাল ৭টার কিছুক্ষণ পর রোটনের মৃত্যু হয়। তার লাশ দেশের আনার প্রস্তুতি চলছে।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বিষয়টি জানিয়েছেন। ‍তিনি লেখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, আমাদের সবার অত্যন্ত প্রিয়, আমার ভাই, সহযোদ্ধা, সুখ-দুঃখের সাথী,পরম স্নেহের মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন আমাদের মাঝে আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহস্পদ ও রাজপথের সহযোদ্ধাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এত দ্রুত রোটন আমাদের মাঝে নেই ভাবতেই খুব কষ্ট হচ্ছে।

মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষ করে পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। চট্টগ্রামের রাউজানের এই রাজনীতিবিদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।