খুঁজুন
, ,

সরকার সংলাপের নামে আগামি নির্বাচনের ভোট চুরির আলোচনা করছেঃ আমির খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 January, 2022, 10:00 pm
সরকার সংলাপের নামে আগামি নির্বাচনের ভোট চুরির আলোচনা করছেঃ আমির খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশ এমন এক প্রেক্ষাপটে উপনীত হয়েছে যেখানে কোন গণতন্ত্র নেই। সরকসর ৫ জানুয়ারী গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া এখনো পরিপূর্ণ মুক্তি দেনি। তিনি এখন মারাত্মক অসুস্থ। সংবিধানে যেখানে সবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, সেখানে বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা সেবা থেকে বি ত করেছে সরকার।

তি‌নি আজ বুধবার (৫ জানুয়ারী) ২০২২ ইং বিকা‌লে চট্টগ্রাম প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে গণতন্ত্র হত‌্যা দিবস উপল‌ক্ষ্যে কেন্দ্রঘো‌ষিত চট্টগ্রাম মহানগর ও দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পি আ‌য়ো‌জিত মানববন্ধন কর্মসূ‌চিতে প্রধ‌ান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব‌্য রা‌খেন।

পূর্ব‌নির্ধারিত মানববন্ধন কর্মসূ‌চি বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও তারই আ‌গে ৪১ টি ওয়ার্ড় থেকে মিছিলে প্রেসক্লাব চত্তর কানায় কান‌ায় পূর্ণ হ‌য়ে যায়। এরই মা‌ধ্যে পু‌লিশ নেতাকর্মী‌দের উপর লা‌ঠি চার্জ কর‌লেও নেতাকর্মীরা প্রতি‌রোধ ক‌রে মানবন্ধন কর্মসূ‌চি চল‌তে থা‌কে। একপর্যা‌য়ে মানববন্ধন কর্মসূ‌চি সমা‌বে‌শে প‌রিণত হয়।

আ‌মীর খসরু ব‌লেন, আমাদেরকে এমন কঠিন প্রেক্ষাপট মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সামনের সময়গুলো যে কতো কঠিন হবে তা অনুধাবন করা যায়। তবে এটা শুধু বিএনপির সমস্যা নয়। দেশের মানুষের সমস্যা। দেশের গণতন্ত্র মুক্তির সংগ্রামে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীকে এগিয়ে আসতে হবে। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী থেকে আজ পর্যন্ত দেশের মানুষ দিনটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস মনে করে। মন থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়, আমরাও দেশের মাবুষের মুক্তির কথা বলতেছি। আজকের এই তার প্রমান। আজকে এই সরকারের বিরোধে ঐক্যবোধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আমীর খসরু আ‌রো ব‌লেন, যারা ২০০৮ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, যারা ২০১৪ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, যারা ২০১৮ সা‌লে ভোট চু‌রি ক‌রে‌ছে, আগামী দি‌নের নির্বাচ‌নে ভোট চু‌রির আ‌লোচনা চল‌ছে। এই ভোট চোর‌দের আ‌লোচনায় কি‌ছু উচ্ছিষ্ট রাজ‌নৈ‌তিক দল ভোট‌চোর‌দের থে‌কে উচ্ছিষ্ট খাবার খাওয়ার জন‌্য ঘুরঘুর কর‌ছে। এই ভোট‌চোর‌দের এবার রুখ‌তে হ‌বে, এই ভোট‌চোর‌দের দা‌বি‌য়ে দি‌তে হ‌বে বাংলা‌দেশ।বাংলা‌দেশ‌কে ফেরত নি‌তে হ‌বে। বাংলা‌দেশ‌কে উদ্ধার কর‌তে হ‌বে। বাংলা‌দে‌শের আত্না‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে। এই ভোট চোর‌দের হাত থে‌কে বাংলা‌দে‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে। এই যে আ‌ন্দোল‌নের গণ‌জোয়ার উ‌ঠে‌ছে সে আ‌ন্দোল‌নে ভোট‌ চোররা ভে‌সে যা‌বে। কোন অ‌স্তিত্ব থাক‌বে না। সাবাই‌কে ঐক‌্যবদ্ধ ভা‌বে এ‌দের‌কে পরা‌জিত কর‌তে হ‌বে। আজ‌কে শুধু দে‌শে নয় বি‌দে‌শি‌দের কা‌ছেও ওরা ধরা প‌ড়ে‌ছে। পালা‌নোর জায়গা পা‌বেনা। আজ‌কে দে‌শে বি‌দে‌শে সবাই পর্য‌বেক্ষন কর‌ছে ভোটচু‌রির সা‌থে কারা কারা জ‌ড়িত। আজ‌কে যে আ‌ন্দোলন শুরু হ‌য়ে‌ছে দে‌শে বি‌দে‌শে, তা অব‌্যহত রে‌খে দেশ‌কে মুক্ত কর‌তে হ‌বে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২০১৪ সালের রকিব উদ্দিন কমিশনার ও ২০১৮ সালে সালের নুরুল হুদা কমিশনারের অধীনে ভোট ডাকাতির নির্বাচন হয়েছিল। তারা সবাই রাস্ট্রপতির সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত। কাজেই যারা এই সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সবাই ভোট ডাকাতির সাথে জড়িত। এই সরকার আরও একটি ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছে। সুতরাং এই ধরনের কোনো সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এই দেশের মানুষ মানবেনা। তত্ত¦াবাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। এই সরকারের অধীনে ২০১৪ সালে ও ২০১৮ সালে সার্চ কমিটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে হয়েছিল। সেই নির্বাচন কমিশন গুলো বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছ। এখনো তারা আবারো চিন্তাভাবনা করছে আরও একটি ভোট ডাকাতির ইতিহাস রচনা করতে । এই ধরনের কোন ভোট ডাকাতির নির্বাচন করে, গণতন্ত্র হত্যা করে এই দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না। হতে দেওয়া হবে না। জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা সোচ্চার। পাশাপাশি আইনের শাসন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রত্যয়।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সদস‌্য স‌চিব আবুল হা‌শেম বক্কর ব‌লে‌ছেন, ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী একতরফা ভোটার‌বিহীন নির্বাচ‌নের মাধ‌্যমে মানু‌ষের গণতা‌ন্ত্রিত অ‌ধিকার হত্যার ক‌রে জগদ্দল পাথ‌রের মত চে‌পে ব‌সে‌ছে বর্তমান ফ‌্যা‌সিবাদ সরকার। আজ দে‌শে ভোটা‌ধিকার, আই‌নের শাসন, মতপ্রকা‌শের স্বাধীনতা নেই। ২০১৪ সা‌লের পর সরকার সর্ব‌ক্ষে‌ত্রে দেশের মানুষের গণতা‌ন্ত্রিক অ‌ধিকার কে‌ড়ে নি‌য়ে‌ছে। স্বাধীন দে‌শে এই যেন পারাধীনতার শৃংখল। দে‌শের প্রতি‌টি নির্বাচ‌নে প্রশাস‌ন ও নির্বাচন ক‌মিশ‌নের যৌথ প্রযোজনায় ভোট ডাকা‌তির মহোৎসব চল‌ছে। দে‌শের জনগন এই ভোট‌চোর‌দের বিরুদ্ধে জে‌গে উ‌ঠে‌ছে। আমরা আজ জনগণের গণতন্ত্র মুক্তি ও গণতন্ত্র মা কে মুক্তির জন্য এইখানে এসেছি। অ‌চি‌রেই দে‌শে গণতন্ত্র, ভোটা‌ধিার প্রতি‌ষ্ঠিত হ‌বে, বেগম খা‌লেদা জিয়ার মু‌ক্তির মাধ‌্যমে জনগণ প‌রিপূর্ণ মু‌ক্তির স্বাদ পা‌বে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হো‌সেন’র সভাপ‌তি‌ত্বে সদস‌্য স‌চিব আবুল হাশেম বক্কর’র প‌রিচালনায় মানববন্ধন কর্মসূ‌চি‌তে বক্তব‌্য রা‌খেন দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পির সা‌বেক সভাপ‌তি ও সা‌বেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, দ‌ক্ষিন জেলা বিএন‌পির আহবায়ক আবু সু‌ফিয়ান, মহানগর বিএন‌পির সি‌.যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ‌মিয়া ভোলা, এডঃ আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন কাজী বেলাল উদ্দীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, আব্দুল মান্নান, সদস‌্য এরশাদ উল্লাহ, হারুন জামান, কমিশনার মাহবুবুল আলম, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, নাজিম উ‌দ্দিন আহ‌মেদ, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল,আবুল হাশেম হা‌শেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী সিরাজ উল্লাহ, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম , মহানগর যুবদ‌লের সভাপ‌তি মোশারফ হো‌সেন দিপ্তী, জেলা বিএনপির সদস্য এডভোকেট ইফতেখার মহসিন,জামাল হোসেন ,লায়ন হেলাল উদ্দিন , মোস্তাফিজুর রহমান,নগর স্বেচ্ছা‌সেবক দ‌লের সভাপ‌তি এইচ এম রা‌শেদ খান, ভ‌ারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আ‌লি মুর্তোজা খান, ছাত্রদ‌লের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস‌্য স‌চিব শরীফুল ইসলাম তুহীন, থানা বিএন‌পির সভাপ‌তি মোশারফ হো‌সেন ডেপ‌টি, হাজী হা‌নিফ সওদাগর, সরফরাজ কা‌দের রা‌সেল, ডা. নুরুল আফসার, আবদুস সাত্তার সে‌লিম, মো. সেকান্দর, মোঃ আজম, আবুল্লাহ আল হারুন, থানা বিএন‌পির সাধারণ সম্পাদক,আলহাজ্ব জ‌কির হো‌সেন, সাহাব উ‌দ্দিন, ম‌নির আহমদ চৌধুরী, জ‌সিম উ‌দ্দিন জিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, মঈনউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, নূর হো‌সেন, আবদুল কা‌দের জ‌সিম, হাজী বাদশা মিয়া, হা‌বিবুর রহমানসহ থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।