খুঁজুন
, ,

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে বীজ-সার: কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 18 July, 2026, 6:42 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে বীজ-সার: কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদেরও পুনরায় টিকা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা অনুধাবন করেই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

সরকারের সব সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের জীবনেই দুঃসময় আসে। সেই সময়ে সরকার ও সমাজ যদি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া না হয় এবং সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে- তা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো.খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো. আলমগীর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

ট্রেনে ফেলে যাওয়া স্বর্ণ-টাকা ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ড গার্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:34 am
ট্রেনে ফেলে যাওয়া স্বর্ণ-টাকা ফিরিয়ে দিলেন স্টুয়ার্ড গার্ড

ট্রেনে ময়লার ঝুড়িতে যাত্রীর ফেলে যাওয়া স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসায় বাসছেন স্টুয়ার্ড গার্ড মোশারফ হোসেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেনে এই স্বর্ণের চেইন ও টাকা ফেলে যান যাত্রী।

স্টুয়ার্ড গার্ড মোশারফ হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কাউতলী এলাকা বাসিন্দা। তার এই সততা ও দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে তিনি প্রশংসায় ভাসছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাকে নিয়ে অনেকেই প্রশংসা করছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশনে মোশারফ হোসেন বলেন, অন্যের জিনিস আমি কেন রাখবো। এটা ফিরিয়ে দিতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত এবং অনেক ভালো লেগেছে। চাকরি জীবনে প্রায় ২০ বছর, এই ২০ বছরে এই নিয়ে কয়েকবার যাত্রীর ফেলে যাওয়া মূল্যবান জিনিস ফিরিয়ে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, গত বুধবার রাতে আম খেয়ে আমের খোসাগুলো কেবিনের ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে গিয়ে দেখি, একটি পলিথিনে মোড়ানো অনেকগুলো জর্দার কৌটা। আমি এগুলো জর্দা মনে করে নিজের কাছে রেখে দিই। পরে আমার মোবাইলে একটি কল আসে এবং অপর প্রান্ত থেকে একজন বলেন যে, তার কিছু মালামাল হারিয়ে গেছে। তখন আমি তার কাছে জানতে চাই কী জিনিস হারিয়েছে। তিনি বলেন, স্বর্ণের চেইন ও কিছু টাকা। তখন তাকে বলি, এসব তো কেবিনে নেই। পরে তিনি জানান, পলিথিনে মোড়ানো জর্দার কৌটার ভেতরেই চেইন ও টাকা রাখা আছে। এরপর আমার কাছে রাখা জর্দার কৌটাটি খুলে দেখি, তার ভেতরে প্রায় দুই ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও দুই হাজার টাকা। পরে আমি ওই যাত্রীকে ফোন করে জানাই যে, জিনিসগুলো আমার কাছে নিরাপদেই আছে।

মোশারফ হোসেন বলেন, পরে রাতে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা নিশীতা ট্রেন ভৈরববাজার স্টেশনে এলে যাত্রীর স্বজনের কাছে স্বর্ণের চেইন ও টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

কনটেইনার খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্ঘটনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:01 am
কনটেইনার খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্ঘটনা

চট্টগ্রাম বন্দরের চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) ৩ নম্বর বার্থে কনটেইনার খালাসের সময় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন ও একটি আমদানি কনটেইনার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চ্যাং হাই নামের একটি জাহাজ থেকে কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন-৪ (কিউজিসি-৪) দিয়ে ৪০ ফুটের একটি আমদানি কনটেইনার খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় স্প্রেডারের ল্যাশিং ছিঁড়ে গেলে কনটেইনারটি ক্রেনের বিমের ওপর পড়ে যায়। এতে ক্রেন ও কনটেইনার উভয়ই আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই বন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর করে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ঘটনাস্থল নিরাপদ করার পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত কনটেইনার অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি উদ্ধারের কাজ শুরু হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি বিশেষ কারিগরি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেবে। একই সঙ্গে রোববার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন-৪ (কিউজিসি-৪)-এর মেরামত কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিসিটির ৩ নম্বর বার্থের দুর্ঘটনাকবলিত স্থান ছাড়া বন্দরের অন্যান্য সব বার্থে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ গোলের পাগলাটে ম্যাচে সাকার হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত জয় ইংল্যান্ডের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 7:16 am
১০ গোলের পাগলাটে ম্যাচে সাকার হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত জয় ইংল্যান্ডের

পাগলাটে এক ম্যাচ। প্রথমার্ধ শেষে ৪ গোলে পিছিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ২১ মিনিটে তিন গোল শোধ করে ম্যাচে ফিরে ফরাসিরা। তবে ম্যাচের শেষ হাসি হেসেছে ইংল্যান্ড। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে বুকো সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংলিশরা।

ম্যাচের ৩ মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে বেশ খানিকটা দৌড়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দারুণ শটে গোল করেন ডেক্লান রাইস।

এরপর ম্যাচের ১২ মিনিটে আবারও ফ্রান্সের জালে বল জড়ায় ইংল্যান্ড। তবে কায়ো সাকার সেই গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এরপর ম্যাচের ১৮ মিনিটে ঠিকই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড। রাইসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন এজরা কনসা।

এরপর ম্যাচের ৩৭ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখেন সাকা। মার্কাস রাশফোর্ডের পাস থেকে বল জালে জড়ান তিনি। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে কনসার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান সাকা। এতে ৪-০ গোলের বড় লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৪৮ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল পায় ফ্রান্স। মাইকেল ওলিসের পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর ম্যাচের ৫৪ মিনিটে এমবাপ্পে পাস থেকে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোল করেন বারকোলা।

এরপর ম্যাচের ৬৬ মিনিটে ওলিসের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দশম গোল। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি।

এরপর ম্যাচের ৮৪ মিনিটে জেড স্পেনসকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে গোল করে ব্যবধান কমান উসমান ডেম্বেলে।

তবে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে বক্সে ঢুকে গোল জুড বেলিংহাম। এটি বিশ্বকাপে তার ৭ম গোল। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।