খুঁজুন
, ,

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 12:20 pm
২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না মাছ ও ব্রয়লার মুরগি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকায় এবং গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকার আশপাশে। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়ায় লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়ছে চাপ। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে শুধুমাত্র গরুর মাংসের দাম।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল, পোয়ায় কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজারের মুরগি বিক্রেতা মাহবুব বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই। গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় ব্রয়লার এবং ৩৩০ টাকায় সোনালি মুরগি বিক্রি করছি। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামে তেমন ওঠানামা নেই।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। সেগুলোর দাম সব সময় বেশি। তবে পুকুরে চাষের মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, এ জন্য বিক্রিও বেশি দামে করতে হয়। মাছের দাম বাড়ার কারণে আমাদের পুঁজিও বেশি লাগতেছে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে তার প্রভাব নিম্ন আয়ের মানুষের উপরে সরাসরি পড়ে। আমরা তো দেশি মুরগি বা পাকিস্তানি সোনালি মুরগি কিনে খেতে পারবো না। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়া আমাদের ভরসা। সেখানে দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে।

Feb2
Feb2

বগুড়ায় বাসচাপায় নিহত ৬

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 12:06 pm
বগুড়ায় বাসচাপায় নিহত ৬

বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার এরুলিয়ায় বাসচাপায় ৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর পৌনে ৬টার দিকে এরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহতের বিষয়টি জানা গেছে। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- গাইবান্ধার আমিরুল, নূর আলম ও বেলাল এবং জয়পুরহাটের তাজমুল। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস শুক্রবার ভোরে এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় বাসটি সড়কের পাশে অবস্থানরত দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও চারজন মারা যান। আহত অন্তত ১৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে।

সিলেটের ওসমানী নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 11:55 am
সিলেটের ওসমানী নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।’

ওসমানীনগর থানার ডিউটি অফিসার ও উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে।’

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 10:19 pm
প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।

আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।

সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।

নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।