খুঁজুন
বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুর পৌরসভার কো-কম্পোষ্ট এন্ড ওয়াটার প্লান্ট পরিদর্শনে নেপালী প্রতিনিধি দল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুর পৌরসভার কো-কম্পোষ্ট এন্ড ওয়াটার প্লান্ট পরিদর্শনে নেপালী প্রতিনিধি দল

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার নির্মানাধীন বর্জ্র ব্যবস্থাপনা ও কো-কম্পোষ্ট এন্ড ওয়াটার প্লান্ট পরিদর্শন করলো নেপালের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টায় বিমানযোগে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে প্রতিনিধি দল।

এরপর পৌরসভা হয়ে দলটি শহরের নয়াবাজারস্থ ওয়াটার এইড বাংলাদেশ ও এসকেএস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় নির্মিয়মান সেনেটারী বর্জ্রসহ গৃহস্থালী বর্জ্র থেকে কম্পোস্ট সার ও বিশুদ্ধ পানি পরিশোধন প্লান্ট পরিদর্শন করে তারা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জিয়াউল হক জিয়া, প্যানেল মেয়র-২ শাহিন আকতার, ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরশাদ হোসেন পাপ্পু, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের রিজিওনাল ডিরেক্টর ডক্টর খাইরুল ইসলাম, হেড অফ প্রোগ্রাম আফতাব ওপেল, প্রোজেক্ট ম্যানেজার (স্মল টাউন) সুমন কান্তি নাথ, এসকেএস ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর (ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) মোঃ সাইফুল আলম, প্রোজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুর আলম খন্দকার প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলকে প্লান্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন ওয়াটার এইড বাংলাদেশের প্রোজেক্ট ম্যানেজার (স্মল টাউন) সুমন কান্তি নাথ। তাকে সহযোগিতা করেন পৌর কাউন্সিলর এরশাদ হোসেন পাপ্পু।

এরপাশাপাশি সৈয়দপুর পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক বাড়ি বাড়ি থেকে বাঁশি বাজিয়ে পরিচ্ছন্নকর্মীদের গৃহস্থালী ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের নতুন বাবুপাড়া হাজী কলোনী মাঠে শহীদ কুদরত স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে কো-কম্পোষ্ট ও ওয়াটার প্লান্ট এর বর্জ্র ব্যবস্থাপনার সফলতা ও উপকারিতা বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সুবিধাভোগী স্থানীয় জনগণ।

পরে প্রতিনিধি দলের সাথে পৌরসভার অধিবেশন কক্ষে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রতিনিধি দলের প্রধান নেপালের লাহান পৌরসভার মেয়র মুনি সাহ সুদিসহ ডিপুটি মেয়র সুরিয়ার কুমারী চৌধুরী, নেপাল ওয়াটার সাপ্লাই কো-অপারেশন এর চিফ টেকনিক্যাল ডিভিশন এর ঈশ্বর প্রসাদ, লাহান পৌরসভার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার খেম নন্দ ভুসাই, ওয়াটার এইড নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর তৃপ্তি রায়, ম্যানেজিং ডিরেক্টর (কিংডম) পিটার এন্থনি ওয়াইস, বিকন লিডার কাবিন্দ্র পুডিসাইনি, পলিসি স্পেশালিস্ট গোবিন্দ্র বাহাদুর শেরসা, ইকো ট্যুরিজমের ট্রেজারার মমতা জাইন, দলিত জনকল্যান যুব ক্লাব এর এক্সিকিউিটিভ ডিরেক্টর বিনোদ কুমার বিশাঙ্ক, সোস্যাল মিউনিসিপ্যাল অফিসার মুহেশ কুমার ধাঙ্গারা, নেপালের মিত্র সংঘ সংস্থার রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার ল্যাথসেরিং গ্লান তামাং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে লাহান এর মেয়কে ক্রেস্ট ও প্রতিনিধিদের প্রত্যেককে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। এসময় লাহান এর মেয়রও সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়রকে তাদের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উত্তরীয় ও জাতীয় প্রতিকের মেডেল প্রদান করেন।

লাহান পৌরসভার মেয়র মুনি সাহ সুদি তার বক্তব্যে বলেন, সৈয়দপুর পৌরসভার এ প্লান্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদুরপ্রসারী ফলপ্রসু প্রকল্প। এজন্য সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়রকে তিনি অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।