খুঁজুন
, ,

কেএসআরএম নবীন তিন স্থপতিকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 January, 2020, 5:39 pm
কেএসআরএম নবীন তিন স্থপতিকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : ভবিষ্যৎ স্থপতিদের উৎসাহ দিতে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস: বেস্ট আন্ডারগ্র্যাজুয়েট থিসিস’ শিরোনামে কর্মসূচির আওতায় নবীন স্থপতিদের অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে কেএসআরএম।

১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেরা গবেষণাপত্রের প্রকল্প প্রদর্শনীর পর জুড়ি বোর্ডের বিচার বিশ্লেষনের পর এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়।

কেএসআরএম ও আইএবি’র যৌথ উদ্যোগে সেরা গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে প্রকল্প প্রদর্শনের পর বিজয়ী নবীন স্থপতিদের এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি কেএসআরএম’র সাথে আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে ২৫ থেকে ২৭ ডিসেম্বর তিনদিনব্যাপী প্রকল্প প্রদশর্নী অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আইবি’র অধিভুক্ত দশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনটি করে মোট ৩০টি সেরা গবেষণাপত্র প্রকল্প আকারে প্রদর্শন করা হয়। এরমধ্যে সেরাদের সেরা নির্বাচিত করা হয় তিন অংশগ্রহণকারীকে।

একটি অভিজ্ঞ ও উচ্চ পর্যায়ের জুড়ি বোর্ড আধুনিক স্থাপত্য শৈলীর দুরদর্শিতা ও মেধা প্রকাশের ভিত্তিতে তাদের নির্বাচিত করেন।
বিভিন্ন প্রকল্প প্রদর্শন শেষে বিজ্ঞ জুড়ি বোর্ডের বিবেচনায় সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ৩জন। এরমধ্যে প্রথম হয়েছেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির মো. আরমান আলম, দ্বিতীয় হয়েছেন আহছান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃষ্টি সরকার ও তৃতীয় হয়েছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রহমান গোলাম মাহমুদুর।

এছাড়া ফাহিম হাসান ও শরীফুল আলমকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার। বিজয়ীদের হাতে অর্থ পুরষ্কার, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন অতিথিরা।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, কেএসআরএম’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান, পরিচালক সারোয়ার জাহান, আইএবি’র প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদ এফআইএবি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, একুশে টেলিভিশনের সিইও মনজুর আহসান বুলবুল, বাংলানিউজ ২৪.কম-এর সম্পাদক জুয়েল মাজাহার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপূর্তমন্ত্রী রেজাউল করিম বলেন, সব ক্ষেত্রে নবীনদের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। নিরলস প্রচেষ্টা থাকলে তারা বিকশিত হতে পারবে। সময় এসেছে স্কোর ভিত্তিক স্ক্যানিংয়ের। সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন হলেও নৈতিকতা ও মূল্যবোধের উন্নয়ন হয়নি। সবকিছু মিলিয়ে আমরা একটি অনাকাঙ্খিত ব্যবস্থার মধ্যে বিরাজমান রয়েছি। সেই ব্যবস্থার মধ্য থেকে উত্তরণের জন্য আমরা যারা অবিরাম পরিশ্রম করে চলছি, তারমধ্যে আপনারাও (স্থপতি) আছেন।

বিশেষ অতিথি উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, স্থপতিদের জন্য দেশের প্রতিষ্ঠিত শিল্পগোষ্ঠীরা উদ্যোগ নিলে আমাদের সন্তানরা আরও উৎসাহী হবেন। আমাদের স্থাপনা হতে হবে টেকসই, সৃজনশীল ও পরিবেশসম্মত। আমি বিশ্বাস করি এটি সম্ভব হবে, আমরা যে নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি সেখানে আপনাদের সৃজনশীলতা প্রতিফলিত হবে।

অনুষ্ঠানে তরুণ স্থপতিদের উদ্দেশ্যে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থপতি ইকবাল হাবিব। তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নে তিনটি বিষয় (অর্থনীতি, পরিবেশ, সাম্য) জরুরি। সেটা হচ্ছে না। উন্নয়ন হচ্ছে শুধু অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও শারীরিকভাবে সবলদের। নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের কোনো সুযোগ নেই।কেএসআরএম তিন স্তপতিকে অ্যওয়ার্ড প্রদান ২

ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ’র (আইএবি) সভাপতি জালাল আহমেদ বলেন, কেএসআরএম-আইএবির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নতুন পেশায় আগত সৃষ্টিশীলদের স্থাপত্য শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।

কেএসআরএম স্টিল প্ল্যান্টের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান বলেন, আমরা যারা স্টিল সেক্টরে কাজ করি, সব সময় পণ্যের কোয়ালিটি নিশ্চিত করা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। এখানে সৌন্দর্য দেখানোর কোনো জায়গা নেই। কিন্তু যারা আমাদের পণ্য ব্যবহার করেন।

কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে কিছু একটা বানান। বাড়ি, ফ্যাক্টরি এমনকি আমাদের দেশের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো। এসব বানানোর পেছনে মানুষের অনেক আবেগ, অনেক স্বপ্ন থাকে। আমাদের পরিশ্রম আর সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষের স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটায় আমাদের আর্কিটেক্টসরা।

তাই ভাবলাম যারা আমাদের বাড়ি-ঘর ও অন্যান্য স্থাপনার সৌন্দর্য উপহার দিচ্ছেন তাদের ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। আর যদি ধন্যবাদ দিতেই হয়, এমন কিছু একটা করে দেওয়া উচিত, যার দীর্ঘ মেয়াদী অর্থবহ প্রভাব থাকবে। তাই আমরা আইএবির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভবিষ্যতের আর্কিটেক্টদের উৎসাহ দেওয়ার এ আয়োজন করেছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের উপদেষ্টা (বিক্রয় ও বিপণন) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহিদুর রহমান, বিক্রয় ও গবেষণা বিভাগের প্রধান কর্নেল আশফাকুল ইসলাম, মিডিয়া অ্যাডভাইজর মিজানুল ইসলাম।

আইএবির সহ সভাপতি (জাতীয়বিষয়াদি) স্থপতি মামনুন মুরশেদ চৌধুরী, আইএবির সম্পাদক (শিক্ষা) স্থপতি এম আরেফিন ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ, কেএসআরএমের ব্র্যান্ড বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান, এহসান রহমান, সিনিয়র কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান, মিজান-উল-হক, সাদ হোসেন, মিঠুন বড়ুয়া প্রমুখ।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।