খুঁজুন
, ,

গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 9:50 pm
গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি: এরশাদ উল্লাহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার নগরীর নসিমন ভবস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করেছিল বিএনপি। দীর্ঘ ১৭ বছর রক্তঝরা আন্দোলন-সংগ্রাম, অসংখ্য নেতাকর্মীর ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পথ সুগম হয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে যে অভিনব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের আবহ সৃষ্টি করেছিল, তা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এক ভয়ঙ্কর রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটেছিল। এই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, গত বছর বিএনপি যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছিল। এবারও বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসমূহ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করবে।

সভায় আগামী ৪ আগস্ট বিকেল জামিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এম. এ. আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহামেদুল আলম চৌধুরী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস. এম. ফয়েজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মুজিবুল হক, খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, শিহাব উদ্দিন আলম, মো. জাফর আহমেদ, গাজী আইয়ুব, মাহাবুব রানা, এম. এ. সবুর, আবু মুসা, মো. আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সাবের হোসেন টারজান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. শিপন, ওলামা দলের আহ্বায়ক শহিদুল হক চিশতী এবং সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করতে হবে। একই সঙ্গে গৃহীত সকল কর্মসূচি সফল করতে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

Feb2
Feb2

রেলের জমি লিজ নয়, বাতিল হবে বিদ্যমান লিজও: রেলপ্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 10:50 pm
রেলের জমি লিজ নয়, বাতিল হবে বিদ্যমান লিজও: রেলপ্রতিমন্ত্রী

রেলের সম্পত্তি নতুন করে আর লিজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেওয়া হবে না। বর্তমানে যেসব লিজ রয়েছে, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা হবে।

যেখানে আইনি বাধা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনর্গঠন করা হবে। রেলের অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রামে রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেসব স্থাপনা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা রয়েছে। তাই যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কমে আসবে। এছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় রেলওয়ে পূর্বাচঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:46 pm
অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি), ইনষ্টিটিউট অফ্ কমিউনিটি অফথালমোলজী (আইসিও) এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্মৃতিচারণে নাগরিক শোকসভা অদ্য ১ আগস্ট শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনএসবি ও সিইআইটিসির উদ্যোগে টাইগারপাস আমবাগান রোডস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। তিনি বলেন, আজ যে মানুষটির স্মরণ সভায় সবাই উপস্থিত হয়েছি সেই মানুষটি হলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন। আমি মনে করি চক্ষু চিকিৎসা সেবায় উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের কল্যাণে এবং মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মত মানুষ হয়না। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তিনি ছিলেন, একজন সেরা চিকিৎসক, সেরা ছাত্র ও দেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের দেশকে তিনি অনেক উপরে নিয়ে গেছেন। তিনি চট্টগ্রামে চক্ষু হাসপাতাল গড় তুলেছেন। বাংলাদেশের লাখো মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়ার মহান ব্যক্তি তিনি। হাসপাতালটি করে চট্টগ্রামকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছেন। আমাদের সকলের রবিউল হোসেনের মত এমন উদার দেশ প্রেমিক হওয়া উচিত।
প্রতিমন্ত্রওী বলেন, রবিউল হোসেনের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তিনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেও সেখানে নিজের নাম লেখাননি। নিজের কথা চিন্তা না করে হাসপাতালটি পরিচালনায় বোর্ড অব ট্রাস্ট করে দিয়ে গেছেন। তিনি মহান কর্মবীর। রবিউল হোসেন চলে গেলেও তার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আমাদের সেই স্বপ্ন দেখে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে প্রতিষ্ঠান করে দিয়ে গেছেন তাঁর দুই সন্তান ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পিতার আদলে সুন্দরভাবে পরিচালনায়। তবে সেগুলো চালাতে সমাজের কোন অপশক্তি যেন তাদের গ্রাস করতে না পারে সে দিকে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন।

গেষ্ট অফ অনারের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চাচা সমাজের জন্য অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। তার প্লেজার এন্ড পেইন গ্রন্থে তা উঠে এসেছে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের সেই কর্মকান্ড ধারণ করে আমরা যাতে সেই মানবকি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারি।

সাঈদ আল নোমান বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন চট্টগ্রামের কোথায়ও এই সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা নেই। দেশের আটটি জেলায় তিনি এমন চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন। এমন মহান মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

মাওলানা মো. মেজবাহ উদ্দিনের কোরআন তেলওয়াাতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম। আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি ট্রাস্টের ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী।

বক্তব্য রাখেন, চক্ষু চিকিৎসা সমিতির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা শামীম, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দীক স্যার, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান নাদের খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান শিরিন পারভীন হক, ইসলামিয়া হাসপাতাল ঢাকার মো. ফয়সাল সাহেদ, ময়মনসিংহ বিএনএসবি কে জামান হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের দুই পুত্র যথাক্রমে সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন এবং সিইআইটিসি’র ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য রিয়াজ হোসেন, ফয়েজলেকের মো. মহিউদ্দিন, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সোমা রানী রায়, কেন্দ্রীয় ওএসবির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জিন্নুরাইন নিউটন, ডা. আবু নাসেরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত নাগরিক শোক সভা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রুকনুন চৌধুরী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও চক্ষু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক।

রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:15 pm
রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড এর এজিএম নগরীর খুলশী কনভেনশন সেন্টারের ইছামতী হলে শনিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সবুক্তগীন এবং নগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন দীপ্তি।

মোশাররফ হোসেন দীপ্তি সমিতির সদস্যদের পক্ষে বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সমিতির লিখিত আবেদনের যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং রেলওয়ে জিএম/পূর্বকে বিষয়টি তদারকি করার নির্দেশ প্রধান করেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কি:মি কমাতে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে।

সভার শুরুতে সভাপতি স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং সম্পাদক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

ব্যবস্থাপনা কমিটি সভাপতি আব্দুস সাত্তার সেলিম সভাপতিত্ব করেন এবং আনোয়ার হোসাইন রতন সভা পরিচালনা করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সদস্য প্রশ্ন, মতামত এবং পরামর্শ প্রদান করেন। সম্পাদক রতন সেগুলোর উত্তর প্রদান করেন।

এজিএম-এ উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মো: ফজলুল করিম (মুকুট), পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে এম এম শাহেদ আলী, মাহমুদুল হাসান ভূঞা, চৌধুরী শরাফত করিম (কাওছার), মো: আলী আশরাফ ভূঁইয়া, মো: আমিরুজ্জামান, হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া (স্বপন), মো: নিজাম উদ্দীন (নয়ন), হাসান আহম্মদ খান এবং মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

এছাড়া রেলওয়ের বর্তমান এবং সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, সমিতির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরের উপস্থিত সকলের জন্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন ছিল।