খুঁজুন
, ,

মানসিকভাবে সুস্থ প্রজন্মই পারে জাতিকে সার্বিকভাবে উন্নত করতে : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 February, 2020, 10:15 pm
মানসিকভাবে সুস্থ প্রজন্মই পারে জাতিকে সার্বিকভাবে উন্নত করতে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমাদের নতুন প্রজন্মের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য তাদেরকে সৃজনশীল বই পড়ার ব্যাপারে উৎসাহী করে তুলতে হবে। কেননা, মানসিকভাবে সুস্থ প্রজন্মই পারে একটি দেশ ও জাতিকে সার্বিকভাবে উন্নত করে তুলতে।

আজ সোমবার বিকেলে এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনাসিয়াম হলে চট্টগ্রামে অমর একুশের বইমেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে মেধা, মনন ও অর্থনৈতিকভাবে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যাওয়া। আমরা আরো আগেই এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারতাম। গত ১১ বছরে দেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে পারতো, যদি দেশে নেতিবাচক ও সংঘাতের রাজনীতি না থাকতো।

অমর একুশের বইমেলার উদ্বোধন। ছবি: দেব প্রসাদ দেবু

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন নিয়ে বিএনপির বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে নালিশ জানানোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন নির্বাচন নিয়ে তাদের যদি নালিশ থাকলে তারা নির্বাচন কমিশনে যেতে পারতো, আদালতে যেতে পারতো।

ভোটারদের কাছে নালিশ জানাতে পারতো। কিন্তু তা না করে বিদেশিদের কাছে নালিশ দিয়ে বিদেশে বিএনপি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্যের অপচেষ্টা করছে এবং এটা তারা বারবারই করছে। তারা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ করে দিতে চায়। এটি কখনো আমাদের দেশের জন্য সম্মানজনক নয়।

তিনি এ ধরণের কর্মের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে আর ছোটো না কার জন্য বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানান।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো সম্মিলিত বইমেলা আয়োজনের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, আগে বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্নভাবে বইমেলা হতো। এতে সাধারণ্যের মধ্যে আগ্রহ কম ছিল। গতবছর থেকে সবাইকে নিয়ে মেলা আয়োজনের কারণে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। এবারের মেলা গতবারের চেয়েও গুছানো বলে তিনি মন্তব্য করেন। একটি সময় এটি ঢাকার বইমেলার মতো অনেক বড় আঙ্গিকে আয়োজন হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি চত্বরে চাদর বিছিয়ে বইমেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এখন সেখানে ৮ লক্ষ বর্গফুট এলাকজুড়ে মেলা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, চার/পাঁচ হাজার বছর আগেও মানুষ ও অন্য প্রাণীর মধ্যে তেমন পার্থক্য ছিল না। মানুষের সাথে প্রাণীর লড়াই হতো। অনেক প্রাণী আছে যারা মানুষের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। কিন্তু মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আস্তে আস্তে অন্যান্য প্রাণী থেকে বহুদূর এগিয়ে গেছে। মানুষ তার আবিষ্কার লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণে রাখে এবং এই সংরক্ষণের বড় মাধ্যম হচ্ছে বই। পরে আবার সেই ডকুমেন্টেড বিষয়গুলোকে চর্চার মাধ্যমে চরম উৎকর্ষ সাধন করেছে। এতেই প্রাণী থেকে মানুষ তার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। যেমন ১৫০ বছর আগে মানুষ গাড়ি বানিয়েছিল। পরে অনেক গবেষণার পর গাড়ি আজকের পর্যায়ে এসেছে। একইভাবে বিমান আবিষ্কারের পরও ক্রমাগত গবেষণার মধ্য দিয়ে বিমান বর্তমান অবস্থানে উঠে এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু এতে অনেকটা প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে মানুষ। আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। এ আত্মকেন্দ্রিকতায় মানুষের স্বাভাবিক মূল্যবোধ লোপ পাচ্ছে। কিন্তু কোনোভাবেই মানুষের মানবিক মূল্যবোধকে নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। এ মানবিক মূল্যবোধকে ধরে রাখা ও এর উৎকর্ষ সাধনের জন্য মানুষকে সৃজনশীল বই পড়তে হবে।

ড. হাছান বলেন, আজকাল অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিচ্ছেন। কিন্তু যিনি এর প্রবক্তা সেই বিল গেটস ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তাঁর কোনো সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেননি। আমরা স্মার্ট ফ্যামিলিগুলো বুঝতেও পারি না শিশুসন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিয়ে আমরা তার কতো বড় ক্ষতি করছি। সে এ ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেটে ঢুকে যা ইচ্ছে তা দেখতে পারছে।

মন্ত্রী নিজের ছাত্রজীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, আমার বাসা ছিল হেমসেন লেনে। সেখান থেকে কয়েক বন্ধু মিলে হেঁটে মুসলিম হাইস্কুলে যেতাম। আমাদের কিছু বন্ধু ছিল যারা হাঁটতে হাঁটতে বই পড়তো। আমাদের কাজ ছিল এ চলন্ত অবস্থায় বই পড়তে গিয়ে তারা যেন নালা-নর্দমায় পড়ে না যায় তা দেখা। আজকাল এরকম দৃশ্য দেখাই যায় না।

তিনি বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় দস্যু বনহুর মাসুদ রানার মতো কিছু আকর্ষক ধারাবাহিক বই ছিল। কিন্তু সেগুলোর মধ্যে শিক্ষনীয় তেমন কিছু ছিল না। এসবের পাশাপাশি শিক্ষনীয় এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বহু বই ছিল। এসব বই পড়েই মানবিক মানুষ হওয়া যায়।

তিনি ক্ষয়িষ্ণু মূল্যবোধ থেকে বের হয়ে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুদের বই পড়ার উৎসাহ সৃষ্টির জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খেয়াল রাখতে হবে শিশুদের হাতে তুলে দেয়া এসব বই যেন মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হতে হবে অর্থনৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের উন্নত একটি রাষ্ট্র, যেটি দেখে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো আমাদের অনুকরণ করবে।

মন্ত্রী আয়োজকদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, সিটি কর্পোরেশনেরও অনেক স্কুল কলেজ আছে। এগুলোসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বইমেলায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা এবং বই পড়ার ক্ষেত্রে তাদের পুরস্কৃত করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এতে তারা বই পড়ায় উৎসাহী হয়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে এটি দ্বিতীয় সম্মিলিত মেলা। ভবিষ্যতে এ মেলাকে আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের বই পড়তে উৎসাহী করে তুলতে মন্ত্রীর পরামর্শকে সাধুবাদ জানিয়ে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক ও মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম নিপু।

এর আগে, জিমনাসিয়াম প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে ২০ দিনব্যাপী অমর একুশে বইমেলা ২০২০-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।