খুঁজুন
, ,

মাঝিদের বৈঠা বর্জন ও মানববন্ধন : কর্ণফুলীর মাঝিদের বিতাড়ির করার চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 February, 2020, 3:48 pm
মাঝিদের বৈঠা বর্জন ও মানববন্ধন : কর্ণফুলীর মাঝিদের বিতাড়ির করার চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : বৈঠা যার ঘাট তার সরকার প্রবর্তিত আইন। এই আইন অমান্য করে কর্ণফুলী নদীর তিন হাজার সাম্পান মাঝিকে কর্মহীন করার প্রতিবাদে মানব বন্ধন বৈঠা বর্জন করেছে ১০টি সাম্পান মাঝি কল্যান সমিতির সদস্যরা।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কর্ণফুলীর অভয়মিত্র ঘাট থেকে ১৫ নম্বর পর্যন্ত সকল ঘাটে যাত্রী পারাপার বন্ধ করে মাঝিরা দুই ঘন্টা ধরে বৈঠা বর্জন ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

নগরীর সদরঘাটে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্যে চট্টগ্রামের প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ বলেন, মাঝিদের ঘাট বংশানুক্রমে ইজারা দেয়ার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও সরকার বিরোধি চক্র কর্ণফুলী থেকে সাম্পান মাঝিদের বিতাড়ির করার চেষ্টা করছে। মাঝিদের বৈঠা বর্জন ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখছেন বক্তারা

মেয়র সাহেব অনুমতি দেয়ার পরও চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ঘাট ইজারা দেয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কিভাবে। আসন্ন চসিক নির্বাচনে মেয়রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে সুনির্দিষ্ট চক্রান্ত যে কোন মূল্যে প্রতিরোধ করতে হবে। মাঝিদের ঘাট তাদের ইজারা না দিলে আরো বড় কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান বলেন, ২০০৩ সালের হস্তান্তরি ফেরিঘাট ইজারা ও ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভূদ আয় বন্টন সম্পর্কে নীতিমালায়’ ষ্পষ্ট করে বলা হয়েছে বংশ পরম্পরায় একজন ঘাট মাঝি জীবিত থাকলেও তার অনুকূলে ঘাট ইজারা দিতে হবে।

সিটি কর্পোরেশন এই আদেশ অমান্য করে ঘাট ইজারা দেয়ায় এডভোকেট মনজিল মোর্শেদ হাইকোর্টে রিট পিটিশন (৩৪৬৫/২০১৫) সালে দায়ের করেন। হাইকোর্টের বিচারক ওবায়দুল হাসান ও বিচারক কৃষ্ণ দেবনাথ প্রদত্ত আদেশে বলা হয়েছে পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে দশ শতাংশ বৃদ্ধি করে পাটনীজীবী সাম্পান মাঝিদের ঘাট ইজারা দিতে হবে।

চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এই আদেশ অমান্য করে সর্বসাধারনের জন্য ঘাট ইজারা দেয়ার টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কোন সাহসে। বৈঠা বর্জন ও মানববন্ধন

কর্ণফুলী গবেষক অধ্যাপক ড. ইদ্রিচ আলী বলেন, কর্ণফুলীর পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করেই হাজার বছর ধরে সাম্পান মাঝিরা কর্ণফুলীর অলংকার হিসাবে জীবনযাপন করে আসছে। তাদের বিতাড়ন করার এই চক্রান্ত চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্যে আঘাত করা। যা প্রতিরোধ করতে হবে।

চরপাথরঘাটা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছৈয়দ আহমদ বলেন, চসিক রাজস্ব কর্মকর্তা পুরো টেন্ডার বিজ্ঞাপনে কোথাও সাম্পান বা নৌকা শব্দ উচ্চারন করেননি। তিনি সাম্পানের পরিবর্তে লাইফবোট দিয়ে যাত্রী পারাপারের জন্য টেন্ডার আহবান করেছেন।

সরকারের ভাবমূর্তি চট্টগ্রামের জনগনের কাছে ক্ষুন্ন করার জন্য তিনি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এই কাজ করেছেন। যা কিছুতেই মেনে নেয়া হবেনা।

কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যান সমিতি ফেডারেশন সভাপতি এস এম পেয়ার আলীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা আমির আহমদ আমু, চরপাথরঘাটা ব্রীজঘাট সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি জাফর আহমদ, সহ সভাপতি জিন্নাত আলী, ইছানগর বাংলাবাজার সাম্পান চালক সমিতির সভাপতি মো: লোকমান দয়াল, সাধারণ সম্পাদ মোহাম্মদ ইউসুফ, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, ইছানগর সদরঘাট সাম্পান মাঝি সমিতির সাধারণ সম্পাদ মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদ ফরিদ আহম্মদ, পতেঙ্গা তেলের টেংকার কর্মচারী পারাপার সাম্পান মাঝি পাটনি শ্রমিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল, ১১ নম্বর মাতব্বর ঘাট ও জুলধা লাইফ বোট সাম্পান টেম্পু মাঝি মালিক (পাটনি) সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুস শুক্কর, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন হাসনাত, সদরঘাট সাম্পান চালক সমিতির সভাপতি আবসার উদ্দিন বাপ্পি সাধারন সম্পাদক এয়ার মোহাম্মদ, ১২ নম্বর তিনটিংগা ঘাট যাত্রী পারাপার সাম্পান মাঝি ও শ্রমিক সমবায় লিমিটেড এর জাফর আহম্মদ, ১৪ নম্বর গুচ্ছগ্রাম ঘাট নৌকা পারাপার ও লাইটার টেংকার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি ফরিদুল আলম সাধারন সম্পাদক সোলেমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Feb2
Feb2

ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 pm
ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ছুটির দিনে হাতে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ভিড় করেছে শিক্ষার্থীরা। ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখার সুযোগ নিতে শুক্রবার অনেক শিক্ষার্থী পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে আসে।

পরিবেশ দূষণ রোধে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃতি ও বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ কর্মসূচি চালু করেছে।

শুক্রবার চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেটসহ পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে আসছে। নির্ধারিত স্থানে ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক জমা দিয়ে তারা বিনা মূল্যে প্রবেশের সুযোগ নিচ্ছে। অনেকের সঙ্গে এসেছেন অভিভাবকেরাও।

চট্টগ্রাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ ইসলাম ও তার সহপাঠী সারোয়ার হোসেনও পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চিড়িয়াখানায় আসে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের প্রশংসা করে আরিফ বলে, এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়াবে।

আরিফ বলে, ‘এখন থেকে রাস্তায় কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য দেখলে সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার চেষ্টা করব। বন্ধুদেরও একই কাজ করতে উৎসাহিত করব।’

দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে শিশুদের বিনোদন ও প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ যুক্ত করে জেলা প্রশাসন ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী ইকবাল হোসেনও দুই সন্তানকে নিয়ে ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় আসেন। উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সব নাগরিককেই সচেতন হতে হবে।

ইকবাল বলেন, নগরের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন রাখা হলে নাগরিকদের অভ্যাসেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসবে। এতে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে।

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। কর্মসূচির আওতায় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারছে। উদ্বোধনী দিনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি করে গাছের চারাও দেওয়া হয়।

উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মোবাইল ফোন, অনলাইন ভিডিও ও ভার্চুয়াল জগতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির কাছে ফিরিয়ে আনার চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্লাস্টিক কৃষিজমি, সমুদ্র ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে। তাই ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে জেলা প্রশাসনের। এ জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে লাভ বা মুনাফা মুখ্য নয়। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, দেশ ও জাতির জন্য একটি বিনিয়োগ।’

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।