খুঁজুন
, ,

বিএনপি মেয়র প্রার্থী শাহাদাত আসছেন কাল : চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে গণসংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 25 February, 2020, 8:49 pm
বিএনপি মেয়র প্রার্থী শাহাদাত আসছেন কাল : চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে গণসংবর্ধনা

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার বেলা ২ টায় ঢাকা থেকে রেল যোগে চট্টগ্রাম আসছেন।

তার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেয়া হবে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপি, থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং কাউন্সিলর প্রার্থীদেরকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর ও সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান। আরো খবর : চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে চসিক নির্বাচন বিষয়ে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভায় এ আহবান জানান নেতাকর্মীরা।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেই তারা মনে করছে নির্বাচিত হয়ে গেছেন।

আমরা বলতে চাই, এ ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এত ভোট ডাকাতি ও কারচুপির পরও বিএনপি প্রতিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় বিশ্বাস করে।

তিনি বলেন, ভোট হচ্ছে জনগণের পবিত্র আমানত। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। ভোট ডাকাতদের প্রতিহত করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। তাই চসিক নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তিনি চট্টগ্রাম পুরাতন রেলষ্টেশন চত্ত্বরে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের গণসংবর্ধনায় চট্টগ্রামবাসীকে যোগ দেয়ার আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও মনোনয়ন বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই মনোনয়নকে চট্টগ্রামবাসী ও বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রাম পুরাতন রেলষ্টেশন চত্ত্বরে আমরা তাকে বরণ করে নেব। তাই এই বরণ অনুষ্ঠানকে লোকে লোকারণ্য করে প্রমাণ করতে হবে চট্টগ্রামের মাটি বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়ার ঘাঁটি। তিনি সাহসিকতার সাথে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয় ছিনিয়ে আনার আহবান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন’র পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, হাজী মোহাম্মদ আলী, নাজিমুর রহমান, মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবু ফয়েজ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, জাহাঙ্গির আলম দুলাল,
মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, মাঈন উদ্দিন মোহাম্মদ শহিদ, মাহমুদ আলম পান্না, হামিদ হোসেন, ফাতেমা বাদশা, ইব্রাহিম বাচ্চু, হেলাল চৌধুরী, ইয়াকুব চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম শহিদ, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর মো. আজম, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, জেলী চৌধুরী, মো. শাহজাহান, ইসমাইল বাবুল, আলমগীর নূর, আবুল খায়ের মেম্বার, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, জাসাস কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. জাকির হোসেন, শরীফ উদ্দিন খান, নূর হোসেন, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, মহসিন আলী চৌধুরী, আইয়ুব খান, শাহেদা বেগম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মামুনুর রশিদ শিপন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, নবাব খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, মো. সেকান্দর, জমির আহমেদ, মো. বেলাল, মনজুর আলম মঞ্জু, মো. হারুন, ফারুক আহমেদ, আবদুল্লাহ আল ছগির, ইলিয়াছ চৌধুরী, আলা উদ্দিন আলী নূর, মো. রফিক চৌধুরী, রাসেল পারভেজ সুজন, খাজা আলাউদ্দিন, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানচৌধুরী, এম এ হালিম বাবলু, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, হাজী মো. ইমরান, জসিম মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, নূর হোসেন নুরু, ফিরোজ খান, মামুন আলম প্রমুখ।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।