খুঁজুন
, ,

ভোট নিয়ে অন্য কোনো চিন্তা করলে সিংহের থাবা সামাল দিতে পারবেন না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 30 January, 2026, 8:46 pm
ভোট নিয়ে অন্য কোনো চিন্তা করলে সিংহের থাবা সামাল দিতে পারবেন না

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মনে রাখবেন যে মায়ের দামাল সন্তানেরা চব্বিশে জগদ্দল পাথর হিমালয়ের সমান ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে, সেই সন্তানেরা ঘুমিয়ে পড়ে নাই। তারা এখনো জেগে আছে। আগামীতে জনগণের ভোট নিয়ে কেউ যদি অন্য কোনো চিন্তা করেন এই যুবকরা সিংহ হয়ে গর্জন করবে। সিংহের থাবা সামাল দিতে পারবেন না। সুতরাং নিজের ছাড়া কারও ভোটের দিকে হাত বাড়াবেন না।

তিনি বলেন, এই স্লোগান অচল- ‘আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব’, না সেদিন এখন আর নাই। এখন আমারটা আমি দিব, তোমারটা তুমি দাও। আমার যারে পছন্দ আমি দেব, তোমার যারে পছন্দ তারে দাও। এর নাম হচ্ছে ডেমোক্রেসি। এর নাম হচ্ছে এসেন্টস অব ডেমোক্রেসি। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, এই দেশটা সবার, শুধু আমার একার নয়। সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন জায়গায় যারা আছেন, আমরা বিশ্বাস করি দেশ আমাদের সবার। সবার দায় আছে। সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই আমরা একটি সভ্য দেশ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। এই দেশকে এখনো সভ্য বলা যাবে না। যে দেশের পথে ঘাটে সর্বত্র চাঁদাবাজি হয় এটা কখনও সভ্য দেশ হতে পারে না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের অঙ্গীকার আমরা চাঁদাবাজদেরকে সাহায্য করব। আপনারা হয়তো বলবেন- আশ্চর্য আপনারা কি চাঁদাবাজদেরকে আরও চাঁদা দিয়ে সহযোগিতা করবেন! না, আমরা তাদেরকে আহ্বান করব তোমরাও আমাদের সন্তান, চাঁদাবাজি ছেড়ে দাও। তোমাদের যদি খাদ্যের অভাব হয় আল্লাহ আমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছেন আমরা তা ভাগাভাগি করে খাব। তবুও হারামের দিকে হাত বাড়াইও না। চাঁদা নিয়ে মানুষকে কষ্ট দিও না। রাস্তার ভিক্ষুক থেকে শুরু করে শিল্পপতি সবার ঘুম হারাম এদের কারণে। মানুষের অভিশাপের পাত্র হয়ে গেছো। তওবা করে এখান থেকে বের হয়ে আসো তোমাদেরকে বুকে টেনে নেব। এরপর তোমাদেরকে আমরা শিক্ষিত প্রশিক্ষিত করে তোমাদের হাতেও কাজ তুলে দেব ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, বেকার ভাতা দিয়ে যুবকদেরকে আমরা অসম্মান করতে চাই না। আমাদের যুবকরা যারা লড়াই করে জীবন দিতে জানে অধিকারের জন্য, তারা বেকার ভাতার জন্য লড়াই করেনি। তারা লড়াই করেছে তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাওয়ার জন্য। আমরা তোমাদেরকে কথা দিচ্ছি তোমাদের হাতকে আমরা এই দেশ গড়ার কারিগরের হাত হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ। সেই দিন তোমাদের হাতে মর্যাদার কাজ আমরা তুলে দেব। তখন সবাই মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে বলবা- আমিই বাংলাদেশ। আমাকে এই বাংলাদেশ অনেক কিছুই দিয়েছে এখন আমার প্রিয় দেশকে আমি দিতে চাই। আমি বেকার ভাতা খেতে চাই না।

শফিকুর রহমান বলেন, এই দেশটা মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকলের। আমরা মিলেমিশে এই দেশটাকে ফুলের বাগানের মত গড়ব ইনশাআল্লাহ। সকল ধর্মের মানুষ তার সকল প্রাপ্য অধিকার পাবে, অধিকারের জন্য তার লড়াই করার দরকার হবে না। আমরা সমাজে সুবিচার কায়েম করব। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। সরকার দেখবে না তিনি কোন দলের কিংবা কোন ধর্মের। দেখবে তিনি যোগ্য কি না আর তার মাঝে দেশপ্রেম আছে কি না। এনাফ। এনাফ ইজ এনাফ। আর কিছু লাগবে না। তিনি কাজ পাবেন, সম্মানের সাথে জীবন যাপন করবেন।

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. সৈয়দ একেএম সরোয়ার উদ্দীন সিদ্দীকির সভাপতিত্বে জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’