খুঁজুন
সোমবার, ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনসারকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
আনসারকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আনসার ব্যাটালিয়নকে অপরাধীকে আটক, দেহ তল্লাশি ও মালামাল জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, দেশের কোনো আইন অনুযায়ী আনসারকে এ ধরনের ক্ষমতা দেওয়া যাবে না।

বুধবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। আমি শুনতে পাচ্ছি, আনসার পুলিশের ক্ষমতা নিয়ে যাচ্ছে। এগুলো ভুল তথ্য, প্রোপাগান্ডা। আনসার বাহিনীকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেওয়া হয়নি, দেওয়া হবেও না।

২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সমাবেশ অনুমোদনের অনুরোধ করেছে। ঠিক কীভাবে করেছে, পুলিশ কমিশনার সেটা জানেন। ঢাকার কোন জায়গায় করলে এত লোক তারা আনবে, তারা ঘোষণা দিয়েছে কিংবা পত্রপত্রিকায় জানান দিচ্ছে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানাচ্ছে। আমাদের কাছে যেগুলো আসছে, তারা নাকি সারা বাংলাদেশ থেকে যারাই বিএনপি করেন, সবাইকে ঢাকায় নিয়ে আসবেন। কোনো সদস্যই বাদ থাকবে না- সে রকম আমরা শুনছি। সে রকম যদি হয়, তাহলে এত লোক ঢাকায় এলে একটা অন্য ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে। সেজন্যই কমিশনার তাদের কোথায় সমাবেশটা করতে দেবেন, সেটা তিনিই বুঝবেন। তিনি সেভাবেই সিদ্ধান্ত দেবেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের ফ্রেমওয়ার্কের বাইরে যদি বিএনপি কিছু করতে চেষ্টা করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অর্পিত দায়িত্বটি তারা পালন করবেন। যেটা সংবিধানের বাইরে, সেটা রক্ষা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যেটা করার কর্তব্য, সেটা তারা করবে।

Feb2

৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুয়া, অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সেই সঙ্গে অবৈধ সিসাবার ও লাউঞ্জ বন্ধে পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংসদে সরকারি দলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে গড়ে ওঠা অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধের বিষয়ে নোটিশটি আনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, (সংশোধিত) অনুযায়ী সিসা ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তপশিলভুক্ত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মাদককে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জে সিসা ব্যবসা চালু রাখার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে সিসা লাউঞ্জ মালিকরা পাঁচটি রিট মামলা করেছে। এসব রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রুল ও নির্দেশনার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ভ্যাকেট করে দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল একটি স্মারকে অনুমোদনবিহীন সিসা লাউঞ্জ নামক মাদক স্পট বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক বিগত ১৬ এপ্রিল রাতে রাজধানীর গুলশান দুই এলাকায় এলাকার ৩৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত অবৈধ সিসাবারে অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক পাঁচ কেজি সিসা এবং ৩৫টি হোক্কা জব্দ করেছে। এস লাউঞ্জ রেস্টুরেন্ট নামেও অবৈধ সিসা লাউঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে চার কেজি সিসা ও আটটি হুক্কা জব্দ করেছে। অবৈধ সিসা লাউঞ্জসমূহ যাতে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে না পারে সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট বিভাগে সিসাবার পরিচালনার বিষয়ে রিটকারীদের বিপক্ষে সর্বদা আইন পরিচালনা করার পাশাপাশি সিসাবারসমূহে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে অবৈধ সিসা লাউন্স পরিচালনার বিষয়টি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নজরেও এসেছে। এ ধরনের কার্যক্রম জনস্বাস্থ্য, নগর শৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও বন্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক সহযোগিতার মাধ্যমে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা সিটি করপোরেশন থেকে সিটি করপোরেশন আদর্শ কর তপশিল ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যবসার ধরনের ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু অথবা নবায়ন করা হয়। অবৈধ সিসা লাউঞ্জ সম্পূর্ণরূপে বন্ধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও বাড়িধারার মতো অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফের আড়ালে ব্যাপকভাবে অবৈধ সিসাবার ও লাউঞ্জ গড়ে ওঠে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি, অসাধু ব্যবসায়ী এবং প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় নিয়মিত এসব স্থানে মাদক সেবন, কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। বিভিন্ন সময় অভিযান চালানোর পর কিছু ব্যবসা বন্ধ হলেও নাম পরিবর্তন করে এবং প্রভাব খাটিয়ে আবার তা চালু করে। নিয়মিত পুলিশ টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জ ও রেস্টুরেন্টে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ঠিকানা পরিবর্তন করে অথবা কোনো আবাসিক বাসস্থানের আড়ালে কোনো প্রকার অবৈধ সিসা লাউঞ্জ যাতে পরিচালিত না হয় সেই লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। আবাসিক বাণিজ্যিক ভবনে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ স্থাপন করে যাতে কেউ ব্যবসা করতে না পারে সে বিষয়ে বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে ভবন মালিকদের সচেতন করা হচ্ছে। কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এই ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ামাত্রই তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে পা রাখছে বাংলাদেশ, জ্বালানি লোডিং মঙ্গলবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে পা রাখছে বাংলাদেশ, জ্বালানি লোডিং মঙ্গলবার

এক দশকের অবকাঠামো নির্মাণ ও জটিল কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পর অবশেষে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে পা রাখছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং হচ্ছে মঙ্গলবার।

করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বৈশ্বিক নানা সংকট পেরিয়ে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। গত ১৬ এপ্রিল কমিশনিং অর্থাৎ পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি প্রবেশের লাইসেন্স পাওয়া যায়।

সব প্রস্তুতি শেষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে প্রথম ইউনিটে শুরু হতে যাচ্ছে পরমাণু জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানান, সময় স্বল্পতার কারণে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুযায়ী, নিরাপত্তা ও কারিগরি শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতায় এর আগে কয়েকবার জ্বালানি লোডিংয়ের সময়সীমা নির্ধারণ করেও তা সম্ভব হয়নি। এখন সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রূপপুরের প্রথম ইউনিট। এই কার্যক্রমে অংশ নিতে ৫৯ জন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞও পেয়েছেন অপারেটিং লাইসেন্স।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শেষ হতে ৪৫ দিন সময় লাগবে। জুলাইয়ের শেষে অথবা আগস্টের শুরুর দিকেই প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। সেই সঙ্গে চলতি বছরের শেষনাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে ১২০০ মেগাওয়াট নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ মিলবে।

পদ্মা নদীর তীরে ঈশ্বরদীতে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এখানে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি ইউনিট পূর্ণ উৎপাদনে গেলে এখান থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করবে।

মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করব: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করব: প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বিএনপির এক সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সমাবেশে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা মেট্রিক পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। তার অসমাপ্ত কাজ পূরণের লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করব।

বেলা আড়াইটায় সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে শার্শায় উলশী খাল পুনঃখনন, হরিনারবিলে পাঁচশ শয্যার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন এবং দড়াটানায় যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।