খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উরুগুয়েকে রুখে দিলো সৌদি আরব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
উরুগুয়েকে রুখে দিলো সৌদি আরব

গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শুরু করেছিল সৌদি আরব। এবারও উরুগুয়ের বিপক্ষে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে সমতা ফেরায় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। উরুগুয়ের বিপক্ষে এক পয়েন্ট পাওয়ায় পরের পর্বে পথ সহজ হলো সৌদির।

ম্যাচের আগে শক্তির বিচারে স্পষ্ট ফেবারিট ছিল উরুগুয়ে। তবে সৌদি আরব আবারও দেখাল, বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় দলকে চাপে ফেলতে তারা জানে। প্রথমার্ধে বেশ গোছানো ফুটবল খেলেছে সৌদি আরব। এর পুরস্কারও পেয়ে যায় তারা ৪১ মিনিটে।

কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে প্রথমে শক্তিশালী হেড করেছিলেন হাসান আল তামবাকতি। তবে বলটি নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। তার হাত ফসকে বল বেরিয়ে গেলে সুযোগটি কাজে লাগাতে ভুল করেননি ডিফেন্ডার আবদুলেলাহ আল–আমরি। কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে সৌদি আরবকে এগিয়ে দেন তিনি।

বিরতির পর সমতায় ফেরার জন্য আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ডারউইন নুনিয়েস, ফেদেরিকো ভালভার্দে ও মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোদের একের পর এক আক্রমণ সৌদি রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে রাখে এশিয়ার দলটি।

ম্যাচের ৭০ মিনিট পার হওয়ার পরও ১–০ গোলে পিছিয়ে ছিল উরুগুয়ে। কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। তখন মনে হচ্ছিল, ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারানোর পর বিশ্বকাপে আরেকটি বড় অঘটনের গল্প লিখতে যাচ্ছে সৌদি আরব।

তবে ম্যাচের ৮০ মিনিটে স্বস্তির গোল পেয়ে যায় উরুগুয়ে। মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর কল্যাণে সমতায় ফেরে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। আক্রমণের ধারাবাহিক চাপের ফল হিসেবে পাওয়া ওই গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১–১।

শেষ সময়ে দুই দলই জয়ের জন্য চেষ্টা চালালেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে সৌদি আরবের স্বপ্নভঙ্গ হলেও উরুগুয়েকেও সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে এক পয়েন্ট নিয়েই। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

Feb2

মামলা হলেও গ্রেপ্তার হননি পুলিশের দুজন, ধরাছোঁয়ার বাইরে ওসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
মামলা হলেও গ্রেপ্তার হননি পুলিশের দুজন, ধরাছোঁয়ার বাইরে ওসি

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ডিবি পরিচয়ে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনায় মামলা হলেও এখনো গ্রেপ্তার হননি মামলার দুই আসামি পুলিশের দুজন। ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা খুলশী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান রয়েছেন একেবারে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাকে শুধু দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একজন আসামিকে আটক দেখানো হলেও বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।

আইনজীবীরা বলছেন, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগে থানায় মামলা হলে সাধারণত তদন্তকারী সংস্থা আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অভিযোগের গুরুত্ব, মামলার ধারা এবং তদন্তের স্বার্থে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে। আবার কোনো আসামি চাইলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করতে পারেন। কিন্তু নাঈম হাসানকে মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও হেনস্তার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এই দুই প্রক্রিয়ার কোনোটিই দেখা যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের বাহিনীর সদস্য হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। শুধু বিভাগীয় তদন্তের কথা বলে বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে। অথচ ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, এটি শুধু শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা নয়; বরং ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ।

ঘটনার শুরু হয় শুক্রবার রাতে। প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। রাতে নগরের লালখান বাজার ফ্লাইওভারের মুখে তার বহনকারী সিএনজিটি থামায় কয়েকজন ব্যক্তি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক সোনা চোরাচালানের একটি চালান আটকের তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল। খুলশী থানার তৎকালীন ওসি আরিফুর রহমানের নির্দেশে এসআই শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সোর্স ওই অভিযানে অংশ নেন। বিমানবন্দরে থাকা একটি সোর্সের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি সিএনজি থামানো হয়। ওই সিএনজিতে থাকা নাঈমকে প্রথমে সন্দেহ করা হয়। পরে পরিচয় জানালেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

নাঈমের অভিযোগ, তাকে ডিবি পরিচয় দিয়ে গাড়ি থেকে নামানো হয়। পরে জোর করে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করলেও পুলিশ সদস্যরা তাকে ছেড়ে দেননি। ঘটনাস্থলে থাকা এসআই শফিকুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি এক সোর্সও নাঈমকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি ওসি আরিফুর রহমানকে জানানো হলে তার নির্দেশেই নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

থানায় নেওয়ার পরও নাঈম নিজের পরিচয় দেন এবং পরিচয়পত্র দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপরও তাকে হয়রানি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল ও পরিচালক ইসরাফিল খসরুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন নাঈম। তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শনিবার সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা করেন। মামলায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও পুলিশ সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়। অভিযোগে মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও বেআইনিভাবে আটকে রাখার বিষয় উল্লেখ করা হয়। মামলার পর অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় সিএমপি। এছাড়া এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেল প্রত্যাহার করা হয়। তবে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এছাড়া ঘটনার মূল নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযোগ ওঠা ওসি আরিফুর রহমানকে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নাঈম নিজে এবং তার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, নাঈমকে থানায় নেওয়ার নির্দেশ ও পরবর্তী হেনস্তার ঘটনায় ওসির ভূমিকা ছিল। তবে ওসি আরিফুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, অভিযানের বিষয়ে তাকে জানানো হয়নি। এসআই শফিকসহ তার টিম নাঈমকে থানায় নিয়ে আসার পর তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং পরিচয় নিশ্চিত হয়ে ছেড়ে দেন। তার অনুমতি ছাড়া অভিযানে যাওয়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী নাঈমের বাসায় গিয়ে বলেন, পুলিশ সদস্যরা চরম অপেশাদার আচরণ করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) বলেন, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তরা সাসপেন্ড হয়েছে। এটি ডিপার্টমেন্টের বিষয়। ডিপার্টমেন্ট ও আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খান বলেন, পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কোনো ফৌজদারি মামলার বিকল্প হতে পারে না। কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকের মতোই ফৌজদারি অভিযোগে মামলা হলে আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার আসামি হন, তাহলে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। শুধু প্রত্যাহার বা বিভাগীয় তদন্ত করে বিষয়টি শেষ করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, এখানে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো— যাদের বিরুদ্ধে মারধর ও বেআইনি আটকের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের একজনকে আটক করা হলেও অন্যরা এখনো বাইরে রয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয় যে, একই বাহিনীর সদস্য হওয়ায় কেউ কেউ বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ওসির বিরুদ্ধে যদি তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। তাকে শুধু দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং এটি একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আত্মঘাতী গোলে জয় হাতছাড়া মিশরের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
আত্মঘাতী গোলে জয় হাতছাড়া মিশরের

জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও তা ছোঁয়া হলো না মিশরের। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেললেও এক ভুলেই দুই পয়েন্ট হারাতে হলো তাদের! মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে ১-১ সমতায় থেকে ম্যাচ শেষ হয়।

ম্যাচের শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় মিসরকে। মোহাম্মদ সালাহকে সামনে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় তারা। অন্যদিকে রোমেলু লুকাকুকে ছাড়াই মাঠে নামে বেলজিয়াম। ম্যাচের ১৯ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে বেলজিয়ামের জাল কাঁপান ইমান আশুর। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি তার প্রথম গোল, আর সেটিই বিশ্বকাপের মঞ্চে মিসরকে এগিয়ে দেয়।

গোলের পর আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে মিসর। বেলজিয়াম বলের দখল বেশি রাখলেও আফ্রিকার দলটির সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। ফলে ১–০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় তারা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো ম্যাচে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মিসর।

বিরতির পর ম্যাচে সমতা ফেরানোর জন্য চাপ বাড়ায় বেলজিয়াম। ৫৩ মিনিটে প্রায় গোল পেয়েই গিয়েছিলেন কেভিন ডি ব্রুইনা। ফ্রি-কিক থেকে তার দারুণ শট গিয়ে আঘাত হানে মিসরের পোস্টে। ভাগ্য সহায় হলে হয়তো তখনই সমতায় ফিরতে পারত ইউরোপের দলটি।

তবে অপেক্ষা খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে অবশেষে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম, যদিও গোলটি আসে কিছুটা অপ্রত্যাশিতভাবে। বদলি হিসেবে মাঠে নামা রোমেলু লুকাকুকে ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন মিসরীয় ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি।

আত্মঘাতী ওই গোলেই ১–১ সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। চলতি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় আত্মঘাতী গোল। দীর্ঘ সময় এগিয়ে থাকার পর এক মুহূর্তের ভুলে মিসর হারায় তাদের মূল্যবান লিড, আর নতুন করে জমে ওঠে ম্যাচের লড়াই।

জেএন/এমআর

শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

জার্মানির মতোই হয়তো গোলোৎসব দেখতে আটালান্টায় হাজির হয়েছিলেন স্পেনের দর্শক-সমর্থকরা। কিংবা বোকাবাক্সে চোখ রেখেছিলেন স্বশরীরে আটলান্টা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে না দর্শকরা।

কেননা এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্পেন প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে অভিষিক্ত কেপ ভার্দেকে। সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে অনভিজ্ঞ কেপ ভার্দের ফিফা র‌্যাংকিং ৬৭তম। বিপরীতে ২০১০ সালে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের বর্তমান পজিশন ২। ইতিহাস, শক্তি-সামর্থ বিবেচনায় তাই অসম লড়াই হওয়ার কথা ছিল।

তবে মাঠের খেলায় তার দেখা মিলল কই।
পরিসংখ্যানে অবশ্য অসম লড়াইয়েরই ইঙ্গিত দিবে। তবে ২৭ শট নেওয়ার পরেও ‘সোনার হরিণের’ দেখা পায়নি স্পেন। ডিফেন্ডিং ইউরো জয়ীদের সামনে ‘চীনের মহাপ্রাচীর’ হয়ে দাঁড়ান কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।

কমপক্ষে ৭টি সেভ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে বাস পার্কিং কৌশলও দারুণ কাজে দিয়েছে কেপ ভার্দের। বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়েছে তারা। কোনো বল নিজেদের জালে জড়াতে দেয়নি কেপ ভার্দে।