খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করলো জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কুমিল্লায় অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করলো জেলা প্রশাসন

মাহফুজ বাবু : অনুমোদনহীন সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে সাড়াশি অভিযান শুরু করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম দিন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের কালখারপাড় মোড়ে জিয়াউর রহমান টিটুর মালিকানাধীন এনএসবি ব্রিকসে অভিযান পরিচালিত হয়।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন প্রকার অনুমতি না থাকায় ইটভাটাটি গুড়িয়ে দেয়া হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তারা জানায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী ১২০ফিট তথা সনাতন পদ্ধতির সকল ধরনের ইটভাটার কার্যক্রম ২০১১সাল থেকে স্থগিত করেছে সরকার। সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে কুমিল্লা সদরের কালখারপাড় এনএসবি ব্রিকস নামের এ ইটভাটাটি কোন প্রকার অনুমতি ব্যাতীতই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বারবার তাগদা ও নোটিশ দেয়ার পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বুধবার সকাল ১০টায় ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় এক্সেভেটর দিয়ে ইটভাটাটি গুড়িয়ে দেয়া হয়। এসময় জলন্ত ভাটায় পানি দিয়ে চুল্লিগুলো নেভানো হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী ইসলাম ও অমিত দত্ত জানান, অবৈধ কার্যক্রমের অভিযোগে ইটভাটাটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক শওকত আরা কলি বলেন, সনাতন চুল্লি পরিবেশের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর, কুমিল্লার সবগুলো ইটভাটাই জিগজাগ প্রকৃতির চুল্লিতে চলছে। একমাত্র এনএসবি ইট ভাটাটি সনাতন পদ্ধতির। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরে কোন প্রকার অনুমতি না থাকায় একাধিকবার নোটিশ দিয়ে ও কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ইটভাটাটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

অভিযানে সহযোগিতা করেন জেলা প্রশাসন ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার একাধিক টিম।

এসময় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, আমির হোসেনসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…