খুঁজুন
, ,

মুজাফরাবাদ: রক্তে লেখা ৩ মে, স্মৃতিতে অমর এক গণহত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 2 May, 2026, 9:52 pm
মুজাফরাবাদ: রক্তে লেখা ৩ মে, স্মৃতিতে অমর এক গণহত্যা

রাজীব সেন প্রিন্স : ১৯৭১ সালের ৩ মে। দিনটি ছিল সোমবার। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুজাফরাবাদ গ্রামে নেমে এসেছিল ইতিহাসের এক বিভীষিকাময় সকাল।

ভোরের আলো ফোটার আগেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, এদেশীয় দালালদের সহযোগিতায়, চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে পুরো গ্রাম। এরপর শুরু হয় নির্মমতা, যা আজও শিউরে ওঠার মতো।

অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, নির্যাতন-কোনো বর্বরতাই বাদ রাখেনি পাকিস্তানি সেনারা। দিনভর চলে হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন আর ধ্বংসের উন্মত্ততা। আলবদর-রাজাকারদের প্রত্যক্ষ মদদে গ্রামের নারী-পুরুষদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে সাড়ে তিনশ’রও বেশি বাঙালি হিন্দুকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। শিশু, বৃদ্ধ, মা, মেয়ে-কেউ রেহাই পায়নি সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ড থেকে।

এই গণহত্যায় নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত আড়াইশরও বেশি নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সংখ্যার চেয়েও বড় ছিল সেই দিনের ক্ষত। অসংখ্য নারী নির্যাতন, লাঞ্ছনা ও ধর্ষণের শিকার হন।

লোকলজ্জা, সামাজিক অবহেলা আর মানসিক যন্ত্রণায় অনেকেই গ্রাম ছেড়ে চলে যান। কেউ আশ্রয় নেন ভারতে, কেউ বেছে নেন আত্মহননের পথ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে অন্তত তিনজন বীরাঙ্গনা নারীর কথা, যাঁদের মধ্যে দুজন পরবর্তীতে লোকচক্ষুর আড়ালে ভারতে চলে যান।

৩ মে’র সেই গণহত্যা শুধু শত শত প্রাণই কেড়ে নেয়নি; ধ্বংস করে দিয়েছিল একটি সমৃদ্ধ জনপদের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক কাঠামো।

পরবর্তীতে স্থানীয় রাজাকার ও আলবদরদের নিয়মিত আক্রমণে মুজাফরাবাদ গ্রাম প্রায় সম্পূর্ণরূপে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

প্রাণ বাঁচাতে অনেকেই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ত্রিপুরায় আশ্রয় নেন। আবার অনেকে অস্ত্র হাতে যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরা ফিরে আসেন নিজেদের ভিটেমাটিতে। স্বজন হারানোর গভীর বেদনা বুকে নিয়েও তারা নতুন করে গড়ে তোলেন মুজাফরাবাদ।

ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে শুরু হয় নতুন স্বপ্নের পথচলা। আর সেই পথচলার অনুপ্রেরণা হয়ে আছে ১৯৭১ সালের ৩ মে’র আত্মত্যাগ।

দীর্ঘদিন স্থানীয়দের দাবির পর মুজাফরাবাদে নির্মিত হয়েছে শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ। প্রতি বছর এখানে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, স্মরণসভা ও নানা আয়োজনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তবুও গ্রামজুড়ে আজও যেন বিরাজ করে এক নিঃশব্দ শোক, এক অমলিন বেদনা।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী সংগঠন মুজাফরাবাদ সমন্বয় ও বধ্যভূমি সংরক্ষণ পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে এই গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তাদের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও আগামীকাল রবিবার (৩রা মে) মুজাফরাবাদ কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ প্রাঙ্গণে পটিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পালিত হবে মুজাফরাবাদ গণহত্যা দিবস ২০২৬।

অনুষ্ঠানসূচিতে রয়েছে শহীদদের স্মরণে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার, স্মৃতি সৌধে পুষ্প শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্মরণসভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পটিয়া আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ এনামুল হক এনাম। সম্মানিত অতিথি থাকবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানুর রহমান, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, ১৭ নং খরনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মফজল আহমদ চৌধুরী, পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা নেতৃবৃন্দ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বধ্যভূমি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়ের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখবেন সমন্বয় সভাপতি ও বধ্যভূমি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সেন এবং সমন্বয় সাধারণ সম্পাদক কাজল কর।

স্মরণসভার সঞ্চালনা করবেন সমন্বয়ের অর্থ সম্পাদক রাজীব সেন এবং শিক্ষক সুমন চক্রবর্তী।

৩রা মে গণহত্যা দিবস উদযাপন পরিষদ ২০২৬-এর আহ্বায়ক বাবু প্রদীপ কর, সদস্য সচিব বাবু দেবাশীষ দে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু নিউটন বিশ্বাস সংগঠনের সদস্য, এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

মুজাফরাবাদ শুধু একটি গ্রামের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক রক্তাক্ত স্মারক।

৩ মে আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে কত অগণিত প্রাণ, কত অশ্রু আর কত ত্যাগ জড়িয়ে আছে। শহীদদের এই আত্মদান আমাদের চিরকাল প্রেরণা জোগাবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শক্তি দেবে।

Feb2
Feb2

ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 4:11 pm
ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ৩, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত (২১ আগস্ট, শুক্রবার) রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করায় ওই আসনটি সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে শূন্য হলো। বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশের জন্য সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শূন্য হওয়া আসনটিতে উপ-নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়, বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যেহেতু আসনটি শূণ্য ঘোষণা করা হয়েছে, এখন আমরা আইন-বিধি দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন হবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসন্ন থাকায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের জন্য বেশি সময় নেব না, দ্রুতই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:52 pm
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদের দায়িত্ব পাওয়া নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ​এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রবেশ করেন দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে।

এদিন নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী—হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) শ্রদ্ধা জানাতে যান। তারা বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলে সাধারণ জনগণদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:23 pm
শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদের পর এবার ম্যাকাই টেস্টে জ্বলে উঠলেন চোট থেকে ফেরা পেসার শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমেই ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পেয়ে গেলেন বাঁ-হাতি এই পেসার। গড়লেন বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড।

এই ম্যাচে নামার আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৮/৩। এছাড়া এক টেস্টের দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৫৬/৫ ছিল তার সেরা বোলিং। অজিদের বিপক্ষে আজ দুটিই ছাড়িয়ে গেলেন শরিফুল। ৮.৫ ওভারে ফাইফার পূর্ণ করা এই পেসার ইতোমধ্যে ৬ উইকেট (এখন পর্যন্ত ফিগারটা- ৩৪/৬) শিকার করেছেন।

অবশ্য বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের রেকর্ডটা এখনও বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের দখলে আছে। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি মাত্র ৬.৫ ওভারেই ফাইফার নিয়েছিলেন। একই কীর্তি গড়তে আরও দুই ওভার বাড়তি লেগেছে শরিফুলের।

স্বভাবতই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই গতিতারকা প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পেলেন। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। আগের টেস্টেই প্রথম ৫ উইকেট ছিল হাসান মাহমুদের। তিনিও শিকার বাগিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ৮ উইকেটের ৬টিই গেছে শরিফুলের পকেটে।

এর আগে ব্যাটিংয়ে দারুণ বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অজি গতিতারকা মিচেল স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নামা স্বাগতিকদের ২৬ রানে প্রথম ধাক্কাটা দেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ৪৩ রানে ট্রাভিস হেডকে ইনসাইড এজে বোল্ড করে সেই দলে যোগ দেন শরিফুল। একই ওভারে বোল্ড করেন মার্নাস লাবুশেনকে। এরপর শরিফুল একে একে ফিরিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও স্টার্ককে।

এর মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। তবে দিনের শেষদিকে শরিফুলের ৬ উইকেট শিকারের মাধ্যমে ম্যাচে টিকে রইল বাংলাদেশ।