খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি মেয়র প্রার্থী শাহাদাত আসছেন কাল : চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে গণসংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
বিএনপি মেয়র প্রার্থী শাহাদাত আসছেন কাল : চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে গণসংবর্ধনা

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার বেলা ২ টায় ঢাকা থেকে রেল যোগে চট্টগ্রাম আসছেন।

তার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেয়া হবে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপি, থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং কাউন্সিলর প্রার্থীদেরকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর ও সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান। আরো খবর : চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে চসিক নির্বাচন বিষয়ে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভায় এ আহবান জানান নেতাকর্মীরা।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেই তারা মনে করছে নির্বাচিত হয়ে গেছেন।

আমরা বলতে চাই, এ ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এত ভোট ডাকাতি ও কারচুপির পরও বিএনপি প্রতিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় বিশ্বাস করে।

তিনি বলেন, ভোট হচ্ছে জনগণের পবিত্র আমানত। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। ভোট ডাকাতদের প্রতিহত করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। তাই চসিক নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তিনি চট্টগ্রাম পুরাতন রেলষ্টেশন চত্ত্বরে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের গণসংবর্ধনায় চট্টগ্রামবাসীকে যোগ দেয়ার আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও মনোনয়ন বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই মনোনয়নকে চট্টগ্রামবাসী ও বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রাম পুরাতন রেলষ্টেশন চত্ত্বরে আমরা তাকে বরণ করে নেব। তাই এই বরণ অনুষ্ঠানকে লোকে লোকারণ্য করে প্রমাণ করতে হবে চট্টগ্রামের মাটি বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়ার ঘাঁটি। তিনি সাহসিকতার সাথে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয় ছিনিয়ে আনার আহবান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন’র পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, হাজী মোহাম্মদ আলী, নাজিমুর রহমান, মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবু ফয়েজ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, জাহাঙ্গির আলম দুলাল,
মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, মাঈন উদ্দিন মোহাম্মদ শহিদ, মাহমুদ আলম পান্না, হামিদ হোসেন, ফাতেমা বাদশা, ইব্রাহিম বাচ্চু, হেলাল চৌধুরী, ইয়াকুব চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম শহিদ, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর মো. আজম, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, জেলী চৌধুরী, মো. শাহজাহান, ইসমাইল বাবুল, আলমগীর নূর, আবুল খায়ের মেম্বার, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, জাসাস কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. জাকির হোসেন, শরীফ উদ্দিন খান, নূর হোসেন, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, মহসিন আলী চৌধুরী, আইয়ুব খান, শাহেদা বেগম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মামুনুর রশিদ শিপন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, নবাব খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, মো. সেকান্দর, জমির আহমেদ, মো. বেলাল, মনজুর আলম মঞ্জু, মো. হারুন, ফারুক আহমেদ, আবদুল্লাহ আল ছগির, ইলিয়াছ চৌধুরী, আলা উদ্দিন আলী নূর, মো. রফিক চৌধুরী, রাসেল পারভেজ সুজন, খাজা আলাউদ্দিন, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানচৌধুরী, এম এ হালিম বাবলু, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, হাজী মো. ইমরান, জসিম মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, নূর হোসেন নুরু, ফিরোজ খান, মামুন আলম প্রমুখ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।