খুঁজুন
, ,

ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 1:30 pm
ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে যারা এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখবেন তাদের পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদেরকে আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদেরকে আমরা পুরস্কৃত করব। গত সপ্তাহে এরকম দুজন ফ্যাসিবাদের শক্ত দোসর গ্রেপ্তার হয়েছে, গতকালও একজন হয়েছে।

তিনি বলেন, এতদিন এখানেই ছিল লুকিয়ে ছিল তারা। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট কোথায় ছিল? পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্টকে আমি সবচাইতে উত্তম মনে করি। অন্যান্য অর্গানাইজেশনের যে ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট, সেটা আমি মিলিয়ে দেখার জন্য নিই, কম্পেয়ার করার জন্য। আপনাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট আপনারা ইউজ করুন।

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আজমুল হত্যায় এজাহারভুক্ত আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে
তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এক মাসে এ দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আসমান থেকে গুলি করে দেশের নাগরিকদের হত্যা করতে পারে, যারা বাংলাদেশের সমস্ত ইনস্টিটিউশনকে দলীয়করণ করে এ দেশকে গণতন্ত্রহীন একটা রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল, সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কি কখনো আহ্বান জানাবে? এ দেশের মানুষ কখনো চাইতে পারে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করুক?

তিনি আরও বলেন, যারা সেই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পরেও কোনোদিন দুঃখ প্রকাশ করেনি, অনুশুচনা করেনি, ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, তারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আওয়াজ দিচ্ছে।

শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কাছে অফিশিয়ালি রিকোয়েস্ট করেছি অ্যাজ পার এক্সট্রাডিশন ট্রিটি যে, আপনারা সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। তারা যদি স্বেচ্ছায় আসে, আইনের মুখোমুখি হয়, তাহলে তো ভালো। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে, আইনের নিজের কোর্স অনুযায়ী চলবে।

অনুষ্ঠানে ৯৮ পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পুরস্কার পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 5:50 pm
ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

রাজধানীর ধানমন্ডি থানার ২৭-এর বাটা শোরুমের সামনে ঝটিকা মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকদের মধ্যে ধানমন্ডি থানা পুলিশ তিনজন এবং মোহাম্মদপুর থানা ইমরান নামে একজনকে আটক করেছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি বাটা শোরুমের সামনে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এই ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব।

তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ একটি ঝটিকা মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। মিছিল শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজনকে আটক করা হয় এবং একটি ব্যানার উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব তারেকুজ্জামানের নেতৃত্বে সাত মসজিদ রোড দিয়ে মিছিলটি শুরু করে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতাল হয়ে বাটা শোরুমের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হালিম জানান, ধানমন্ডি এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় একজনকে আটক করা হয়েছে।

সাত দিনে ডেঙ্গু হটস্পটমুক্ত সীতাকুণ্ড চান ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 3:43 pm
সাত দিনে ডেঙ্গু হটস্পটমুক্ত সীতাকুণ্ড চান ডিসি জাহিদ

সাত দিন পর চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর কোনো হটস্পট থাকবে না—এমন লক্ষ্য নিয়ে উপজেলার সব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না কমলে এই অভিযানকে সফল বলা যাবে না।

শনিবার সীতাকুণ্ড পৌরসভায় সচেতনতামূলক র‍্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। র‍্যালিটি পৌরসভা থেকে শুরু হয়ে কলেজ রোড প্রদক্ষিণ করে। পরে তিনি ড্রেন পরিষ্কার এবং ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “সীতাকুণ্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট বিবেচনায় নিয়ে আমরা চাই, আর কেউ যেন এ রোগে প্রাণ না হারান। সাত দিন পর এখানে কোনো হটস্পট থাকবে না—সেখানেই আমাদের অভিযান সফল হবে।” তাঁর ভাষ্য, সীতাকুণ্ডে এ পর্যন্ত ৫১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং মশার বিস্তারস্থলে ফগার মেশিন ও লার্ভিসাইড প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নাগরিকদের নিজেদের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সীতাকুণ্ডের মতো শিল্পাঞ্চলে পরিকল্পিত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী এ কর্মসূচি উপজেলার সব ইউনিয়ন ও সীতাকুণ্ড পৌরসভায় চলবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, বিশেষ নজর দেওয়া হবে চিহ্নিত সাতটি হটস্পটে—ভাটিয়ারী, সোনাইছড়ি, জেলেপাড়া, বাড়বকুণ্ড, ফুলতলা, বার আউলিয়া এবং সীতাকুণ্ড কলেজ রোড এলাকায়। এ কাজে ১৬টি নতুন ফগার মেশিন ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক সংগ্রহ করা হয়েছে। সাত দিনের কর্মসূচির পরও পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বাড়িঘর ও ড্রেনে জমে থাকা পানি সরানোর আহ্বান জানান। জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার স্ক্র্যাপ ধাতুতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকার নাগরিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 2:43 pm
খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজ দাহুম উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার হলরুমে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ অসিউর রহমান আল কাদেরী।

প্রধান আলোচক ছিলেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ আবু নওশাদ নইমী আশরাফী নকশবন্দী।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সুপার মাওলানা মোকতার হোসাইন ও সিনিয়র শিক্ষক মাস্টার মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির হাট আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস খান আল কাদেরী, খিরাম কাদেরিয়া মুঈনিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা ওমর ফারুক আজমী, গাউছিয়া হুসাইনিয়া আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহ.) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ডাক্তার মো. মুজিবুল হক, আলহাজ্ব ফজলুল কাদের চৌধুরীসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ অসিউর রহমান আল কাদেরী বলেন, “শিক্ষা মানুষকে আলোর পথে নিয়ে যায়। আশা করি, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ এলাকা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে আজিমুল গণী মহৎ কাজ করেছেন। সবাইকে সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিতে হবে।”

এ সময় মাদ্রাসার পরিচালক মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন, ইউপি সদস্য মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, আব্দুর রহিম বাদশা, মুহাম্মদ মোর্শেদ, মুহাম্মদ লোকমান সওদাগর, মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আরফাতুল গণি, শিক্ষিকা নায়মা আকতার, রুনা আকতার ও আয়শা আকতার, সারজিনা আকতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মাহফিল শেষে মোনাজাতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থান করে যারা আর্থিক ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় অবদান রাখছেন, তাদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।