খুঁজুন
, ,

গতি বাড়ছে পূর্বাঞ্চল রেলে, সময়সূচিতে পরিবর্তন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 18 November, 2023, 2:49 pm
গতি বাড়ছে পূর্বাঞ্চল রেলে, সময়সূচিতে পরিবর্তন

ট্রেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হচ্ছে

তিন বছরের বেশি সময় পর নতুন সময়সূচি কার্যকর করতে যাচ্ছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন সময়সূচিতে চলাচল করবে ট্রেন। এ ক্ষেত্রে ট্রেনভেদে যাত্রার সময় ৫ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কমিয়ে এনেছে রেলওয়ে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীনে এক লেনের রেললাইন দুই লেনে উন্নীত করা হয়েছে। এ ছাড়া রেলের বহরে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক ইঞ্জিন ও কোচ। এ কারণে গতি বাড়ছে ট্রেনের। সবমিলিয়ে নতুন সময়সূচি কার্যকর করতে যাচ্ছে রেলওয়ে। প্রত্যেক বছরই একটি নির্দিষ্ট সময়ে সময়সূচি প্রণয়নের কথা থাকলেও তা হয়ে ওঠেনি। সবশেষ ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়েছিল।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে সুবর্ণ এক্সপ্রেস সকাল ৭টায় ছাড়লেও নতুন সূচিতে ছাড়বে সকাল সাড়ে ৭টায়। ঢাকাগামী আরেক দ্রুতগতির ট্রেন সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ছাড়ে বিকেল ৫টায়। নতুন সময় সূচিতে ছাড়বে পৌনে ৫টায়। আবার ঢাকা থেকে সুবর্ণ এক্সপ্রেস চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছাড়বে বিকেল সাড়ে ৪টায়। সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে ছাড়বে সকাল ৭টায়। তূর্ণা এক্সপ্রেস কমলাপুর ছাড়বে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে। মহানগর এক্সপ্রেস ছেড়ে যাবে রাত ৯টা ১০ মিনিটে।

সুবর্ণ এক্সপ্রেসে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সময় লাগছে ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট এবং সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে লাগছে ৫ ঘণ্টা ১০ মিনিট। নতুন সময়সূচিতে দুটি ট্রেনেরই লাগবে ৪ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মহানগর গোধূলী আগের মতোই ছাড়বে বেলা ৩টায় এবং মহানগর এক্সপ্রেস ছাড়বে দুপুর সাড়ে ১২টায়। চট্টলা এক্সপ্রেস বর্তমানে সকাল সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এটি পৌঁছায় বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে। নতুন সময় অনুযায়ী, এ ট্রেন চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়বে সকাল ৬টায়। ঢাকায় পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে। আর তূর্ণা এক্সপ্রেস এখন রাত ১১টায় ছাড়লেও নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ছাড়বে রাত সাড়ে ১১টায়। তবে আধা ঘণ্টা দেরিতে ছাড়লেও পৌঁছাবে আগের মতো ভোর সোয়া ৫টায়।

চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে করে যাওয়া যাবে ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে। যেখানে এখন লাগে ৯ ঘণ্টা। এই ট্রেন এখন সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়ে, নতুন সূচিতে ছাড়বে ৭টা ৫০ মিনিটে। পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সিলেট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে সকাল সাড়ে ১০টায়। আরেকটি ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস আগের মতোই রাত পৌনে ১০টায় ছাড়বে। তবে গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় কম লাগবে ১৫ মিনিট।

চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস বিকেল সোয়া ৫টায় ছাড়লেও নতুন সূচিতে ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টায়। সময় লাগবে ৪ ঘণ্টা। চাঁদপুর থেকে মেঘনা ছাড়বে ভোর ৫টায়। ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস নতুন সূচি অনুযায়ী চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে যাবে সকাল সোয়া ৯টায়। আগের সময়সূচিতে ছিল সকাল ৭টা ২০ মিনিট। আর ময়মনসিংহ থেকে বিজয় এক্সপ্রেস চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে রাত ৮টা ১০ মিনিটে।

ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবাত ট্রেন ঢাকা কমলাপুর স্টেশন থেকে ছাড়বে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে। এ ট্রেন এখন ছাড়ে ৬টা ২০ মিনিটে। সিলেট থেকে পারাবত এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে বেলা সাড়ে ৩টায়। সিলেটগামী আরেকটি আন্তনগর উপবন এক্সপ্রেসের ঢাকা ছাড়ার নতুন সময় বেলা ১১টায়। যদিও এ ট্রেন এখন ছেড়ে যায় সকাল সাড়ে ৮টায়। ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস সিলেট স্টেশন থেকে ছাড়বে রাত ১১টায়।

ঢাকা থেকে সিলেটগামী কালনী এক্সপ্রেস ছাড়বে বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে। এখন ছেড়ে যায় বেলা ৩টায়। কালনী এক্সপ্রেস সিলেট থেকে ছেড়ে যাবে সকাল সোয়া ৬টায়। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস এখন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ছাড়লেও ভবিষ্যতে ছাড়বে সকাল সাড়ে ১০টায়। কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস কিশোরগঞ্জ থেকে ছাড়বে বিকেল ৪টায়। জামালপুর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে ছাড়বে সকাল ১০টায়। যদিও এ ট্রেন এখন ছাড়ে সকাল সাড়ে ১০টায়। এটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে বিকেল সাড়ে ৪টায়।

অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে তারাকান্দির উদ্দেশে ছেড়ে যাবে বেলা সাড়ে ১১টায়। বর্তমানে ছাড়ে বেলা ১১টায়। তারাকান্দি থেকে ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর গোধূলী এখন ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে। নতুন সময় অনুযায়ী ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। এগারসিন্দুর গোধূলী কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে।

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রেলের বহরে নতুন ইঞ্জিন ও কোচ যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন একলেনের রেললাইন দুই লেনে উন্নীত করায় নতুন সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী যাত্রীরা এখন আগের তুলনায় আরও কম সময়ে গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।