খুঁজুন
, ,

মেক্সিকোয় নীরবতা নামিয়ে কোয়ার্টারে ১০ জনের ইংল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 July, 2026, 9:31 am
মেক্সিকোয় নীরবতা নামিয়ে কোয়ার্টারে ১০ জনের ইংল্যান্ড

বজ্রপাত আর ভারী বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হতে দেরি হলো এক ঘণ্টা। কিন্তু অপেক্ষার সেই সময়টুকু যেন উসুল করে দিল আজতেকা স্টেডিয়ামের ৯০ মিনিট। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, দুই মিনিটে জুড বেলিংহামের জোড়া গোল, লাল কার্ডের ধাক্কা, দুই দলের দুটি পেনাল্টি। সব মিলিয়ে চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। শেষ আটে থমাস টুখেলের দলের প্রতিপক্ষ নরওয়ে।

শুরু থেকেই স্বাগতিক সমর্থকদের গর্জনে উজ্জীবিত মেক্সিকো ইংল্যান্ডকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। তবে প্রথম আঘাত হানে টুখেলের দলই। ৩৬তম মিনিটে গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের কাছ থেকে শুরু হওয়া দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ডেকলান রাইস বল বাড়ান বুকায়ো সাকার কাছে। ডান প্রান্ত থেকে সাকার নিখুঁত ক্রসে ডাইভিং হেডে জাল খুঁজে নেন জুড বেলিংহাম।

আজতেকার গ্যালারি তখনও প্রথম গোলের ধাক্কা সামলাতে পারেনি। এরই মধ্যে মাত্র দুই মিনিট পর আবারও আঘাত হানে ইংল্যান্ড। এলিয়ট অ্যান্ডারসন মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে হ্যারি কেইনের কাছে দেন। ইংলিশ অধিনায়কের নিখুঁত পাস থেকে এবার ডান পায়ের জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের দ্বিতীয় গোল করেন বেলিংহাম।

দুই গোলে পিছিয়েও হাল ছাড়েনি মেক্সিকো। ৪২তম মিনিটে হুলিয়ান কুইনোনেসের দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে স্বাগতিকরা। বিরতির আগে সমতায় ফেরার আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬০তম মিনিটে ম্যাচে আসে বড় অঘটন। হেসুস গাইয়ার্দোকে বিপজ্জনক ট্যাকল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার জারেল কনসাহ। একজন কমে যাওয়ার পরপরই অবশ্য পেনাল্টি পেয়ে যায় ইংল্যান্ড। বক্সে অ্যান্থনি গর্ডনকে ফাউল করেন গোলরক্ষক রাউল রাঞ্জেল। স্পটকিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ গোলটি করেন হ্যারি কেইন। ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

একজন কম নিয়ে শেষ আধঘণ্টা রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে টুখেলের দল। ৮৩তম মিনিটে আবারও নাটক। এবার বক্সের ভেতর ব্রায়ান গুতিয়েরেজকে ফাউল করেন হ্যারি কেইন। ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি রাউল হিমেনেজ। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩-২।

শেষ কয়েক মিনিটে আজতেকা স্টেডিয়ামে একের পর এক আক্রমণ চালায় মেক্সিকো। কিন্তু ১০ জনের ইংল্যান্ড অসাধারণ দৃঢ়তায় রক্ষণ সামলে জয় নিশ্চিত করে। ৫ গোলের এই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে থ্রি লায়ন্সরা।

এবার শেষ আটে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে নরওয়ে, যারা আগের ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করে চমক দেখিয়েছে।

Feb2
Feb2

১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 July, 2026, 11:12 pm
১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান পার্বত্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলার সব ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কাও রয়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য দুর্ঘটনা বিবেচনায় পর্যটক এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র, ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ভ্রমণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এ সময় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর, স্থানীয় বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ।

সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত কয়েকজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 July, 2026, 10:52 pm
সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত কয়েকজন

সাভারে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে দুর্বৃত্তরা এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। মঞ্চে ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী নাবিলা তাসনিদ যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সমাবেশস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় তিনজন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে। তারা হলেন, মো শাহীন খান্দকার (৩০), মো জসিম (২৬) ও মো শাহাদাত হোসেন (৪০)।

বিস্ফোরণের সময় সমাবেশ মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশস্থলে ককটেল হামলার পর এনসিপির নেতারা সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে, এই বিস্ফোরণে দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশস্থল ধুলোয় ঢেকে যায়। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করা যায়নি।

একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

 

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রশাসনের মাইকিং

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 July, 2026, 6:38 pm
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রশাসনের মাইকিং

নিম্নচাপের প্রভাবে দুদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। সেইসঙ্গে প্রস্তুত রাখা হয়েছে নগরের সবকটি আশ্রয়কেন্দ্র। পাহাড়ের আশপাশের স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসাগুলোকেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান বলেন, ‘সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার এবং আমবাগানে ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।’

আবহাওয়ার এই বৈরী অবস্থায় আরও কয়েকদিন চলতে পারে। এ অবস্থায় রোববার রাত থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসরতদের সরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। আজ সকালেও নগরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়। নগরের টাংকির পাহাড় এবং আমিন জুট মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক, সমসামিত গৃহ নির্মাণ, মিয়ার পাহাড়, মুরাদপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড় ও আশেপাশে মাইকিং করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে। এরই প্রেক্ষিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে সকাল থেকে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার রাত থেকেই চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মানুষের জানমাল রক্ষার্থে ছয়জন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে মানুষের জানমাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কয়েকটি টিম কাজ করছে। মাইকিং থেকে শুরু করে মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নগরের আকবরশাহ ঝিল ১, ২ ও ৩ নম্বর এলাকা, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়, বেলতলীঘোনা পাহাড় থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।’

বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিফাত বিনতে আরা বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ মতিঝর্ণা সংলগ্ন পাহাড়ে মাইকিং করা হয়েছে। বাকলিয়া এলাকায় দুপুর থেকে মাইকিং করা হয়েছে নদীর পাড়ের লোকজন যেন সতর্ক থাকে এবং যেন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।’

আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান তুরান বলেন, ‘লালখান বাজার পোড়া কলোনি বস্তি এলাকা, ঢেবারপাড়, আমবাগান সংলগ্ন পাহাড়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। এছাড়াও উত্তর হালিশহর সংলগ্ন সমুদ্রপাড়ের কাছে বসবাসকারী মানুষজনকে বাসস্থান খালি করতে মাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

টানা বৃষ্টির কারণে ছন্দপতন ঘটেছে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনে। বই-খাতা হাতে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে রাস্তায় বের হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। সড়কে গাড়ি চলাচল কম থাকায় যানজট তেমন কোথাও দেখা যায়নি। তাছাড়া নগরের নিম্নাঞ্চলে এবার জলাবদ্ধতা তৈরি না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা রাতভর জলজটপ্রবণ এলাকাগুলোতে পানি নেমে যাওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন রবিবার রাতেই নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি, খাল-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। চসিকের তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কারণে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল বজায় ছিল।

পরিদর্শনকালে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহ সচল রাখার ফলে সারাদিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে কোনো উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এ অর্জন ধরে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। কোথাও যাতে পানি জমে মানুষের দুর্ভোগ না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি। নগরবাসীর সহযোগিতাও এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে যাতে পানি না উঠে প্রকল্প এলাকায় সেজন্য ঢাকা থেকে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাইন উদ্দিনকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা এবং ঘুরে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি গভীর রাত পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিম্নঅঞ্চলগুলোর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পানি চলাচল তদারকি করেন।

এদিকে আগামী সাত দিন দেশের চট্টগ্রামসহ, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিভাগ এবং এসব অঞ্চলের উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিনে পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এসব জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারেও বলে সতর্ক করা হয়েছে।