খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে বিয়ের পর ঘর সংসার করেও স্ত্রীর স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত কলেজছাত্রী কেয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
সৈয়দপুরে বিয়ের পর ঘর সংসার করেও স্ত্রীর স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত কলেজছাত্রী কেয়া

অষ্টম শ্রেনীতে পড়াকালীন সময়ে প্রতিবেশী প্রাইভেট টিউটরের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে এভিডেভিট, কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে এবং দীর্ঘ প্রায় ১ বছর সংসার করার পরও স্ত্রীর স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত কেয়া।

প্রেমিক ও স্বামী যৌতুকের দাবিতে প্রেম বা বিয়ে সব অস্বীকার করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে কেয়াকে। এতে অসহায় কেয়া চরম বিপদে পড়ে জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্ণা দিচ্ছে স্ত্রীর স্বীকৃতি আদায়ে। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের কয়া বাঁশবাড়ী জামে রিজভিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায়।

সরেজমিনে গেলে ওই এলাকার মোঃ ফারুক ও মোছাঃ আঁখি বেগমের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া মোছাঃ রাহাত আঞ্জুম কেয়া (২০) জানান, প্রাইভেট পড়ার সুবাদে বিয়ে করার প্রলোভনে প্রতিবেশী ব্যবসায়ী মোঃ আখতার হোসেনের ছেলে মোঃ ওয়াসিম আকরাম (২৭) তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর দীর্ঘদিন চুটিয়ে প্রেম করে তারা। কিন্তু হঠাৎ করে জানতে পারি ওয়াসিম অন্যত্র বিয়ে করছে।

এমতাবস্থায় বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওয়াসিম পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ে করবেনা বলে জানায় এবং বাবা-মাকে ম্যানেজ করে কিছু দিনের মধ্যেই বিয়ে করবে বলে আস্বস্ত করে। কিন্তু পরিবারের লোকজন সম্মত না হওয়ায় এক পর্যায়ে বিগত ২০১৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী ওয়াসিম ও কেয়া নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে গিয়ে এভিডেভিট করে এবং স্থানীয় কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করে।

পরে ওয়াসিমের পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে তাদের বিয়ে মেনে নিয়ে বাড়িতে তোলে। শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই কেয়াকে বিভিন্নভাবে যৌতুকের জন্য মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। এভাবে দীর্ঘ প্রায় ১ বছর কেয়া নির্যাতন সহ্য করেই সেখানে ঘর সংসারও করে। কিন্ত হঠাৎ করে ওয়াসিমের পরিবারের লোকজন কেয়াকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং ওয়াসিম ও কেয়ার বিয়ে হয়নি বলে প্রচার করতে থাকে। কেয়া বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে ওয়াসিম তার সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণরুপে বন্ধ করে দেয়। এখন কোনভাবেই এ বিয়ে মেনে নেয়া হবেনা বলে ওয়াসিমের পরিবার থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে কেয়া ও তার পরিবার।

এ ব্যাপারে কেয়ার মা আঁখি বেগম জানান, আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ। কোন রকমে সংসার চালাই। তার উপর মেয়েকে নিয়ে এমন বিপদে পড়েছি যে কোন সুরাহা করতে পারছিনা। ওয়াসিম আমার মেয়ের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেও এখন অস্বীকার করছে। এমনকি ওয়াসিম তার এক প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আত্মীয়কে দিয়ে কাজী অফিস থেকে বিয়ের কাবিন নামা গায়েব করে দিয়েছে। কিন্তু ঘটনাক্রমে এভিডেভিটের কাগজটি থাকায় মুখে অস্বীকার করলেও প্রমাণ রয়ে গেছে।

মেয়ের বিয়ের স্বীকৃতির জন্য ওয়াসিমের পরিবারের কাছে সঙ্গত দাবি জানানোয় তারা যৌতুক চায়। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় এবং বিয়ে করে কেন এমন প্রতারণা করা হচ্ছে জানতে চাইলে তারা উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করেছে।

এদিকে ওয়াসিম আকরামের সাথে কথা হলে কেয়ার সাথে সম্পর্ক ও বিয়ের কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে এভিডেভিট দেখানো হলে বলে, এটা আমার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। মূলতঃ আমাকে ধোকা দিয়ে ওই স্ট্যাম্প পেপারে সই নেয়া হয়েছে। কাজী অফিসে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও বিয়ে হয়নি বলে জানায় সে। তাছাড়া কেয়ার সাথে এমন কোন শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি বা এর কোন প্রমান নেই।

এভাবে প্রেম, বিয়ে এবং সংসার করার পরও স্ত্রীকে অস্বীকার করার ঘটনায় শহর জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

Feb2

৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

দেশের প্রথম বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত বন্দর টার্মিনাল পিসিটির জন্য এসেছে ৪টি অত্যাধুনিক কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। চীন থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারে সংগ্রহ করা ৪টি শিপ টু শোর কিউসিজি নিয়ে আসা বিশেষায়িত ডেক জাহাজ ‘LAN HAI HONG YUN’ শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে ভিড়েছে।

এর জন্য বন্দরের দুইজন অভিজ্ঞ পাইলট এবং তিনটি শক্তিশালী টাগবোট নিয়োজিত ছিল।

বিষয়টি পিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরব ভিত্তিক বেসরকারি টার্মিনাল অপারেটর রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর কিউজিসি নিয়ে আসা জাহাজটি থেকে আনলোডকালীন কর্ণফুলী চ্যানেলে পিসিটি সংলগ্ন এলাকায় সব বাণিজ্যিক জাহাজ ও কোস্টার, ট্যাংকার, ফিশিং ট্রলার চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পিসিটি জেটি থেকে কমপক্ষে ১০০ মিটার পূর্ব তীর ঘেঁষে চলাচলের জন্য অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি এবং এনসিটির জন্য কিউজিসি আনার অভিজ্ঞতা থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ বহির্নোঙর থেকে বিশেষায়িত জাহাজটি সহজে পিসিটিতে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দ্রুততম সময়ে এবং নিরাপদে জাহাজ থেকে কনটেইনার নামাতে বা জাহাজে তুলতে কিউজিসি সবচেয়ে আধুনিক। কিউজিসি না থাকলে নিজস্ব ক্রেন নেই এমন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাস করা যায় না কিংবা ঝুঁকির।

কিউজিসি সরবরাহের আদেশ দেওয়ার পর তৈরি করতে এক বছরের বেশি সময় লাগে। পিসিটিতে কিউজিসি যুক্ত হচ্ছে এটি নিঃসন্দেহে মেরিটাইম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক দিক। কিউজিসি আনলোড করার পর অপারেশনাল করতে মাসখানেক সময় লাগতে পারে।

সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের সানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে ৪টি কিউজিসি কেনার চুক্তি করে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ম্যানেজার আলতাফুল আজম, প্রকৌশল বিভাগের প্রধান (আরএসজিটি চট্টগ্রাম) ফেরদৌস রহমান, টেকনিক্যাল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের প্রধান (আরএসজিটি জেদ্দা) কোয়ান হি. হান, আরএসজিটি চট্টগ্রাম সিইও অ্যারউইন হেইজ, সানি-এর জেনারেল ম্যানেজার চেন জিং, বিদেশী বিক্রয় বিভাগের জিএম ট্যাং ওয়েইবিন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের ভাইস ডিন এলভি গুওজেন, মেনা-এর ডেপুটি জিএম টং লিচাও।

অত্যাধুনিক ক্রেনগুলোর আরএসজিটি বাংলাদেশের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউ’এস (২০ ফুট হিসেবে) থেকে ৬ লাখ টিইইউ’এসে বাড়বে যা এর পরিচালনার দক্ষতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং লজিস্টিক খরচ কমিয়ে দেবে। এর আগে ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন (আরটিজি) সংগ্রহে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে আরএসজিটি।

১ হাজার ২০০ কোটি টাকায় পিসিটি তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। চুক্তি অনুযায়ী সেই টার্মিনালে যন্ত্রপাতি কিনে পরিচালনা করছে রেড সি। তারই অংশ হিসেবে কিউজিসি আসছে পিসিটিতে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ ওঠানামা নিরাপদ রাখতে পিসিটির তিনটি জেটির একটিতে উচ্চতাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই বাকি দুটি জেটিতে বসানো হবে চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে পিসিটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর মেয়াদি চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল পিসিটির আধুনিকায়ন, গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের কথা। চুক্তির শুরুতে কনসেশন ফি ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে বন্দরকে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে কনটেইনার উঠানামা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি পণ্যের কনটেইনার। ১৯ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার। প্রতিমাসে এখন ১১-১২টি কনটেইনার জাহাজ পিসিটিতে ভিড়েছে। কিউজিসি অপারেশনাল হলে জাহাজের সংখ্যা ও কনটেনার হ্যান্ডলিং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী করতে পারবে পিসিটি।

পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যদের শার্ট হবে গাঢ় নীল (ডিপ ব্লু) রঙের এবং প্যান্ট হবে খাকি রঙের। আর মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা জলপাই (লাইট অলিভ)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমোদনক্রমে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫-এর সংশোধনী জারি করেন।

গেজেটে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষর করেন।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে ডিপ ব্লু রঙের শার্ট এবং কফি (শেইল) রঙের প্যান্টের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের রংও ডিপ ব্লু করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্ষেত্রে জ্যাকেট ও শার্ট হবে লাইট অলিভ রঙের।

এ ছাড়া নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, নারী সদস্যরা ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে ডিপ ব্লু ব্লাউজ পরতে পারবেন। মেট্রোপলিটন পুলিশের নারী সদস্যদের ক্ষেত্রে ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ ব্লাউজ পরার বিধান রাখা হয়েছে। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত বা মাথা ঢাকতে ইচ্ছুক নারী সদস্যরা সারা বছর ফুল স্লিভ শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল চিনি জব্দ, আটক ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল চিনি জব্দ, আটক ২

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে বহন করা বিপুল পরিমাণ চিনি ও একটি ট্রাক জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, একটি অসাধু চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় পরিবহন করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহজনক ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে বহন করা ৮০০ কেজি চিনি জব্দ করা হয়। যার মূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। একই সঙ্গে চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ এবং দুই চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত বলেন, জব্দকৃত আলামত ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।