খুঁজুন
, ,

বিএনপি ভারত বিরোধী রাজনীতির জন্যই নরেন্দ্র মোদীর সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলছে : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 3 March, 2020, 11:36 pm
বিএনপি ভারত বিরোধী রাজনীতির জন্যই নরেন্দ্র মোদীর সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র ভারত বিরোধী রাজনীতির ধারাবাহিকতার জন্যই মুজিববর্ষে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসা নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তুলছে। আসলে বিএনপির মূল রাজনীতিই হচ্ছে ভারত বিরোধীতা। ভারত বিরোধী রাজনীতি তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়, তাই এর ধারা বাহিকতা রক্ষার জন্যই ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সকল অবান্তর প্রশ্ন তুলছেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই ধরনের প্রশ্ন তোলা দুটি উদ্দেশ্য রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে একটি হচ্ছে তাদের ভারত বিরোধী যে রাজনীতি সেই রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, আর একটি হচ্ছে বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বিরাজ করছে তার উসকানি দেওয়া। আমি আশা করবো তারা এই পথ পরিহার করবে।

মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের অংশগগ্রহণ না থাকলে মুজিববর্ষের পূর্ণতা পাবে না মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যদি ভারতের অংশগগ্রহণ না থাকে, তাহলে আমি মনে করি, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানটি পূর্ণতা পায় না। মুজিববর্ষে ভারতের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে কী ঘটেছে, কী ঘটেনি সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশে তো এমন কোনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে না যাতে এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বেশ কয়েকমাস আগে। তিনি তা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনো দেশের যদি এককভাবে অবদান থাকে তা ভারত।

বাংলাদেশের ১ কোটি মানুষ সেখানে (ভারত) আশ্রয় নিয়েছিল, তারা সর্বাত্মকভাবে আমাদের সহায়তা করেছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য ভারতের তৎকালীন সরকার ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিভিন্ন দেশে ছুটে গেছেন। সেই আন্তর্জাতিক চাপ ও বিশ্বজনমতের কারণেই পাকিস্তান বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় পেলেও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি কারাগার থেকে ১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে আসার মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার পূর্ণতা পেয়েছে। সে কারণেই নরেন্দ্র মোদীকে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রতিবেশী অন্যান্য দেশকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদিকে প্রতিহতের ঘোষণায় সরকার কি ভাবছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা মনে করি দেশে একটি সাম্প্রদায়িক শক্তি রয়েছে যারা সবসময় বিরোধী রাজনীতি করে এবং সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দেয়ার চেষ্টা করে। তাদের পক্ষ থেকে এগুলো করা হচ্ছে। এখানে ভারতের সরকারকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। ভারতের কোন সরকার ক্ষমতায় আছে সেটি আমাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ সময় ‘বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে শিল্প হিসেবে গ্রহণ করার জন্য একটি উকিল নোটিশে’র বিষয়ে মন্তব্য চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রাটাই শুরু হয়েছে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। বাংলাদেশে এর আগে প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল ছিল না। গত এগারো বছরে এ সেক্টরে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। ১০টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ছিল, সেখান থেকে এখন ৩৪টি চ্যানেল চালু রয়েছে, সরকার ৪৫টির লাইসেন্স দিয়েছে।’

‘শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী আমাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার পর থেকেই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নানাবিধ সমস্যা সমাধানে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি’ জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, কারণ এ চ্যানেলগুলো শুধুমাত্র বিনোদনই দেয় না, দেশ, জাতি ও সমাজ গঠনে, নতুন প্রজন্মের মনন গঠনে, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়া ও ভুলত্রুটি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ব্যাপক অবদান রয়েছে। ক্রমিকের বিষয়ে ক্যাবল অপারেটরদের হাতে জিম্মিদশা থেকে বেসরকারি টেলিভিশনগুলোকে মুক্ত করা হয়েছে, যেটি ১২ বছরে সম্ভবপর হয়নি, সেটি আমরা ৬ মাসে করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, অবৈধ ডিটিএইচের মাধ্যমে বিদেশি অনেক টেলিভিশন চ্যানেল দেখানো হচ্ছিল। এই অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে আমরা ইতোমধ্যেই অভিযান পরিচালনা করেছি। দেশের প্রচুর বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যাচিছল, সেটিও রোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা ক্যাবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছি, যদিও ক্যাবল অপারেটররা আমাদের দেয়া সময়সীমার মধ্যে করতে পারেনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এবিষয়ে আমরা আরো কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি, যাতে খুব সহসাই কেবল অপারেটিং সিস্টেমটা ডিজিটাল হয়। অর্থাৎ এখানে একটি শৃঙ্খলা স্থাপন করার জন্য আমরা প্রথম থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং আপনাদের সহযোগিতাও পাচ্ছি।

তথ্যমন্ত্রী এসময় প্রশ্নকারী সাংবাদিককে প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ দেন এবং বলেন, উকিল নোটিশে’র বিষয়টি পুরো দেখলে আমি সেটির জবাব দিতে পারবো।

Feb2
Feb2

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।