খুঁজুন
, ,

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে কেমন আছেন সাজেদা, দেখতে গেলেন ডিসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 October, 2026, 9:24 pm
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে কেমন আছেন সাজেদা, দেখতে গেলেন ডিসি

বন্যা কেড়ে নিয়েছিল স্বাভাবিক জীবন। মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয় নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। সেই দুর্দিনে নতুন ঘর পেয়েছিলেন স্বামীহারা সাজেদা বেগম। এখন সেই ঘরেই সন্তানদের নিয়ে নতুন করে জীবন গুছিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে সাজেদা ও তাঁর সন্তানরা কেমন আছেন, তা দেখতে শুক্রবার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে তাঁর বাড়িতে যান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বাড়িতে ঢুকে ঘরদোর ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক। কথা বলেন সাজেদা ও তাঁর সন্তানদের সঙ্গে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি ঘর দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। জানতে চান পরিবারের বর্তমান অবস্থা এবং সন্তানদের পড়াশোনার খবর।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘গত ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালীতে এসে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাজেদা বেগমের হাতে এই ঘরের চাবি তুলে দিয়েছিলেন। তাঁর পাশাপাশি আরও ১০০টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে সাজেদা বেগম সন্তানদের নিয়ে কেমন আছেন, সেটিই আমরা দেখতে এসেছি।’

সাজেদার ঘর দেখে ভালো লেগেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘরটি তাঁরা খুব সুন্দর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রেখেছেন। আমরা তাঁদের জন্য কিছু খাদ্যসামগ্রীও নিয়ে এসেছি, যাতে পরিবারটির কিছুটা সহায়তা হয়।’

এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে দুটি ত্রাণের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, ডাল, চিড়া, মুড়ি, সয়াবিন তেল, খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি।

সাজেদার পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির স্থায়ী ব্যবস্থাও করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের পূর্বনির্দেশনায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বাড়িতে একটি গভীর নলকূপ ও একটি পানির ট্যাংক স্থাপন করেছে। পরিদর্শনের সময় এসব ব্যবস্থাও ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক।

কথার একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, সাজেদা বেগমের এক মেয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। মেয়েটিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি জানতে চান, কোথায় ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা করছে। পরিবারের অন্য সন্তানদের লেখাপড়ারও খোঁজ নেন।

সাজেদা বেগমকে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ছেলেমেয়েদের মানুষ করতে হবে, পড়ালেখা করাতে হবে।’ সন্তানদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়েও পরিবারটিকে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সাজেদা বেগমের পরিবারকে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবারের পরিদর্শনে শুধু ঘরের অবস্থা নয়, পরিবারটির খাদ্য, নিরাপদ পানি এবং সন্তানদের শিক্ষার বিষয়েও খোঁজ নেন জেলা প্রশাসক।

পরিদর্শনকালে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

মানুষের পকেট কেটে নেওয়া বিএনপি দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 October, 2026, 11:16 pm
মানুষের পকেট কেটে নেওয়া বিএনপি দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—এই দুই দল মিলে দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। একদিকে আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ভারতের দালালি করেছে, অন্যদিকে বিএনপি মানুষের পকেট কেটে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে। এই নষ্ট রাজনীতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আয়োজিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সম্মানিত নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যে সংস্কারের আশা তৈরি হয়েছিল, নির্বাচন ঘিরে পুনরায় চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়ার কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে। আগামী স্থানীয় নির্বাচনে যদি পেশিশক্তি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কালো টাকার খেলা দেখানোর চেষ্টা করা হয়, তবে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং সরকারের বক্তব্যের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। অভিযোগ করে তিনি বলেন, দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সিদ্ধান্ত একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লন্ডনের শীর্ষ দফতর থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিরোধী দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সারাদেশে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় দিনে-রাতে পকেট কাটা, বালি ও মাটি উত্তোলন এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের উৎসব চলছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, আমাদের ১ হাজার ৪০০ ভাই জীবন দিয়েছেন, হাজার হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা এই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। পকেটে টাকা না থাকলেও বা পায়ে ছিঁড়ে যাওয়া স্যান্ডেল থাকলেও আমরা আদর্শ বিক্রি করব না এবং কোনো চাঁদাবাজির রাজনীতিতে নাম লেখাব না।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে দেশের ছাত্র-জনতা, শ্রমিক, নারী, আলেম ও সাধারণ মানুষ যে অভূতপূর্ব একতা দেখিয়েছিল, সেই সার্বজনীন শক্তির মাধ্যমে আগামীতে যেকোনো রাজনৈতিক অপশক্তি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার আহ্বায়ক একরামুল হক, দক্ষিণ জেলা শাখার আহ্বায়ক লায়ন এ. এম. মুন্না চৌধুরী, দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব জুবাইরুল আলম মানিক, জুলাই-গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শাহেদুল ইসলামসহ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এবং সহযোগী সংগঠন ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, নারীশক্তি ও শ্রমিকশক্তির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 October, 2026, 11:09 pm
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার মামলায় জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ব্যাপক যাত্রীদের চাপের কারণে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের (বিজি-৩৩৮) লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে এলে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া ও মারধরের হুমকি দেন। এমনকি তিনি বিমান মন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন।

আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামানের সঙ্গীরা সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ শুরু করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেজর আখতারুজ্জামান তাকেও গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ছাড়া তিনি সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলে দেন এবং বিমান বাংলাদেশ প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন।

উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি থেকে একাধিকবার বহিষ্কৃত হন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। পরে ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 October, 2026, 10:14 pm
বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন; তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ। ২০০৬ সাল থেকে তিনি নিজ মালিকানাধীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আগে তিনি বাংলাদেশের ব্রডশিট পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। পরে যুক্তরাজ্যের বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক ও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ঢাকা ও লন্ডনসহ বিভিন্ন জায়গায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণও নেন তিনি।

সম্প্রচার, প্রিন্ট ও ডিজিটাল— তিন মাধ্যমেই সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ছিল খালিদীর। ব্যবসা, রাজনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।

২০১৭ সালে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কারে বিশেষ সম্মাননা পান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ডিজিটাল বাংলাদেশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৎকালীন জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

দেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশেও তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ নতুন ব্যবস্থাপনায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নামে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বিডিনিউজকে ইন্টারনেটে বাংলাদেশের প্রথম সার্বক্ষণিক সংবাদ প্রকাশক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এক শোকবার্তায় তিনি বলেছেন, “দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন একজন পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারাল। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’’

রাষ্ট্রপতি তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ‘‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু আমার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”