খুঁজুন
, ,

চটগ্রামে একদিন দেশের সবচেয়ে বড় ক্যান্সার হাসপাতাল হবে: আমীর খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 3 May, 2025, 7:27 pm
চটগ্রামে একদিন দেশের সবচেয়ে বড় ক্যান্সার হাসপাতাল হবে: আমীর খসরু

চট্টগ্রামে একদিন পুরো দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্যান্সার হাসপাতাল হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, কারো যদি ক্যান্সার হয় তাহলে এটা পরিবারের সমস্ত মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। আর্থিকভাবে ধ্বংস করে দেয় এবং পরিবারের সুখ বলতে আর কিছু থাকে না।

তিনি শনিবার (৩ মে) দুপুরে নগরীর আগ্রাবাদস্থ চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে দৈনিক আজাদীর সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ক‌্যান্সার ইন‌স্টি‌টিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টারের মা‌লেকা খাতুন অন‌কোল‌জি ওয়া‌র্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথ‌া ব‌লেন।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি আমীর হুমায়ূন মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক লায়ন গভর্নর কামরুন মালেক, লায়ন রুপম কিশোর বড়ুয়া, দৈনিক আজাদীর নির্বাহী সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক, স্বাগত বক্তব্য রাখেন মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ, ক্যান্সার ইন্সটিটিউশনের সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করেন ডা. শেফাতুজ্জাহান।

আমীর খসরু বলেন, ক্যান্সার রোগী এবং তার পরিবারকে স্বস্তি দেওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে, তাদের আশ্বস্ত করতে হবে যে চিন্তার কিছু নেই। এখন কিছুটা হলেও ক্যান্সারের চিকিৎসা আছে।

সময়মতো চিকিৎসা নিলে ক্যান্সার সারানোর উপায় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন সুবিধা হয়েছে যে, আগে মানুষের ক্যান্সার হলে চিকিৎসা ছিল না। কিন্তু এখন সময়মতো যদি চিকিৎসা নেওয়া যায় তাহলে রোগ কিছুটা সারানো সম্ভব। সেই জন্য চট্টগ্রামে আজকে যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এটা অনেক বড় একটা উদ্যোগ। বড় একটা কর্মযজ্ঞ। আমি নিশ্চিত, যে জিনিসটা শুরু হয়েছে একটা ভালো উদ্যোগের মাধ্যমে এটা অনেক উপরে যাবে।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের এক সময় গিয়ে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে চট্টগ্রাম সবচেয়ে বড় ক্যান্সার হাসপাতাল হতে পারে। এটার সুযোগ আছে। কারণ, ইচ্ছে এবং নিবেদিত প্রাণ থাকলে মানুষ যেটা চায় সেটাই হয়। কেননা অনেক দেশে এসব ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে হয়েছে।

যতটুকু প্রয়োজন তা করতে পারেননি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমি মনে করি, আমরা এখানে যতটুকু করার প্রয়োজনীয়তা ছিল তা করতে পারিনি। কারণ, এ ধরনের একটা বিরাট কর্মযজ্ঞ এখানে কিন্তু একা করা যায় না। এখানে সহযোগী শক্তি সবচেয়ে বড়। আজকে মালেকা খাতুন অনকোলজি যেই ওয়ার্ড চালু হলো, এটার উদ্যোগ অনেক বড়।

আগে বলা হতো চট্টগ্রামে কোনো চিকিৎসা নেই, সেটা অনেক দুঃখের বিষয় ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সম্পর্কে যখন চিকিৎসার কথা বলা হয়, প্রথম কথা সবাই বলে ওখানে কোনো চিকিৎসা নেই। ঢাকা, ইন্ডিয়া, থাইল্যান্ড যাও, চট্টগ্রামে কোনো চিকিৎসা নেই। এ কথাটা যে শুনতে হয়, এরচেয়ে দুঃখের আর বেশি কিছু নেই৷ কারণ আমাদের চট্টগ্রামের মানুষ খুব দয়াবান মানুষ। যদিওবা আমাদের সংস্কৃতিতে চ্যারিটিটা বেশি করতে পারি নাই, শিখি নেই, কালচারে নেই। দুভার্গ্যবশত হলেও এটা সত্য কথা।

তিনি আরো বলেন, তবে চ্যারিটির মাধ্যমে যে জনসেবা, ওই যে রিলিফের পণ্য দেওয়া, রমজানে শাড়ি দেওয়া, এগুলো ব্যক্তিগতভাবে হয়তো ঠিক আছে। কিন্তু এগুলো খুবই ছোটখাটো ব্যাপার৷ সমাজকে যদি সেবা করতে চাই, তাহলে আমাদের ফোকাসটা হতে হবে অনেক বড়। কাজের মাধ্যমে সমাজ যেখানে সার্বিকভাবে উপকৃত হবে। বিশেষ করে সমাজের নিম্নআয়ের মানুষ কিভাবে উপকৃত হবে, সেখান থেকেই শুরু করতে হবে।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্যোগটাও কিন্তু সেই জাযগা থেকে শুরু হয়েছিল। সাধারণ মানুষ যারা চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারে না, তাদের জন্যই এ হাসপাতাল চিকিৎসা সেবা হিসেবে শুরু করা হয়েছিল। এবং সেই চিন্তাভাবনা, ধ্যান-ধারণা অব্যাহত রাখতে হবে।

এতে উপস্থিত ছিলেন মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সহ সভাপতি আবদুল মান্নান রানা, ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীর, ডোনার জয়েন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাগির, দাতা সদস্য হারুন ইউছুপ, নির্বাহী সদস্য তরিকুল ইসলাম তানভীর, অধ্যাপক ডা. আব্বাস উদ্দিন, সাইফুল আলম, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, আবুল হাশেম প্রমূখ।

এছাড়া আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত শুক্রবার বিকেলে আগ্রাবাদ শান্তিনগর, রঙ্গিপাড়া, মোল্লাপাড়া, দাইয়াপাড়া এলাকা পরিদর্শন করে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহবায়ক এস এম ফরিদুল আলমের বড় ভাই ও ডবলমুরিং থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক বজল আহমেদের পিতার মৃত্যুর সংবাদ শুনে তাদের বাসায় যান। তাদের সার্বিক খোজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:11 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’