খুঁজুন
, ,

সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রস্তাব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 12:54 pm
সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রস্তাব

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে এমন একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যার মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আরাঘচি বলেন, “প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পূরণ হলে” এটি করা সম্ভব। তিনি জানান, ওই শর্তগুলো জুন মাসে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তার মতে, “এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার যুক্তরাষ্ট্রের ওপর”।

ইরানের প্রস্তাব সম্পর্কে এক মার্কিন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এসব আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে বিমান হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরব উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর হামলা চালায়। একই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।

যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হতো। প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা দিয়েছে।

ফলে সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপও বেড়েছে, বিশেষ করে নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস নির্বাচন সামনে থাকায়।

আরাঘচি সাংবাদিকদের বলেছেন, “প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পূরণ হলে প্রণালিটি আবার খুলে দেওয়া এবং স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু করা সাত দিনের মধ্যেই সম্ভব”।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ঠিক কী পদক্ষেপ চায়, তা তিনি বিস্তারিত জানাননি। তবে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রকে যে পদক্ষেপ নিতে হবে, সেগুলো নতুন কিছু নয়। এগুলো সবই সমঝোতা স্মারকে আগে থেকেই আছে”।

তিনি আরও বলেন, “আমি বলতে পারি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যদি চুক্তিতে পৌঁছানোর এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সত্যিকারের আগ্রহ থাকে, তাহলে সবকিছু এখনই প্রস্তুত রয়েছে”।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, “হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র খুব শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, তাই আমাদের তাড়াহুড়ো নেই”।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত ১৮ই জুন যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং হরমুজ প্রণালির অন্তত আংশিকভাবে পুনরায় চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া।

চৌদ্দ দফার ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এতে আরও বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্ররা ‘সব ফ্রন্টে’ সামরিক অভিযান বন্ধ করবে।

চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার মতো বিষয়ও ছিল।

এতে আরও বলা হয়েছিল, ইরান ‘সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা’ চালিয়ে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করবে এবং ভবিষ্যৎ নৌপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা করবে।

তবে কিছুদিন পরই উভয় পক্ষ আবার হামলা শুরু করায় চুক্তিটি ভেঙে যায়।

ইরান এমন কিছু জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যেগুলো তাদের দাবি অনুযায়ী অনুমতি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ইরানের উপকূলের কাছে থাকা ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা করেছে। পাশাপাশি তারা ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধও বজায় রেখেছে, যার ফলে ইরানের অর্থনীতিতে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।

এরপর ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল বের করে নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সফল হয়েছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৮টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করেছে। তবে কিছু দিনে এই সংখ্যা মাত্র ৯টিতে নেমে এসেছে। রয়টার্সের উদ্ধৃত পণ্যবাজার ও বিশ্লেষণ সংস্থা কেপলার এই তথ্য দিয়েছে।

এদিকে ইরানের মিত্র ইয়েমেনের হুথিরা সম্প্রতি লোহিত সাগরের অপর প্রান্তে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত করার লক্ষ্যে হামলা আরও জোরদার করেছে।

চলতি মাসে হুথিরা দ্রুত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে লোহিত সাগরের উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকা দখল করেছে। এর মধ্যে মোকা বন্দরও রয়েছে, যা বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নজরদারির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলোতে হুথিদের হামলার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছেন।

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেন নভেম্বরে নির্বাচনের পরপরই ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে, যে চুক্তি এখন পর্যন্ত তার নাগালের বাইরে রয়েছে।

তিনি বলেন, “ইরানের সঙ্গে কি এমন একটি চুক্তি হবে, যা তাদের আবার ঘুরে দাঁড়ানোর এবং আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী দেশ গড়ার সুযোগ দেবে? নাকি আমি ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেব এবং দ্রুত তা করব, তাদের আবার মানুষ ও দেশগুলোকে হত্যা ও ধ্বংস করার সুযোগ না দিয়ে আমি কি তাদের নরকে পাঠিয়ে দেব?”

শুক্রবার আরাঘচি বলেন, ইরান “জবরদস্তি, হুমকি বা ভয় দেখানো” মেনে নেয় না। তিনি আরও বলেন, “ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না”।

Feb2
Feb2

ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 5:50 pm
ধানমন্ডিতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

রাজধানীর ধানমন্ডি থানার ২৭-এর বাটা শোরুমের সামনে ঝটিকা মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকদের মধ্যে ধানমন্ডি থানা পুলিশ তিনজন এবং মোহাম্মদপুর থানা ইমরান নামে একজনকে আটক করেছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি বাটা শোরুমের সামনে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এই ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব।

তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ একটি ঝটিকা মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। মিছিল শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজনকে আটক করা হয় এবং একটি ব্যানার উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব তারেকুজ্জামানের নেতৃত্বে সাত মসজিদ রোড দিয়ে মিছিলটি শুরু করে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতাল হয়ে বাটা শোরুমের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হালিম জানান, ধানমন্ডি এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় একজনকে আটক করা হয়েছে।

সাত দিনে ডেঙ্গু হটস্পটমুক্ত সীতাকুণ্ড চান ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 3:43 pm
সাত দিনে ডেঙ্গু হটস্পটমুক্ত সীতাকুণ্ড চান ডিসি জাহিদ

সাত দিন পর চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর কোনো হটস্পট থাকবে না—এমন লক্ষ্য নিয়ে উপজেলার সব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না কমলে এই অভিযানকে সফল বলা যাবে না।

শনিবার সীতাকুণ্ড পৌরসভায় সচেতনতামূলক র‍্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। র‍্যালিটি পৌরসভা থেকে শুরু হয়ে কলেজ রোড প্রদক্ষিণ করে। পরে তিনি ড্রেন পরিষ্কার এবং ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “সীতাকুণ্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট বিবেচনায় নিয়ে আমরা চাই, আর কেউ যেন এ রোগে প্রাণ না হারান। সাত দিন পর এখানে কোনো হটস্পট থাকবে না—সেখানেই আমাদের অভিযান সফল হবে।” তাঁর ভাষ্য, সীতাকুণ্ডে এ পর্যন্ত ৫১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং মশার বিস্তারস্থলে ফগার মেশিন ও লার্ভিসাইড প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নাগরিকদের নিজেদের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সীতাকুণ্ডের মতো শিল্পাঞ্চলে পরিকল্পিত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী এ কর্মসূচি উপজেলার সব ইউনিয়ন ও সীতাকুণ্ড পৌরসভায় চলবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, বিশেষ নজর দেওয়া হবে চিহ্নিত সাতটি হটস্পটে—ভাটিয়ারী, সোনাইছড়ি, জেলেপাড়া, বাড়বকুণ্ড, ফুলতলা, বার আউলিয়া এবং সীতাকুণ্ড কলেজ রোড এলাকায়। এ কাজে ১৬টি নতুন ফগার মেশিন ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক সংগ্রহ করা হয়েছে। সাত দিনের কর্মসূচির পরও পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বাড়িঘর ও ড্রেনে জমে থাকা পানি সরানোর আহ্বান জানান। জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার স্ক্র্যাপ ধাতুতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকার নাগরিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 26 September, 2026, 2:43 pm
খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম হযরত আহমদ ছাফা (রহ.) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজ দাহুম উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার হলরুমে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ অসিউর রহমান আল কাদেরী।

প্রধান আলোচক ছিলেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ আবু নওশাদ নইমী আশরাফী নকশবন্দী।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সহ-সুপার মাওলানা মোকতার হোসাইন ও সিনিয়র শিক্ষক মাস্টার মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির হাট আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস খান আল কাদেরী, খিরাম কাদেরিয়া মুঈনিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা ওমর ফারুক আজমী, গাউছিয়া হুসাইনিয়া আল্লামা আব্দুল মালেক শাহ (রহ.) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ডাক্তার মো. মুজিবুল হক, আলহাজ্ব ফজলুল কাদের চৌধুরীসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ অসিউর রহমান আল কাদেরী বলেন, “শিক্ষা মানুষকে আলোর পথে নিয়ে যায়। আশা করি, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ এলাকা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে আজিমুল গণী মহৎ কাজ করেছেন। সবাইকে সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিতে হবে।”

এ সময় মাদ্রাসার পরিচালক মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন, ইউপি সদস্য মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, আব্দুর রহিম বাদশা, মুহাম্মদ মোর্শেদ, মুহাম্মদ লোকমান সওদাগর, মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আরফাতুল গণি, শিক্ষিকা নায়মা আকতার, রুনা আকতার ও আয়শা আকতার, সারজিনা আকতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মাহফিল শেষে মোনাজাতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থান করে যারা আর্থিক ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় অবদান রাখছেন, তাদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।