খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধানবীজ-চারা দেওয়া হবে: কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 July, 2026, 4:36 pm
চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধানবীজ-চারা দেওয়া হবে: কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেয়া হবে, ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারীদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সংবাদিকদের ব্রীফিংকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাঁচ জেলার শতভাগ গবাদিপশুকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খুরা রোগের (এফএমডি) টিকার আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের বীজতলা। বন্যার পানি আসার আগেই কৃষকরা বীজতলা প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের বেশি পানির নিচে থাকায় চারার উপযোগিতা নষ্ট হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের হাতে দ্রুত বীজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে এবং এখনই বীজ বোনার সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদিত চারা ১৫ থেকে ২০ দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা রোপণ করতে পারেন।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় খুরা রোগ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের। তাই আজ থেকেই বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

পাশাপাশি বন্যার কারণে সৃষ্ট গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতেও সহায়তা বাড়ানো হবে হবে মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী বলেন, মাছ চাষেও কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে মাঠ পর্যায়ে জরিপ চলছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উৎপাদন এলাকার কাছেই এসব সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে, যাতে কৃষক অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় ছাড়াই ফসল সংরক্ষণ করতে পারেন এবং বাজারে ভালো দাম পেলে বিক্রি করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি খাল উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় খনন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেখানে সরকারি খাল দখল হয়েছে, সেগুলো দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী বীজতলায় নিজ হাতে ধানবীজ বপন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধানবীজ বিতরন, মৎস্যচাষীদের মধ্যে পুকুর পুনর্বাসনের উপকরন, খামরীদের মাঝে গোখাদ্য বিতরণ এবং গবাদী পশুকে এফএমডি ও পিপিআর রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

Feb2
Feb2

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের চাবাহার বন্দরের টাওয়ার ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 July, 2026, 9:21 pm
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের চাবাহার বন্দরের টাওয়ার ধ্বংস

ইরানের মাকরান উপকূলে অবস্থিত চাবাহার বন্দরের একটি সামুদ্রিক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরান জানায়, মার্কিন বাহিনী তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সম্পূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এতে বন্দরের সামুদ্রিক নজরদারি ও নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত টাওয়ারটি ধ্বংস হয়ে যায়।

ইরানের দাবি, এই হামলার ফলে শুধু জেলেদের জীবিকাই হুমকির মুখে পড়েনি, বরং ওই অঞ্চলে বেসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোতে এই হামলা পশ্চিমা দেশগুলোর ‘দ্বিমুখী নীতি’ এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি ও নীতিমালার প্রতি ওয়াশিংটনের অবজ্ঞার আরেকটি উদাহরণ।

ওমানে মার্কিন রাডার স্থাপনায় আইআরজিসির হামলা
তবে এ হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 July, 2026, 8:55 pm
অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন (BMPCA) গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, দেশে অনলাইন জুয়া ও বেটিং প্ল্যাটফর্মের বিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিজিটাল পেমেন্টের সহজলভ্যতা এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ আর্থিক ও সামাজিক ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

বাংলাদেশে Public Gambling Act, 1867-এর আওতায় জুয়া নিষিদ্ধ। তবুও বিভিন্ন বিদেশি বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিভিন্ন সময়ে অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের মতে, অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবা (MFS) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ব্যর্থতার কারণেই দেশে উদ্যোগ যেন হারে বেড়েছে অনলাইন জুয়া। এই দায় বিটিআরসি কোন ভাবে এড়াতে পারে না। গতকাল প্রায় ছয় হাজার ৫০০ সিম উদ্ধার করেছে পুলিশ। যত্রতত্রভাবে সিম বিক্রির দায় মোবাইল অপারেটর এড়াতে পারে না।

‘বিশেষ করে, অনলাইন জুয়ার অর্থ লেনদেনে যদি মোবাইল আর্থিক সেবার কোনো অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা অপব্যবহৃত হয়ে থাকে, তবে তা দ্রুত শনাক্ত করে বন্ধ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একইভাবে, মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পরিচালিত অবৈধ জুয়ার ওয়েবসাইট, এসএমএস প্রচারণা বা অন্যান্য ডিজিটাল কার্যক্রম শনাক্ত ও বন্ধে আরও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।’

সংগঠনটির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়ার কথা। কিন্তু অনলাইন জুয়ার বিস্তার প্রমাণ করছে যে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে আমাদের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনলাইন জুয়া বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং অবৈধ লেনদেন ও প্রচারণার পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের দাবিসমূহ

১. অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ওয়েবসাইট, অ্যাপ ও ডোমেইন দ্রুত শনাক্ত করে ব্লক করতে হবে।
২. অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহজনক মোবাইল আর্থিক সেবা ও ব্যাংকিং লেনদেন শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে হবে।
৩. মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পরিচালিত অবৈধ জুয়া প্রচারণা, এসএমএস ও অন্যান্য ডিজিটাল কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, এনসিপিসি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি স্থায়ী টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে।
৫. অনলাইন জুয়ার অর্থায়ন, বিজ্ঞাপন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট ব্লক করাই যথেষ্ট নয়; অবৈধ আর্থিক লেনদেন, প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর অপব্যবহার এবং অনলাইন প্রচারণা—এই তিনটি ক্ষেত্রেই একযোগে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে অনলাইন জুয়া উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

চন্দনাইশে নেতা-কর্মীদের ভিড়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ, অক্ষত অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 July, 2026, 3:39 pm
চন্দনাইশে নেতা-কর্মীদের ভিড়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ, অক্ষত অর্থমন্ত্রী

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত নেতা-কর্মীর চাপে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে মূল মঞ্চ। এ সময় মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে এই ঘটনায় মন্ত্রীসহ মঞ্চে থাকা কেউ হতাহত হননি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনের উদ্যোগে স্থানীয় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর আগেই মঞ্চে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের উপচে পড়া ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মঞ্চের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অতিরিক্ত মানুষকে নেমে যাওয়ার জন্য মাইকে বেশ কয়েকবার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশনায় কান দেননি অতি-উৎসাহী নেতা-কর্মীরা।

এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মঞ্চে এসে আসন গ্রহণ করলে, তার সঙ্গে আরও এক ঝাঁক নেতা-কর্মী একযোগে মঞ্চে উঠে পড়েন। অতিরিক্ত মানুষের এই বিপুল ভার সইতে না পেরে মুহূর্তের মধ্যেই মঞ্চটি ভেঙে পড়ে। মঞ্চ ভেঙে পড়ার সাথে সাথে অনুষ্ঠানস্থলে চরম হট্টগোল ও আতঙ্ক তৈরি হয়। মঞ্চ ভেঙে গেলেও কেউ নিচে পড়ে যাননি বা বড় কোনো আঘাত পাননি।

জানতে চাইলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুর রহমান বলেন, ‘মঞ্চ ভেঙে গেছে বিষয়টি এমন না, মঞ্চের টেবিলগুলো আছে, সেগুলোর কয়েকটির পায়া বসে যাওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে অর্থমন্ত্রী মহোদয় সেই ভাঙা মঞ্চে দাঁড়িয়েই উপস্থিত কয়েকজন বন্যার্তের হাতে ত্রাণ তুলে দেন এবং অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।’

ঘটনার সময় অর্থমন্ত্রীর ঠিক পাশেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষ ওঠার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘আমি নিজে মাইকে ঘোষণা দিয়েছিলাম যাতে মঞ্চে বেশি মানুষ না ওঠে। কিন্তু মানুষের অতি-উৎসাহ আর ভারের কারণেই শেষ পর্যন্ত মঞ্চটি ভেঙে গেল। আল্লাহর রহমতে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি, এটাই স্বস্তির।’

দুর্ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও মন্ত্রীর সুশৃঙ্খলভাবে ত্রাণ বিতরণ শেষ করার বিষয়টি উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।