খুঁজুন
, ,

খুলশীর ওসিকে নিয়ে গুঞ্জন, বিনা ভাড়ায় থাকছেন নৌকার প্রার্থীর বাসায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 13 December, 2023, 11:55 am
খুলশীর ওসিকে নিয়ে গুঞ্জন, বিনা ভাড়ায় থাকছেন নৌকার প্রার্থীর বাসায়

চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন বাচ্চুর বাসায় থাকছেন নগরের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার। দুদিন ধরে এটি নিয়ে আলোচনা চলছে চট্টগ্রামজুড়ে।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও পোস্ট দিয়েছেন অনেকে। পোস্টে ওসির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের পাঁচলাইশ থানার রহমান নগর এলাকার ৯ নম্বর রোডে ‘বিলড ম্যাক্স ফারিহা’ নামে ৯ তলা ভবনটির মালিক মহিউদ্দিন বাচ্চু। তিনি চট্টগ্রাম-১০ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এই ভবনের সপ্তম তলার একটি ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে থাকেন খুলশী থানার ওসি রুবেল হাওলাদার।

রুবেল হাওলাদারের দাবি, তিনি ওই ভবনে থাকেন না। বাসাটির নিরাপত্তাকর্মীরও দাবি ওসি আগে থাকতেন, এখন থাকেন না। তবে ভবনটির ভাড়ার বিজ্ঞাপনে দেওয়া একটি নম্বরে কল করা হলে ওসি রুবেল সেখানে থাকেন বলে জানানো হয়।

পুলিশ পরিদর্শক রুবেল হাওলাদার খুলশী থানায় যোগ দেন গত ২৩ আগস্ট।

সরেজমিনে মঙ্গলবার ভবনটিতে গিয়ে দেখা যায়, পার্কিংসহ পুরো ৯ তলার ভবনটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ভবনে দুজন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। যারা অপরিচিত কাউকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। ভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মো. সালাউদ্দিন নামে একজন দাবি করেন, এখানে ওসি আগে ভাড়া থাকতেন। কিন্তু এখন তিনি থাকেন না। বাসা ছেড়ে চলে গেছেন।

ভবনটির দরজায় ঝুলানো ছিল অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়ার বিজ্ঞাপন। সেখানে থাকা মোবাইল নম্বরটি ওই ফ্ল্যাট মালিকের বলে নিশ্চিত করেন নিরাপত্তাকর্মী সালাউদ্দিন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে অপর প্রান্তে এক নারী কল ধরেন। তবে তিনি পরিচয় জানাতে চাননি। ওই নারী জানান, ফ্ল্যাটটির মালিক মহিউদ্দিন বাচ্চু। এটা ভাড়া দেওয়া হবে। তিন বেডের ফ্ল্যাটটির ভাড়া ২২ হাজার টাকা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওসি তো এখনো এই ভবনে থাকছেন। তিনি বাসা ছেড়ে যাননি। ওনাদের ফ্ল্যাটটি সপ্তম তলায়। এর ওপরে অষ্টম তলা আমাদের ফ্ল্যাট বাসা, যেটা ভাড়া দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে খুলশী থানার ওসি রুবেল হাওলাদার বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা। আপনারা সত্যতা যাচাই করে দেখুন। ফ্রি-তো দূরের কথা। আমি ওনার (মহিউদ্দিন বাচ্চু) বাসায় ভাড়াও থাকি না। আমি অন্য জায়গায় থাকি। আমার বাসার মালিকও ভিন্ন।

কোথায় থাকেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি তা এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আপনি থানায় আসেন। আমি সব বলব।

তিনি আরও বলেন, একটি চক্র এই ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এখানে কারো না কারো স্বার্থ রয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু এমপি এ বিষয়ে বলেন, একজন এমপি কি কোনো ওসিকে ফ্রি ঘর ভাড়া দিয়ে থাকতে দেবেন? এটা কি সম্ভব? এখানে অনেকের অ্যাপার্টমেন্ট আছে। কিছু অ্যাপার্টম্যান্ট বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। কেউ হয়তো ওনাকে ভাড়া দিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু আমি কোনো ওসিকে ঘর ভাড়া দিইনি বা ফ্রি-তে থাকতে দিইনি।

এদিকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে মঙ্গলবার এক আদেশে খুলশীসহ চার থানার ওসিকে বদলির আদেশ দিয়েছে ইসি। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

খুলশী ছাড়া বাকি চার থানা হলো, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া। এসব থানার ওসিদের মেট্রোপলিটন ও জেলা ইউনিটের বাইরে অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।