খুঁজুন
, ,

সরকার সংলাপের নামে আগামি নির্বাচনের ভোট চুরির আলোচনা করছেঃ আমির খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 January, 2022, 10:00 pm
সরকার সংলাপের নামে আগামি নির্বাচনের ভোট চুরির আলোচনা করছেঃ আমির খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশ এমন এক প্রেক্ষাপটে উপনীত হয়েছে যেখানে কোন গণতন্ত্র নেই। সরকসর ৫ জানুয়ারী গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া এখনো পরিপূর্ণ মুক্তি দেনি। তিনি এখন মারাত্মক অসুস্থ। সংবিধানে যেখানে সবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, সেখানে বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা সেবা থেকে বি ত করেছে সরকার।

তি‌নি আজ বুধবার (৫ জানুয়ারী) ২০২২ ইং বিকা‌লে চট্টগ্রাম প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে গণতন্ত্র হত‌্যা দিবস উপল‌ক্ষ্যে কেন্দ্রঘো‌ষিত চট্টগ্রাম মহানগর ও দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পি আ‌য়ো‌জিত মানববন্ধন কর্মসূ‌চিতে প্রধ‌ান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব‌্য রা‌খেন।

পূর্ব‌নির্ধারিত মানববন্ধন কর্মসূ‌চি বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও তারই আ‌গে ৪১ টি ওয়ার্ড় থেকে মিছিলে প্রেসক্লাব চত্তর কানায় কান‌ায় পূর্ণ হ‌য়ে যায়। এরই মা‌ধ্যে পু‌লিশ নেতাকর্মী‌দের উপর লা‌ঠি চার্জ কর‌লেও নেতাকর্মীরা প্রতি‌রোধ ক‌রে মানবন্ধন কর্মসূ‌চি চল‌তে থা‌কে। একপর্যা‌য়ে মানববন্ধন কর্মসূ‌চি সমা‌বে‌শে প‌রিণত হয়।

আ‌মীর খসরু ব‌লেন, আমাদেরকে এমন কঠিন প্রেক্ষাপট মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সামনের সময়গুলো যে কতো কঠিন হবে তা অনুধাবন করা যায়। তবে এটা শুধু বিএনপির সমস্যা নয়। দেশের মানুষের সমস্যা। দেশের গণতন্ত্র মুক্তির সংগ্রামে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীকে এগিয়ে আসতে হবে। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী থেকে আজ পর্যন্ত দেশের মানুষ দিনটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস মনে করে। মন থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়, আমরাও দেশের মাবুষের মুক্তির কথা বলতেছি। আজকের এই তার প্রমান। আজকে এই সরকারের বিরোধে ঐক্যবোধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আমীর খসরু আ‌রো ব‌লেন, যারা ২০০৮ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, যারা ২০১৪ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, যারা ২০১৮ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, আগামী দি‌নের নির্বাচ‌নে ভোট চু‌রির আ‌লোচনা চল‌ছে। এই ভোট চোর‌দের আ‌লোচনায় কি‌ছু উচ্ছিষ্ট রাজ‌নৈ‌তিক দল ভোট‌চোর‌দের থে‌কে উচ্ছিষ্ট খাবার খাওয়ার জন‌্য ঘুরঘুর কর‌ছে। এই ভোট‌চোর‌দের এবার রুখ‌তে হ‌বে, এই ভোট‌চোর‌দের দা‌বি‌য়ে দি‌তে হ‌বে বাংলা‌দেশ।বাংলা‌দেশ‌কে ফেরত নি‌তে হ‌বে। বাংলা‌দেশ‌কে উদ্ধার কর‌তে হ‌বে। বাংলা‌দে‌শের আত্না‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে। এই ভোট চোর‌দের হাত থে‌কে বাংলা‌দে‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে। এই যে আ‌ন্দোল‌নের গণ‌জোয়ার উ‌ঠে‌ছে সে আ‌ন্দোল‌নে ভোট‌ চোররা ভে‌সে যা‌বে। কোন অ‌স্তিত্ব থাক‌বে না। সাবাই‌কে ঐক‌্যবদ্ধ ভা‌বে এ‌দের‌কে পরা‌জিত কর‌তে হ‌বে। আজ‌কে শুধু দে‌শে নয় বি‌দে‌শি‌দের কা‌ছেও ওরা ধরা প‌ড়ে‌ছে। পালা‌নোর জায়গা পা‌বেনা। আজ‌কে দে‌শে বি‌দে‌শে সবাই পর্য‌বেক্ষন কর‌ছে ভোটচু‌রির সা‌থে কারা কারা জ‌ড়িত। আজ‌কে যে আ‌ন্দোলন শুরু হ‌য়ে‌ছে দে‌শে বি‌দে‌শে, তা অব‌্যহত রে‌খে দেশ‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২০১৪ সালের রকিব উদ্দিন কমিশনার ও ২০১৮ সালে সালের নুরুল হুদা কমিশনারের অধীনে ভোট ডাকাতির নির্বাচন হয়েছিল। তারা সবাই রাস্ট্রপতির সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত। কাজেই যারা এই সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সবাই ভোট ডাকাতির সাথে জড়িত। এই সরকার আরও একটি ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে। সুতরাং এই ধরনের কোনো সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এই দেশের মানুষ মানবেনা। তত্ত¦াবাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। এই সরকারের অধীনে ২০১৪ সালে ও ২০১৮ সালে সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে হয়েছিল। সেই নির্বাচন কমিশন গুলো বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছ। এখনো তারা আবারো চিন্তাভাবনা করছে আরও একটি ভোট ডাকাতির ইতিহাস রচনা করতে । এই ধরনের কোন ভোট ডাকাতির নির্বাচন করে, গণতন্ত্র হত্যা করে এই দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না। হতে দেওয়া হবে না। জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা সোচ্চার। পাশাপাশি আইনের শাসন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রত্যয়।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সদস‌্য স‌চিব আবুল হা‌শেম বক্কর ব‌লে‌ছেন, ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী একতরফা ভোটার‌বিহীন নির্বাচ‌নের মাধ‌্যমে মানু‌ষের গণতা‌ন্ত্রিত অ‌ধিকার হত্যার ক‌রে জগদ্দল পাথ‌রের মত চে‌পে ব‌সে‌ছে বর্তমান ফ‌্যা‌সিবাদ সরকার। আজ দে‌শে ভোটা‌ধিকার, আই‌নের শাসন, মতপ্রকা‌শের স্বাধীনতা নেই। ২০১৪ সা‌লের পর সরকার সর্ব‌ক্ষে‌ত্রে দেশের মানুষের গণতা‌ন্ত্রিক অ‌ধিকার কে‌ড়ে নি‌য়ে‌ছে। স্বাধীন দে‌শে এই যেন পারাধীনতার শৃংখল। দে‌শের প্রতি‌টি নির্বাচ‌নে প্রশাস‌ন ও নির্বাচন ক‌মিশ‌নের যৌথ প্রযোজনায় ভোট ডাকা‌তির মহোৎসব চল‌ছে। দে‌শের জনগন এই ভোট‌চোর‌দের বিরুদ্ধে জে‌গে উ‌ঠে‌ছে। আমরা আজ জনগণের গণতন্ত্র মুক্তি ও গণতন্ত্র মা কে মুক্তির জন্য এইখানে এসেছি। অ‌চি‌রেই দে‌শে গণতন্ত্র, ভোটা‌ধিার প্রতি‌ষ্ঠিত হ‌বে, বেগম খা‌লেদা জিয়ার মু‌ক্তির মাধ‌্যমে জনগণ প‌রিপূর্ণ মু‌ক্তির স্বাদ পা‌বে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হো‌সেন’র সভাপ‌তি‌ত্বে সদস‌্য স‌চিব আবুল হাশেম বক্কর’র প‌রিচালনায় মানববন্ধন কর্মসূ‌চি‌তে বক্তব‌্য রা‌খেন দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পির সা‌বেক সভাপ‌তি ও সা‌বেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পির আহবায়ক আবু সু‌ফিয়ান, মহানগর বিএন‌পির সি‌.যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ‌মিয়া ভোলা, এডঃ আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন কাজী বেলাল উদ্দীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, আব্দুল মান্নান, সদস‌্য এরশাদ উল্লাহ, হারুন জামান, কমিশনার মাহবুবুল আলম, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, নাজিম উ‌দ্দিন আহ‌মেদ, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল,আবুল হাশেম হা‌শেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী সিরাজ উল্লাহ, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম , মহানগর যুবদ‌লের সভাপ‌তি মোশারফ হো‌সেন দিপ্তী, জেলা বিএনপির সদস্য এডভোকেট ইফতেখার মহসিন,জামাল হোসেন ,লায়ন হেলাল উদ্দিন , মোস্তাফিজুর রহমান,নগর স্বেচ্ছা‌সেবক দ‌লের সভাপ‌তি এইচ এম রা‌শেদ খান, ভ‌ারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আ‌লি মুর্তোজা খান, ছাত্রদ‌লের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস‌্য স‌চিব শরীফুল ইসলাম তুহীন, থানা বিএন‌পির সভাপ‌তি মোশারফ হো‌সেন ডেপ‌টি, হাজী হা‌নিফ সওদাগর, সরফরাজ কা‌দের রা‌সেল, ডা. নুরুল আফসার, আবদুস সাত্তার সে‌লিম, মো. সেকান্দর, মোঃ আজম, আবুল্লাহ আল হারুন, থানা বিএন‌পির সাধারণ সম্পাদক,আলহাজ্ব জ‌কির হো‌সেন, সাহাব উ‌দ্দিন, ম‌নির আহমদ চৌধুরী, জ‌সিম উ‌দ্দিন জিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, মঈনউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, নূর হো‌সেন, আবদুল কা‌দের জ‌সিম, হাজী বাদশা মিয়া, হা‌বিবুর রহমানসহ থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।