খুঁজুন
, ,

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্যই সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে:শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 2 March, 2020, 4:44 pm
আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্যই সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে:শাহাদাত

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগ ৯ বার বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এই ঘন ঘন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারন হচ্ছে কিছু আওয়ামী মারওয়ারী ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেয়া। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কিছু ব্যবসায়ীদের সামনে নিয়ে এসেছে।

এক সময়ে যাদের বাসায় চুলা জ্বলতে না তারা আওয়ামী লীগে যোগদিয়ে মনোপলি ব্যবসার মাধ্যমে জনগণের টাকা লুটপাঠ করছে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে যখন তখন গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। লুটপাঠের বড় আখড়া কুইক রেন্টাল করে এখন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়া গুনতে হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। কুইক রেন্টালগুলো উৎপাদন না করলেও ভাড়া দিতে হচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

ইতিমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ জীবনযাত্রার সকল খরচ বেড়ে গেছে। মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। তাই এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানাচ্ছি।

সোমবার (২ মার্চ) নগরীর কাজীর দেউড়ী নুর আহমদ সড়কে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ কথা বলেন।

বিএনপি কেন্দ্রীয় শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে সাধারণ মানুষের। দেশীয় শিল্পকারখানা ধ্বংস করে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান বন্ধের মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত চলছে। গ্যাসের দাম বাড়ানোর মাত্র ৮ মাসের মাথায় আবার বিদ্যুত ও পানির দাম বাড়ানো হলো। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি দেশের শিল্পের শক্তি ধ্বংস করে দিবে।নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যসহ জীবনযাত্রার সকল খরচ বেড়ে যাবে।মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সরকার প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে। বার বার তাঁর জামিন আবেদন খারিজ করে সরকার সেই প্রতিহিংসার নীতিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটালো। সরকারের ইচ্ছাই বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে বিনা চিকিৎসায় শোচনীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত চলছে। সরকার এজন্যই আদালতকে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দরপতনের মধ্যেই দেশে বিদুৎ এর মূল্য বাড়ানোর কারন হলো লুঠপাট। দাম বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের পকেট থেকে বছরে দু’হাজার কোটি টাকা লুটে নিবে আওয়ামী সিন্ডিকেট। তিনি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবী জানান । অন্যথায় এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণের অসুবিধা হবে না’ এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী যারা জনগণের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভারি করেছে তাদের অসুবিধা হবে না কিন্তু জনগণেণর উপর বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ‘মরার উপর খাড়ার ঘাঁ মতো অবস্থা হয়েছে। বারবার গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গণতন্ত্রের নামে নির্বাচন আছে কিন্তু জনগণের ভোট দেয়ার অধিকার নেই। দেশে আদালত আছে কিন্তু বিচার নাই। ব্যাংক আছে কিন্তু টাকা নেই। আওয়ামী লীগ এখন কেসিনো লীগে পরিণত হয়েছে। তিনি সরকারের এই অপকর্ম থেকে মুক্তি পেতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, এম এ হালিম, ইসহাক কাদের চৌধুরী, আলহাজ্ব সালাউদ্দিন, এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, হাজী মোহাম্মদ আলী, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, আলী আব্বাস, মোস্তাক আহমেদ খান, অধ্যাপক শেখ মহিউদ্দিন, এনামুল হক এনাম, এম এ রহিম, ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান, এস এম সাইফুল আলম, নুরুল আমিন, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, কাজি বেলাল উদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, আজম খান, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মাহবুব আলম, শিহাব উদ্দিন মোবিন, মনজুর উদ্দিন চৌধুরী, বদরুল খায়ের চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ রফিক, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, হামিদ হোসেন, ফাতেমা বাদশা, ইব্রাহিম বাচ্চু, মনজুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর আজম উদ্দিন, আব্দুল্লাাহ আল হারুন, মোহাম্মদ সেলিম চেয়ারম্যান, মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী টিপু, খোরশেদ আলম, হুমায়ুন কবির আনসার, মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, মোঃ কামাল পাশা, কাজী সালাউদ্দিন, কুতুব উদ্দিন বাহার, শওকত আলী নূর, মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, জাকের হোসেন,মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, জেলী চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহজাহান, আরিফ মেহেদি,আলমগীর নূর, আবু মুসা, আলী আজম, আফতাবুর রহমান শাহীন, মোঃ শাহাবুদ্দিন, নূর হোসেন, আব্দুল কাদের জসিম, হাজী মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর,জামাল উদ্দিন, মঈনুল আলম ছোটন, জসীমউদ্দীন, ফিরোজ আহমেদ, নিজামুল হক তপন, শফিউজ্জামান,আসমত আলি বাহাদুর,মোঃ আজগর,সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, মনজুর আলম তালুকদার, শহিদুল আলম শহীদ, মোহাম্মদ মহসিন, ইউসুফ সিকদার, রেজিয়া বেগম মুন্নি, সাহেদা বেগম, হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জামান টিটু, ইলিয়াছ চৌধুরী, এম ইলিয়াস আলী প্রমুখ।

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।