খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের খাবার ও চায়ের প্রশংসা স্বস্তিকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের খাবার ও চায়ের প্রশংসা স্বস্তিকার

গত মাসে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে বাংলাদেশে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওপার বাংলার প্রখ্যাত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর ও মমতা শংকর।

ঢাকা থেকে কলকাতায় ফিরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাটানো সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এই তারকা। যেখানে স্বস্তিকার মুখে শোনা গেছে শেখ হাসিনা ‘বন্দনা’।

নিজ ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে স্বস্তিকা লিখেছেন, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ম্যামের সঙ্গে দেখা করার আমন্ত্রণ ছিল আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনে এক ঘণ্টা কাটানো ছিল অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। এতটা সম্মান আগে কখনও পাইনি।

অভিনেত্রী লেখেন, এদিন আমার সঙ্গে ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর ম্যাম, মমতা শংকর এবং ডক্টর সোহিনী ঘোষ। তাদের মতো ব্যক্তিত্বদের পাশে দাঁড়াতে যেন আমার অস্বস্তি লাগছিল। একই সঙ্গে খুব গর্বও হচ্ছিল।’

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের খাবার ও চায়ের প্রশংসা করে স্বস্তিকা লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আমরা ঢাকার সবচেয়ে সুন্দর রান্না খেয়েছি। আর খেয়েছি দারুণ একটা চা। যে চা খেয়ে আমি অবাক হয়েছিলাম। কারণ এরকম চা আমি আগে কোনোদিন খাইনি।

স্বস্তিকা আরও লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথাগুলো ছিল নম্র এবং মার্জিত। মনে হচ্ছিল উনি শুধু বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী নন, একজন মা। উনি আমাদের সঙ্গে একজন মায়ের মতো কথা বলছিলেন। তার সন্তানদের নিয়েও অনেক গল্প করেছেন। এ সময় মা-বাবাকে খুব মিস করছিলাম। তারা যদি আমাকে আজ এখানে দেখতে পেত, খুব খুশি হতো। এই বিশেষ দিনের অংশ হওয়া, আমার জন্য ছিল খুব আনন্দের।

গত ২৪ জানুয়ারি বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে তারকারা শেখ হাসিনার সঙ্গে চলচ্চিত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন বলে নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার।

স্বস্তিকা, শর্মিলা ছাড়াও এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক শাহরিয়ার আলম ও রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…