খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ডা. শাহাদাত

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার লক্ষ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিচ ক্লিন আপ ক্যাম্পেইন’।

এ ক্যাম্পেইনে তরুণদের সাথে নিয়ে নিজ হাতে বিচ এলাকা থেকে বর্জ্য সংগহ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক, তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী অংশগ্রহণ করেন। ইপসা ও কক্সবাজারে কর্মরত যুব সংগঠনগুলোর এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমুদ্র সৈকতের প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই পর্যটনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট সংলগ্ন হোটেল জলতরঙ্গের সামনে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সমুদ্র সৈকতে বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরি করতে স্থানীয় সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী, যুব সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুবসমাজের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় নিয়মিত বীচ ক্লিনিং কার্যক্রম পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এটা আমাদের অহংকারের বিষয়। এই সমুদ্র সৈকতকে পরিবেশ বান্ধব এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা আমাদের সকলের কর্তব্য। এই লক্ষে আমাদের এই সৈকতে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার সর্বোচ্চ পর্যায়ে কমিয়ে আনতে হবে। আমরা নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব এই সমূদ্র সৈকতকে বিশ্বমানের হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখা।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একটি ক্লিন, গ্রীন, হেলদি এবং সেফ সিটি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিট’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং ইপসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. আরিফুর রহমান।

বক্তারা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং সকল ট্যুরিস্ট স্পটকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা, দায়িত্বশীল পর্যটন শিল্প এবং সমুদ্র সৈকতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গণমাধ্যমকর্মীরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

বীচ ক্লিনিং কার্যক্রমে কক্সবাজার ১২টি যুব সংগঠনের সহকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুব প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সম্মিলিত উদ্যোগে সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে প্রায় ২৫০ কেজি প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ব্যবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন সহযোগিতায় এবং ইপসা’র উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের যুব সংগঠন সমূহ পাশাপাশি ১২০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) সহযেগিতায় ইপসা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে যৌথভাবে প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (পিডাব্লিউএম) প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে আসছে। পাশাপাশি পিকেএসএফ’র সহযোগিতায় স্মার্ট প্রজেক্ট এবং ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় প্ল্যাস্টিক সার্কুলারিটি প্রজেক্টসহ প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে অনেকগুলো প্রজেক্ট বাস্তবায়নাধীন ও পরিকল্পনাধীন আছে।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।