খুঁজুন
শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিংবদন্তী ফুটসাল কার্নিভ্যাল ও উইন্টার ফেস্টিভ্যাল উদযাপিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৭:১১ অপরাহ্ণ
কিংবদন্তী ফুটসাল কার্নিভ্যাল ও উইন্টার ফেস্টিভ্যাল উদযাপিত

কিংবদন্তী ফুটসাল কার্নিভ্যাল-এর দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জয় করেছে “নাইন্টি’স মাস্টারমাইন্ড”। দিনের শেষ ভাগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উইন্টার ফেস্টিভ্যাল উদযাপন করা হয়।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর গ্রীন ভিল আউটডোর’স মাঠে দিনব্যাপি এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়

ফুটসাল কার্নিভ্যালে দশটি দল নিয়ে রাউন্ড রবিন লীগ ফরম্যাটে আয়োজনটি সম্পন্ন হয়। ফাইনালে “নাইন্টি’স মাস্টারমাইন্ড” দল “টিম মাইটি সিক্সারস”-কে ট্রাইবেকারে ১-০ গোলে পরাজিত করেন।

আয়োজনের সেরা খেলায়াড়ের পুরস্কার পান “টিম মাইটি সিক্সারস”-এর ইফতেখার রাসেল এবং সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পায় “নাইন্টি’স মাস্টারমাইন্ড”-এর সানোয়ার হোসেন বাবু।

আয়োজনে চ্যাম্পিয়ন দল প্রাইজ মানি হিসেবে ৪০ হাজার টাকা ও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এবং রানার্সআপ দল ২৫ হাজার টাকা ও রানার্সআপ ট্রফি গ্রহণ করেন।

এই আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা ফুটবলার মোহাম্মদ কায়সার হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ফুটসাল কার্নিভ্যালের টাইটেল স্পন্সর ছিলেন “রংপুর স্টিল” এবং কো-স্পন্সর ছিল “রোভার ট্রাভেলস”।

ফুটসাল কার্নিভ্যালে শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন মনোমগ্ধু কর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উপস্থিত সকলে নব্বই-এর দশকে ফিরে যায়।

বিভিন্ন স্টলে শীতের পিঠা ও বাহারি খাবার পরিবেশন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে এসএসসি ২০০০ ব্যাচের প্রায় ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্বজন’রা উপস্থিত ছিল।

আমরাই কিংবদন্তী (এসএসসি ২০০০ এবং এইচএসসি ২০০২) একটি অনলাইন ভিত্তিক ফেসবকু গ্রুপ, যেখানে সারা বাংলাদেশের
এসএসসি ২০০০ এবং এইচএসসি ২০০২ সালের ছাত্র-ছাত্রীদের একত্র করে একক প্ল্যাটফর্মে এনে মানব কল্যাণে কাজ করার প্রয়াসে এগিয়ে চলেছে। বন্ধুদের একত্রিত করে সামাজিক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করা। দেশজুড়ে বন্ধুদের অংশগ্রহনে আয়োজিত এই ফুটবল খেলার মাধ্যমে নিজেদের ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে মানব কল্যাণে কাজ করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য যে “মানবতার কল্যাণে কিংবদন্তী সবখানে” এই নীতিকথা থেকেই ১৫ই নভেম্বর ২০১৭ থেকে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ৫০ হাজার সদস্যের অনলাইন পরিবারটি আগামীর পথে এগিয়ে চলছে। এই অনলাইন গ্রুপের মানবিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতেই “আমরাই কিংবদন্তী ফাউন্ডেশন” ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয়।

এই গ্রুপটি এর আগেও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল; তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে দেশ
জুড়ে পরিছন্নতা ও জনসচেতনতা, প্রতিবন্ধী শিশুদের সহায়তা কার্যক্রম, ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ ও খাবার বিতরণ, বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ এবং রক্তদান কর্মসূচীসহ বিবিধ কার্যক্রম।

একটি অনলাইন ভিত্তিক গ্রুপ হয়েও বন্ধুরা শুধু অনলাইনেই সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের, সমাজের বিভিন্ন কাজে এগিয়ে এসেছে বন্ধুদের গ্রুপটি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সমাজের কিছু সচেতন সু-নাগরিক, যারা এই গ্রুপটিকে প্রতিনিয়ত ভালো কাজে উৎসাহ দিচ্ছে।

ধারাবাহিক ভাবে গ্রুপের পিছিয়ে পড়া সদস্যসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের অসহায় মানুষদের পাশে চিকিৎসা সেবা সহ সকল মৌলিক সেবা পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করছে এই গ্রুপের সদস্যরা।

Feb2

জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন। জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বঙ্গভবনে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মের অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, গৌতম বুদ্ধের মানবতা, সাম্য ও অহিংসার বাণী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’− মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন।’ তিনি আরও বলেন, জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সবাইকে ধৈর্য্য, সংযম এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা আগত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ধর্ম সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল : তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল : তারেক রহমান

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের স্ত্রীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকদের আমরা ১০ হাজার ঋণ মওকুফ করেছি। কৃষকদের কার্ডের বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারা সমুন্নত রেখে শ্রমিকদের একাধিক সমাবেশে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

সাহাবুদ্দিন বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রম নীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের নতুন যুগের সূচনা করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন ও শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ শ্রমিকের অধিকার, কর্মসংস্থান ও কল্যাণের ভিতকে আরও বিস্তৃত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার দেশের আপামর শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ, ন্যায্য অধিকার রক্ষা, শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। দেশের শিল্প-কলকারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, সভ্যতা ও উন্নয়নকে বেগবান ও সমৃদ্ধ করছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিশাল রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে অর্জিত আয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির প্রাণশক্তি।

তিনি বলেন, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুসারে শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনার সবগুলোই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ শিল্প-কলকারখানা চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি পাটকল চালু করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শ্রমিক ও মালিকের পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ কর্মপরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই শিল্প উন্নয়ন ও সুরক্ষিত কর্মসংস্থান দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শ্রম খাতে শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখা এবং শ্রমিক-মালিকের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে এই সরকার সচেষ্ট।