খুঁজুন
, ,

নতুন ভোরে নতুনভাবে বাচাঁর অবলম্বন খোঁজে কষ্টের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে পূর্ববৎ-মোহাম্মদ হাসান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 January, 2020, 8:59 am
নতুন ভোরে নতুনভাবে বাচাঁর অবলম্বন খোঁজে কষ্টের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে পূর্ববৎ-মোহাম্মদ হাসান

বেঁচে থাকার জন্য মানুষ চাই খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান শিঙ্কা ও চিকিৎসা । আপাতত এই কয়েকটি জিনিস হলেই মানুষ বাঁচতে পারে। মানুষ মানুষের জন্য এই কথাটি ভেবে আমরা নতুন জীবনের পথে এগিয়ে যাব ।

মানুষের মন হঠাৎ করে এমনিতে খারাপ বা মনের আকাশে কালো মেঘ জমে না, হয়তো আমরা কিছু সময় সচেতন মনে বুঝতে পারি না, অবচেতন মন সেটি বুঝতে পারে। মনটা যদি এমনি খারাপ হতো তাহলে আমরা চাইলেই যেকোনো সময় ইচ্ছে করে মন খারাপ করতে পারতাম।

সত্যি বলতে কি ?! আশা ভরশা এমন একটা জিনিস একবার ভাঙলে জোড়া লাগানো অনেক কঠিন। সুন্দর স্বপ্ন ভরসা সব কিছু কেমন ঝাপসা হয়ে যায়। তবু্ও জীবন থেমে থাকেনা চলতে থাকে তার নিজস্ব গতিতে কেও তাকে ধরে রাখতে পারে না তবুও জীবনের টারনিংপয়েন্ট যেকোনো ধাক্কা টা আসলে মেনে নেয়ার মত না ।

জীবনী কখনও কাল্পনিক হয় না। জীবনী শুধুই মানবজীবনের বাস্তব ঘটনার কাহিনী।

জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে জীবনীর পার্থক্য হলো, জীবনীতে ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষণ করা হয়, তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়। জন্ম, শিক্ষা, কাজ, সম্পর্ক ইত্যাদি হলো জীবনবৃত্তান্তের অংশ; কিন্তু জীবনী এর চেয়ে অনেক ব্যাপক। বিশিষ্ট লেখকদের গ্রন্থ পড়লে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। শিক্ষার কোনো শেষ নেই। কিন্তু আমাদের জ্ঞানের গভীরতা এতই কম যে, আমরা বেশি বই পড়তে পারি না। হয়তো সময়ও সবার হয়ে ওঠে না।

ক্ষনস্থায়ী এ জীবনের অনভূতি কত বিচিত্র।
জীবনের গল্পগুলোতেও তাই ছড়িয়ে খাকে রহস্যময়তা, জীবনের গল্পগল্পগুলোর মধ্যে হয়ত আপনার জীবন গল্পের সাথে মিলে যেতে পাড়ে এবং মনে পড়ে যেতে পারে আপনার ফেলে আশা দিনগুলোর কথা।

কোনো ঘটনার ফলাফলে আমরা ব্যর্থ, কিংবা কারো কাছ থেকে খুব আঘাত পেয়েছি মনে, আবার হয়তো এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা আমরা কাউকে না পারি বলতে, না পারি কাউকে বিশ্বাস করে মনের কথাগুলোকে ভাগ করে নিতে কথা বলার মাধ্যমে। এমন অবস্থা হলে মানুষের মন খারাপ হয়। এই মন খারাপটা আমরা বুঝতে পারি না। সচেতন মন এটা কম বুঝতে দেয়। ৬০%-এর বেশি মন খারাপ এই কারণে হয়ে থাকে।

ভালোবাসার সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, সফল না হওয়া, হতাশা, সমাজে অবস্থান, অর্থকষ্ট, পরিবারে অবস্থান ও সমর্থন, বেকারত্ব, সংসারে অশান্তি, ঝগড়া, যৌন জীবনে কষ্ট, সুখ না পাওয়া। মানসিক চাপ এবং পারিবারিক ভালোবাসার অভাব, অতীতের কোনো লঘু বা গুরুতর পাপ ও অপরাধ করলে, কোনো একটা বিশেষ ট্র্যাজেডির কারণে জীবন থমকে গেলে—এসব কারণে একটা মানুষের সাধারণত মন খারাপ হয়ে থাকে ,খারাপ সময় যেয়ে থাকে , যা পাড় করা প্রতেক মানুশের কাছে খুব কষ্টের ।

সবার জীবনে কিছু না কিছু ট্রাজেডি থাকে ঠিক তেমনি লেখকের ও ব্যতিক্রম না ।

পৃথিবীতে অনেক ঘটনা হয়তো কারণ ছাড়া ঘটতে পারে বা হয়। কিন্তু মন খারাপ কখনোই কারণ ছাড়া এমনিতে ঘটে না, আমরা হয়তো সবাই এমনটা বলি বা এমনটা ভাবি—মনটা এমনিতে মন সময় অনেক দিন ধরে খারাপ যাচ্ছে।
সূচীভেদ্য অন্ধকারেও চলে জীবনের নিরন্তর সংগ্রাম।

বেদনার নীল রং একসময় হয়তো পাংশু বর্ণ ধারণ করে, তবুও কষ্টের তীব্রতা রয়ে যায় পূর্ববৎ যন্ত্রণার প্রতিটি ক্ষণ যেন এক একটি মহাকাল,
তবুও বেদনার সময়টুকু পেরিয়ে এসে-
ওরা ঊষার আলোয় অবগাহন করে যায়।

নতুন ভোরে নতুনভাবে বাচাঁর অবলম্বন খোঁজে
কষ্টের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে পূর্ববৎ।

এই বলে শেষ করতে চাইঃ “জিবনে খারাপ সময় আশে ,তখন অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়”

লেখকঃ মোহাম্মদ হাসান, সংবাদ কর্মী,কলামিস্ট, পিএ সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।